২৭ হাজার টন ডিজেল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে ট্যাংকার, আরও আসবে চারটি
মেলবোর্ন, ৯ মার্চ- মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরুর ১০ দিনের মাথায় ২৭ হাজার টনের বেশি ডিজেল নিয়ে একটি ট্যাংকার চট্টগ্রাম বন্দরের জলসীমায় পৌঁছেছে। আজ সোমবার সিঙ্গাপুর থেকে…
শুভ দেবনাথ
মেলবোর্ন ০৯ মার্চ-বিশ্বের অন্যতম সেরা খেলোয়াড় লিওনেল মেসির সঙ্গে রেকর্ড চুক্তির সুফল পেতে শুরু করেছে ইন্টার মায়ামি। স্পোর্তিকো-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, ক্লাবটি এখন সবচেয়ে দামী এমএলএস দল, মূল্য ১৪৫ কোটি ডলার! যে খেলোয়াড়ের জন্য আমেরিকান ফুটবলে খ্যাতি কুড়িয়েছে মায়ামি, তাকে খুশি রাখতে তো সর্বোচ্চ চেষ্টা করাই যায়। মায়ামির সহমালিক জর্জে মাস প্রকাশ করলেন, মেসির বেতন কত?
ক্লাবের স্পনসরশিপ চুক্তি ও আয়ের অন্যান্য উৎসগুলোকে সর্বোচ্চ পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা করতে গিয়ে মাস এই তথ্য জানান। তিনি বলেন, অধিনায়ক মেসি বছরে ৭ থেকে ৮ কোটি ডলার বেতন পান, যার মধ্যে ক্লাবের মালিকানায় তার শেয়ারও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
এই সপ্তাহের শুরুতে ব্রাজিলিয়ান আর্থিক সেবা কোম্পানি ন্যু-র সঙ্গে একটি চুক্তি করে মায়ামি। বিনিময়ে মায়ামি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাছে দলের নির্মাণাধীন নতুন স্টেডিয়ামের নামকরণের স্বত্ব পাবে তারা। ২৬ হাজার ৭০০ আসনের ন্যু স্টেডিয়ামের নির্মাণকাজ এখনো চলছে। আগামী ৪ এপ্রিল সেখানে প্রথম ম্যাচ হওয়ার কথা।
সদ্য প্রকাশিত এক সাক্ষাৎকারে মাস ব্লুমবার্গকে বলেছেন, ‘খেলোয়াড়রা ব্যয়বহুল হওয়ার কারণে আমার বিশ্বমানের স্পন্সর প্রয়োজন। আমি মেসিকে বছরে ৭ থেকে ৮ কোটি ডলার দেই, সে প্রতিটি পয়সার যোগ্য।’
মেসি মেজর লিগ সকারের সর্বোচ্চ বেতনভুক্ত খেলোয়াড়। এমএলস প্লেয়ার্স অ্যাসোসিয়েশনের প্রকাশিত বেতন নির্দেশিকা অনুযায়ী, তার মূল বেতন ১ কোটি ২০ লাখ ডলার। আর নিশ্চিত পারিশ্রমিক ও ক্ষতিপূরণ মিলে তা বেড়ে দাঁড়ায় ২ কোটি ৪৪ লাখ ৬ হাজার ৬৬৭ ডলার।
এছাড়া মেসি আরও বিভিন্ন খাত থেকে আয় করেন, যেমন- অ্যাডিডাস ও লিগ ব্রডকাস্ট পার্টনার অ্যাপালের সঙ্গে চুক্তি থেকে। ২০২৩ সালের গ্রীষ্মে ক্লাবে যোগ দেওয়ার পর মেসি গত অক্টোবরে চুক্তির মেয়াদ বাড়ান। ২০২৮-এর মৌসুম পর্যন্ত ক্লাবটির সঙ্গে থাকবেন তিনি।
মেসির সঙ্গে চুক্তির পর মায়ামির মূল্যায়ন বছরে ২২ শতাংশ বেড়েছে। ক্লাবের বিজনেস অপারেশন্সের প্রেসিডেন্ট জাভিয়ের আসেনসি বললেন, ‘আমরা কীভাবে বেড়ে উঠছি? কারণ আমরা জিতেছি।’ তার দাবি, আর্থিক দিক থেকে দলের ওপর মেসির প্রভাব ‘রাত ও দিন, কালো ও সাদার’ মতো। মাঠে তার অবদান ছাড়া ক্লাব ভিন্ন অবস্থানে থাকত।
তিনি বলেন, ‘একদিক থেকে বিচার করলে, লিও এসে সবকিছুকেই ইতিবাচকভাবে বদলে দিয়েছে। লিওনেল আসার পর থেকে আমরা ইউএস ওপেন কাপের ফাইনালে উঠেছি, লিগস কাপ জিতেছি, সাপোর্টার্স শিল্ড জিতেছি, রেকর্ড সংখ্যক পয়েন্ট অর্জন করেছি এবং চ্যাম্পিয়ন্স লিগে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছি। এছাড়া আমরা এমএলএস কাপ জিতেছি, আবারো লিগস কাপের ফাইনালে উঠেছি, চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সেমিফাইনাল খেলেছি এবং ক্লাব ওয়ার্ল্ড কাপে নিজেদের জায়গা নিশ্চিত করেছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমি মনে করি এটা খুবই স্পষ্ট এবং দৃশ্যমান যে, মাঠে লিওনেলের উপস্থিতি এবং তাকে ঘিরে তৈরি হওয়া পরিবেশ ক্লাবকে আরও ভালো পারফরম্যান্স করতে সাহায্য করেছে। আমি আগেও আপনাদের যা বলেছি তা-ই আবার বলছি: একটি ফুটবল ক্লাব হিসেবে আমরা মাঠে কী ঘটে তার ওপর নির্ভর করি।’
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au