“অস্ট্রেলিয়াতেই থাকো, দেশে ফিরলে তারা তোমাকে মেরে ফেলবে”
মেলবোর্ন ১১ মার্চ: অস্ট্রেলিয়ায় আশ্রয় চাওয়া ইরানের নারী ফুটবল দলের সাত সদস্যের হাসিমাখা ছবি দেখলে মনে হতে পারে তারা স্বস্তিতে আছেন। কিন্তু বাস্তবে তাদের পরিস্থিতি…
মেলবোর্ন, ২৬ ফেব্রুয়ারি: এপস্টিন–সংক্রান্ত নথিতে সম্প্রতি প্রকাশিত একটি ছবিতে প্রয়াত বিশ্বখ্যাত ব্রিটিশ তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানী স্টিফেন হকিংকে বিকিনি পরা দুই নারীর সঙ্গে ককটেল পান করতে দেখা গেছে। ছবিটি সামাজিক মাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
প্রকাশিত ছবিতে দেখা যায়, একটি উষ্ণমণ্ডলীয় দ্বীপের রিসোর্টে সান বাথের চেয়ারে বসে লাল রঙের পানীয় হাতে হাস্যোজ্জ্বল স্টিফেন হকিং। দ্য সান জানায়, ছবিটি অতীতে অনলাইনে ঘুরে বেড়ালেও সম্প্রতি ডোনাল্ড ট্রাম্প ও যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ (DOJ) প্রকাশিত এপস্টিন নথির নতুন কিস্তিতে এটি আবার সামনে এসেছে।
স্টিফেন হকিং মোটর নিউরন রোগে আক্রান্ত ছিলেন এবং ২০১৮ সালে ৭৬ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন। তিনি দুইবার বিয়ে করেছিলেন এবং তাঁর তিন সন্তান রয়েছে।
ডেইলি মেইলকে দেওয়া এক বিবৃতিতে হকিংয়ের পরিবার জানায়, ছবিতে দেখা নারীরা কোনো ‘এলোমেলো ব্যক্তি’ নন; তাঁরা ছিলেন হকিংয়ের নিয়মিত পরিচর্যাকারী (কেয়ারার)। পরিবার জানায়, ২০০৬ সালে ক্যারিবীয় দ্বীপ সেন্ট থমাসের রিটজ কার্লটন হোটেলে ছবিটি তোলা হয়, যেখানে তিনি একটি বক্তব্য দেওয়ার পর ছবির জন্য পোজ দেন।
যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ প্রকাশিত সর্বশেষ নথিতে স্টিফেন হকিংয়ের নাম ২৫০ বারের বেশি উল্লেখ রয়েছে। তবে কর্তৃপক্ষ ও সংশ্লিষ্টরা স্পষ্ট করেছেন, নথিতে কারও নাম থাকা মানেই কোনো অপরাধে জড়িত থাকা নয়।
উল্লেখ্য, সেন্ট থমাস যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিন আইল্যান্ডসের অংশ এবং এটি কুখ্যাত লিটল সেন্ট জেমস দ্বীপের কাছাকাছি, যা জেফরি এপস্টিনের মালিকানাধীন ছিল। দ্য সান-এর প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০০৬ সালের মার্চে ২১ জন বিজ্ঞানীর একটি দল নিয়ে হকিং সেখানে একটি সম্মেলনে অংশ নেন, যা এপস্টিনের অর্থায়নে হয়েছিল।
‘এনার্জি অব এম্পটি স্পেস দ্যাট ইজন্ট জিরো’ শীর্ষক ওই আয়োজনের আগে হকিংকে লিটল সেন্ট জেমস দ্বীপে তোলা দুটি ছবিতেও দেখা যায়। একটি ছবিতে তাঁকে কয়েকজনের সঙ্গে বারবিকিউতে উপস্থিত থাকতে দেখা যায়, অন্যটিতে একটি সাবমেরিনের ভেতর থেকে দ্বীপের সমুদ্রতল ঘুরে দেখানো হচ্ছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, হকিং হুইলচেয়ার ব্যবহার করতেন বলে সাবমেরিনটি তাঁর সুবিধার জন্য বিশেষভাবে পরিবর্তন করেছিলেন এপস্টিন।
তবে এপস্টিনের সঙ্গে স্টিফেন হকিংয়ের সম্পর্কের ধরন স্পষ্ট নয়। প্রকাশিত কোনো ছবিতেই তাঁদের একসঙ্গে দেখা যায়নি।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ প্রকাশিত সর্বশেষ নথিতে স্টিফেন হকিংয়ের নাম ২৫০ বারের বেশি উল্লেখ রয়েছে। তবে কর্তৃপক্ষ ও সংশ্লিষ্টরা স্পষ্ট করেছেন, নথিতে কারও নাম থাকা মানেই কোনো অপরাধে জড়িত থাকা নয়।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au