রাজশাহীর পবায় শিশুকে যৌন হয়রানির অভিযোগে জামায়াতের রোকন আটক
মেলবোর্ন,০১আগস্ট: রাজশাহীর পবা উপজেলায় ৯ বছর বয়সী এক শিশুকন্যাকে যৌন হয়রানির অভিযোগে ওমর ফারুক নামের এক ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ। তিনি জামায়াতে ইসলামীর বড়গাছি ইউনিয়নের একটি…
মেলবোর্ন,০১আগস্ট: বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ভারতের ভূখণ্ড ব্যবহার করে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার অনুমতি দেওয়া হয়নি বলে জানিয়েছে ভারত সরকার। একই সঙ্গে তার প্রত্যর্পণের জন্য বাংলাদেশের অনুরোধ এখনো আইনি প্রক্রিয়ায় বিবেচনাধীন রয়েছে বলেও জানানো হয়েছে।
বৃহস্পতিবার লোকসভায় উত্থাপিত পার্লামেন্টের পররাষ্ট্রবিষয়ক স্থায়ী কমিটির নবম প্রতিবেদনের জবাবে ভারত সরকার এ তথ্য জানায়।
ভারতীয় কংগ্রেসের সংসদ সদস্য শশী থারুরের সভাপতিত্বাধীন স্থায়ী কমিটি ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের ভবিষ্যৎ, বিভিন্ন সুপারিশের বাস্তবায়ন এবং সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়ে সরকারের কাছে হালনাগাদ তথ্য চেয়েছিল। এর জবাবেই সরকারের অবস্থান তুলে ধরা হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারত দীর্ঘদিন ধরে এমন নীতি অনুসরণ করে আসছে, যাতে দেশটির ভূখণ্ড অন্য কোনো রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার জন্য ব্যবহার করা না হয়। শেখ হাসিনার ক্ষেত্রেও একই নীতি প্রযোজ্য হয়েছে।
তবে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, জীবনঝুঁকি বা ব্যতিক্রমী মানবিক পরিস্থিতিতে থাকা ব্যক্তিদের আশ্রয় দেওয়া ভারতের দীর্ঘদিনের মানবিক ও সভ্যতাগত ঐতিহ্যের অংশ। সেই বিবেচনায় শেখ হাসিনাকে ভারতে অবস্থানের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
ভারত সরকার আরও জানায়, এ ধরনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে মানবিক দিক, আন্তর্জাতিক দায়বদ্ধতা, আইনি বাধ্যবাধকতা এবং কূটনৈতিক সংবেদনশীলতার মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখা হয়।
প্রতিবেদনে শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণের জন্য বাংলাদেশের অনুরোধের বিষয়টিও উল্লেখ করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, ঢাকা থেকে পাওয়া অনুরোধ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ প্রযোজ্য আইনি কাঠামোর আওতায় পরীক্ষা-নিরীক্ষা করছে। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।
স্থায়ী কমিটি জানতে চেয়েছিল, শেখ হাসিনার অনুপস্থিতিতে তার বিরুদ্ধে দেওয়া মৃত্যুদণ্ডের রায়ের পর প্রত্যর্পণ-সংক্রান্ত অনুরোধের বর্তমান অবস্থা কী। জবাবে সরকার জানায়, বিষয়টি এখনো প্রক্রিয়াধীন।
এদিকে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিভিত্তিক কূটনৈতিক পর্যবেক্ষক ও দেশটির কয়েকটি গণমাধ্যমের বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, লোকসভায় উপস্থাপিত এই নথিতে সরকারের বিদ্যমান অবস্থানই আনুষ্ঠানিকভাবে পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে। এতে নতুন কোনো নীতিগত পরিবর্তনের ইঙ্গিত নেই।
প্রতিবেদনে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়ালের আগের বক্তব্যও পুনরুল্লেখ করা হয়েছে। তিনি এর আগে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে বলেছিলেন, বাংলাদেশের প্রত্যর্পণ অনুরোধ ভারত গ্রহণ করেছে এবং সেটি যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ায় পর্যালোচনা করা হচ্ছে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au