পশ্চিমবঙ্গে নতুন বিধানসভা গঠনে নির্বাচন কমিশনের নোটিফিকেশন জারি
মেলবোর্ন, ৬ মে- পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী ও তৃণমূল কংগ্রেস সভানেত্রী মমতা ব্যানার্জী রাজ্যে বিজেপির কাছে পরাজয়ের পরও পদত্যাগ করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। টানা তিন মেয়াদ ক্ষমতায় থাকা…
মেলবোর্ন,৬ মে- সিরিয়ার শরণার্থী শিবির ছেড়ে অস্ট্রেলিয়ায় ফেরার উদ্দেশ্যে যাত্রা করা আইএস-সম্পর্কিত পরিবারের সদস্যদের দেশে ফিরলেই গ্রেপ্তার করা হতে পারে বলে সতর্ক করেছে অস্ট্রেলিয়ান ফেডারেল পুলিশ (এএফপি)। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার রাতে তাদের অস্ট্রেলিয়ায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে এবং ইতোমধ্যে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিয়েছে।
ফেরত আসা এই দলে রয়েছেন চারজন নারী এবং তাদের সঙ্গে থাকা নয়জন শিশু ও নাতি-নাতনি। তারা গত এপ্রিলের শেষ দিকে সিরিয়ার আল রোজ শরণার্থী শিবির ত্যাগ করেন। তবে সিরিয়া থেকে অস্ট্রেলিয়া পর্যন্ত তাদের যাত্রাপথ নিয়ে অনিশ্চয়তা ছিল।
অস্ট্রেলিয়ার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী টনি বার্ক জানান, দলটি বিমানের টিকিট বুক করার পরপরই সরকার বিষয়টি সম্পর্কে অবগত হয়। তিনি বলেন, শুরু থেকেই পরিষ্কার ছিল যে তারা দেশ ছাড়ার চেষ্টা করবে।
এএফপি কমিশনার ক্রিসি ব্যারেট বলেন, ফিরেই দলের কিছু সদস্যকে গ্রেপ্তার করে অভিযোগ আনা হতে পারে, অন্যদের বিরুদ্ধে চলবে তদন্ত। তিনি জানান, গত এক দশক ধরে এসব ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রমাণ সংগ্রহ করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, যার মধ্যে সন্ত্রাসবাদে সম্পৃক্ততা এবং মানবতাবিরোধী অপরাধ, যেমন দাস ব্যবসায় জড়িত থাকার অভিযোগও রয়েছে।
শিশুদের ক্ষেত্রে ভিন্ন ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে। তাদের জন্য পুনর্বাসন, মানসিক সহায়তা এবং চরমপন্থা প্রতিরোধমূলক কর্মসূচির আওতায় আনা হবে।
অস্ট্রেলিয়ার গোয়েন্দা সংস্থা এএসআইও-ও এই গোষ্ঠীকে নজরদারিতে রেখেছে। সংস্থার প্রধান মাইক বার্গেস বলেন, তারা সম্ভাব্য ঝুঁকি মূল্যায়ন করেছে এবং প্রয়োজনীয় তথ্য পুলিশকে সরবরাহ করেছে। যদিও তাৎক্ষণিক কোনো বড় নিরাপত্তা হুমকি দেখছেন না, তবুও তাদের ওপর নজর রাখা হবে।
সরকার আগেই জানিয়ে দিয়েছে, এসব ব্যক্তিকে দেশে ফিরিয়ে আনতে তারা কোনো ধরনের সহায়তা দেবে না। টনি বার্ক এ প্রসঙ্গে বলেন, প্রাপ্তবয়স্কদের অতীত সিদ্ধান্ত শিশুদের জন্য চরম বিপজ্জনক পরিস্থিতি তৈরি করেছে।
উল্লেখ্য, এর আগে ফেব্রুয়ারিতে বড় একটি গোষ্ঠী অস্ট্রেলিয়ায় ফেরার চেষ্টা করলেও তা ব্যর্থ হয়। নতুন এই উদ্যোগ ঘিরে দেশটিতে নিরাপত্তা ও মানবাধিকার নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au