বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ, উত্তরের জেলায় বিদ্যুৎ সংকট
মেলবোর্ন, ২৩ এপ্রিল- দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের বিদ্যুৎ উৎপাদন হঠাৎ করেই পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে। কয়লার সঙ্গে পাথর মিশে আসার কারণে বয়লার পাইপ ফেটে এই…
মেলবোর্ন, ২৪ এপ্রিল- ঢাকার শাহবাগ থানার সামনে ডাকসুর দুই নেতা এ বি জুবায়ের ও মুসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর এ ঘটনা ঘটে। হামলার জন্য ছাত্রদলের নেতা–কর্মীদের দায়ী করে অভিযোগ করেছে ইসলামী ছাত্রশিবির, যদিও এ অভিযোগ অস্বীকার করে পাল্টা বক্তব্য দিয়েছে ছাত্রদল।
প্রত্যক্ষদর্শী ও সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সন্ধ্যার পর শাহবাগ থানার সামনে হঠাৎ উত্তেজনা তৈরি হলে একপর্যায়ে এ বি জুবায়ের ও মুসাদ্দিককে ঘিরে ধরে একদল ব্যক্তি তাদের ওপর হামলা চালায়। পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে উঠলে সেখানে উপস্থিত পুলিশ সদস্যরা তাদের উদ্ধার করে থানার ভেতরে নিয়ে যান। পরে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কক্ষে তাদের আশ্রয় দেওয়া হয়।
ঘটনার সময় থানার সামনে ছাত্রদলের নেতা–কর্মীসহ বিক্ষুব্ধ একদল মানুষ জড়ো হন। এতে পুরো এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।
এ বি জুবায়ের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের সমাজসেবা সম্পাদক এবং মুসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মদ সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। গত বছরের ডাকসু নির্বাচনে ইসলামী ছাত্রশিবিরের সমর্থন নিয়ে তারা নির্বাচিত হন।
ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক ও ডাকসুর সাধারণ সম্পাদক এস এম ফরহাদ অভিযোগ করেন, ছাত্রদলের নেতা–কর্মীরা বহিরাগতদের সঙ্গে নিয়ে পরিকল্পিতভাবে এ হামলা চালিয়েছে। তার দাবি, একটি ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে উত্তেজনার সূত্রপাত হয়। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার কন্যা জাইমা রহমানকে নিয়ে একটি কুরুচিপূর্ণ পোস্ট ছড়িয়ে পড়ে, যা ঘিরে বিভ্রান্তি তৈরি হয়। পরে ওই পোস্ট নিয়ে ভুল বোঝাবুঝির অবসান ঘটাতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি থানায় গেলে তাকে কেন্দ্র করেই পরিস্থিতি জটিল হয়ে ওঠে।
অন্যদিকে, ছাত্রদলের পক্ষ থেকে ভিন্ন দাবি করা হয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের এক নেতা বলেন, জাইমা রহমানকে নিয়ে ভুয়া ফটোকার্ড ছড়ানোর প্রতিবাদে তারা শাহবাগ থানায় যান। সেখানে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে দেখতে পেয়ে পুলিশকে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়। পরে থানার ভেতরে ঢোকার চেষ্টা এবং উসকানিমূলক কথাবার্তার জেরে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে বলে দাবি করেন তিনি।
ছাত্রদলের আরেক নেতা মেহেদী হাসান জানান, পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলেও ছাত্রদলের নেতা–কর্মীরা সরাসরি হামলায় জড়িত ছিলেন না, বরং তারা সংঘর্ষ ঠেকানোর চেষ্টা করেছেন।
ঘটনার পর রাতের দিকে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিবুল ইসলাম শাহবাগ থানায় উপস্থিত হন। পরে পুলিশের সহায়তায় এ বি জুবায়েরসহ অন্যদের থানার একটি ফটক দিয়ে নিরাপদে বের করে নেওয়া হয়।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au