নিরাপদ পানি বঞ্চিত বাংলাদেশের প্রায় ১০ কোটি মানুষ, ঝুঁকিতে শিশুস্বাস্থ্য
মেলবোর্ন, ২২ মার্চ- বাংলাদেশের প্রায় ১০ কোটিরও বেশি মানুষ এখনও নিরাপদ পানীয় জলের সুবিধা থেকে বঞ্চিত রয়েছে, যা জনস্বাস্থ্য বিশেষ করে শিশুদের জন্য বড় ধরনের…
মেলবোর্ন, ২১ মার্চ- ইরানে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের নিরাপদে দেশে ফিরিয়ে আনার অংশ হিসেবে বিশেষ চার্টার্ড ফ্লাইটে ১৮৬ জন বাংলাদেশি দেশে ফিরেছেন। শুক্রবার দিবাগত রাত ১টা ৩৫ মিনিটে তারা ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর-এ অবতরণ করেন।
বিমানবন্দরে ফিরে আসা প্রবাসীদের স্বাগত জানান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক, প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির, প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ড. নেয়ামত উল্যাহ ভূঁইয়া এবং পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম। এ সময় তারা প্রবাসীদের খোঁজখবর নেন এবং প্রয়োজনীয় সহায়তার আশ্বাস দেন।
সরকারি সূত্রে জানা গেছে, ইরান থেকে বাংলাদেশিদের দেশে ফিরিয়ে আনতে একটি বহুপদক্ষেপ পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হয়। প্রথমে ইরানের রাজধানী তেহরান থেকে তাদের সড়কপথে আজারবাইজান সীমান্তে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর সীমান্ত পেরিয়ে আজারবাইজানের রাজধানী বাকু পর্যন্ত আবারও সড়কপথে স্থানান্তর করা হয়। পরবর্তীতে বাকুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বিশেষ চার্টার্ড ফ্লাইটে তাদের ঢাকায় আনা হয়।
এই পুরো প্রত্যাবাসন কার্যক্রম তদারকিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন তুরস্কে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এম. আমানুল হক। এছাড়া ঢাকার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো দুই কর্মকর্তা বাকুতে অবস্থান করে প্রবাসীদের যাত্রা ও আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করতে সহায়তা করেন।
প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তাদের মন্ত্রণালয় এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সমন্বিত উদ্যোগেই এই প্রত্যাবাসন সম্পন্ন হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, বিদেশে সংকটাপন্ন পরিস্থিতিতে আটকে পড়া বাংলাদেশিদের নিরাপদে ফিরিয়ে আনতে সরকার সবসময় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করে থাকে।
উল্লেখ্য, এর আগেও ইরানে যুদ্ধ পরিস্থিতির সময় বাংলাদেশিদের দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছিল। গত বছরের জুনে ইরানকে কেন্দ্র করে সংঘাতের সময় সীমান্ত পেরিয়ে পাকিস্তান হয়ে বিশেষ ফ্লাইটে অনেক বাংলাদেশিকে দেশে ফেরানো হয়।
বর্তমান পরিস্থিতিতেও একই ধরনের সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে প্রবাসীদের নিরাপদ প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করা হয়েছে, যা সরকারের কূটনৈতিক ও মানবিক প্রচেষ্টার একটি গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au