সামরিক অভিযানে ‘সর্বোচ্চ সংযম’ প্রদর্শনের আহ্বান আইএইএ’র
মেলবোর্ন, ৫ এপ্রিল- ইরানের বুশেহর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের কাছে হামলার খবর পেয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থা। সংস্থাটি সামরিক অভিযানে ‘সর্বোচ্চ সংযম’ প্রদর্শনের…
মেলবোর্ন, ৪ এপ্রিল- ইরানের দক্ষিণাঞ্চলে একটি মার্কিন এফ-১৫ই স্ট্রাইক ঈগল যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হওয়ার পর এক ক্রু সদস্য নিখোঁজ রয়েছেন। ঘটনাটি ঘিরে কিছু তথ্য সামনে এলেও এখনো অনেক প্রশ্নের উত্তর অজানা রয়ে গেছে।
শুক্রবার দুইজন ক্রু বহনকারী এই যুদ্ধবিমানটি বিধ্বস্ত হয়। দুর্ঘটনার পর মার্কিন বাহিনী পাইলটকে উদ্ধার করতে সক্ষম হলেও বিমানের উইপন সিস্টেম অফিসার এখনো নিখোঁজ রয়েছেন। তাঁকে খুঁজে পেতে ব্যাপক অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান চালানো হচ্ছে।
উদ্ধার অভিযানে অংশ নেয় দুটি হেলিকপ্টার এবং একটি এ-১০ ওয়ার্টহগ আক্রমণ বিমান। তবে পরিস্থিতি দ্রুত জটিল হয়ে ওঠে। পাইলটকে উদ্ধারে যাওয়া একটি হেলিকপ্টার হামলার মুখে পড়ে এবং এতে কয়েকজন ক্রু সদস্য আহত হন। তবুও হেলিকপ্টারটি শেষ পর্যন্ত নিরাপদে অবতরণ করতে সক্ষম হয়।
একই সময়ে উদ্ধার অভিযানে সহায়তাকারী এ-১০ ওয়ার্টহগ বিমানটিও হামলার শিকার হয়। এ নিয়ে ইরান দাবি করেছে, তারা একটি মার্কিন এ-১০ বিমান ভূপাতিত করেছে। তবে এই দাবির স্বাধীন কোনো যাচাই এখনো পাওয়া যায়নি।
ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, নিখোঁজ মার্কিন বিমানসেনাকে ধরতে সহায়তা করলে নাগরিকদের জন্য প্রায় ৫০ হাজার পাউন্ড পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছে। এতে পরিস্থিতি আরও উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
তবে এখনো অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় অস্পষ্ট রয়ে গেছে। নিখোঁজ ক্রু সদস্যের বর্তমান অবস্থা, তিনি জীবিত আছেন কি না, সে বিষয়ে নিশ্চিত কোনো তথ্য নেই। একই সঙ্গে মার্কিন বাহিনীর চলমান উদ্ধার অভিযান ঠিক কোন পর্যায়ে রয়েছে, তাও স্পষ্ট নয়।
এছাড়া ইরান যে এ-১০ ওয়ার্টহগ বিমান ভূপাতিত করার দাবি করছে, সেটি আদৌ মার্কিন উদ্ধার অভিযানের অংশ ছিল কি না, সে বিষয়েও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ফলে ঘটনাটি ঘিরে ধোঁয়াশা কাটেনি, বরং নতুন করে নানা প্রশ্ন সামনে আসছে।
সুত্রঃ বিবিসি
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au