‘জুলাই আদেশ’ সংবিধানের ওপর প্রতারণা: আইনমন্ত্রী
মেলবোর্ন, ১ এপ্রিল- ‘জুলাই আদেশ’কে আইনি ভিত্তিহীন এবং সংবিধানের ওপর প্রতারণা হিসেবে উল্লেখ করে আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান বলেছেন, এটি মূলত একটি ‘কালারেবল লেজিসলেশন’, যার মাধ্যমে সংবিধানে…
মেলবোর্ন, ৩১ মার্চ- দুর্নীতির অভিযোগের মুখে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি মো. রেজাউল হাসান পদত্যাগ করেছেন। সোমবার তিনি সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসনের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির কাছে তার পদত্যাগপত্র জমা দেন। সুপ্রিম কোর্ট সূত্র জানিয়েছে, পদত্যাগপত্রটি গ্রহণ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ইতোমধ্যে বঙ্গভবনে পাঠানো হয়েছে।
বিচারপতি রেজাউল হাসানের বিরুদ্ধে সম্প্রতি সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের করা হয়। শাহ গ্রুপের চেয়ারম্যান কে এম মজিবুল হক ওই অভিযোগ জমা দেন। আবেদনে বিচারপতির বিরুদ্ধে দুর্নীতি, গুরুতর অসদাচরণ এবং বিচারিক ক্ষমতার অপব্যবহারের মতো অভিযোগ আনা হয়। অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা যাচাই করে তা তদন্তের জন্য কাউন্সিলে সুপারিশও করা হয়েছিল।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, ২০১০ ও ২০১১ সালের দুটি কোম্পানি মামলার শুনানিতে বিচারপতি রেজাউল হাসান পক্ষপাতমূলক আচরণ করেছেন। একটি মামলায় সংশ্লিষ্ট জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আদালতে উপস্থিত না থাকলেও রায়ে তার নামে কাল্পনিক যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করা হয়, যা পরবর্তীতে আপিল বিভাগ বাতিল করে দেয়।
আরেকটি মামলার ক্ষেত্রে অভিযোগ করা হয়েছে, আবেদনকারীর স্ত্রীকে পক্ষভুক্ত না করেই তার মালিকানাধীন ১৩ লাখ শেয়ার অবৈধভাবে বাতিল করে দেওয়া হয়। আবেদনকারীর দাবি, এ ধরনের সিদ্ধান্ত বিচার বিভাগের নিরপেক্ষতা ও ন্যায়বিচারের মৌলিক নীতির পরিপন্থি এবং বিচার ব্যবস্থার প্রতি জনআস্থাকে ক্ষতিগ্রস্ত করে।
এমন অভিযোগের প্রেক্ষাপটে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা চলার মধ্যেই বিচারপতি রেজাউল হাসান পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, বিধি অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের পর পদত্যাগ কার্যকর হবে এবং পরবর্তী আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে।
ঘটনাটি দেশের বিচারব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিয়ে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au