বাংলাদেশ

হিমালয়ের পানিনির্ভরতার অর্থমূল্য নির্ধারণে বাংলাদেশের প্রতি আহ্বান

  • 12:30 pm - September 26, 2026
  • পঠিত হয়েছে:৪১ বার
হিমালয়ের পানিনির্ভরতার অর্থমূল্য নির্ধারণে বাংলাদেশের প্রতি আহ্বান।

হিমালয়ের পানি ও প্রাকৃতিক সম্পদের ওপর অর্থনীতির নির্ভরতার আর্থিক মূল্য নির্ধারণ করেছে ভারত। এবার একইভাবে বাংলাদেশেরও হিমালয়ভিত্তিক পানিনির্ভরতার অর্থনৈতিক মূল্য নির্ধারণ করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে, হিমালয় থেকে নেমে আসা নদীগুলোর ওপর বাংলাদেশের কৃষি, অর্থনীতি, পরিবেশ ও মানুষের জীবনযাত্রা ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল হলেও এই নির্ভরতার প্রকৃত আর্থিক মূল্য এখনো নির্ধারণ করা হয়নি। পাশাপাশি হিমবাহ ও তুষারের পরিবর্তন পর্যবেক্ষণ এবং উজানের বাঁধ, ব্যারাজ ও জলবিদ্যুৎকেন্দ্রের তাৎক্ষণিক তথ্য পাওয়ার ক্ষেত্রেও বাংলাদেশের বড় ঘাটতি রয়েছে।

সিস্টেমিকিউ, ইন্টিগ্রেটেড মাউন্টেন ইনিশিয়েটিভ, ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর ইন্টিগ্রেটেড মাউন্টেন ডেভেলপমেন্ট এবং ভারতের জিবি পান্ত ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব হিমালয়ান এনভায়রনমেন্টের যৌথ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৪ অর্থবছরে ভারতের মোট দেশজ উৎপাদনের প্রায় ২১ দশমিক ৫ শতাংশ সরাসরি হিমালয়ভিত্তিক ব্যবস্থার ওপর নির্ভরশীল ছিল। এর আর্থিক মূল্য প্রায় ৬৪ লাখ ৮০ হাজার কোটি রুপি। গাঙ্গেয় সমভূমির সেচনির্ভর কৃষি, শিল্পাঞ্চল, নগর ব্যবস্থাপনা এবং বিদ্যুৎ উৎপাদনের মতো গুরুত্বপূর্ণ খাত থেকে এই অর্থনৈতিক মূল্য তৈরি হয়েছে।

অন্যদিকে একই নদী অববাহিকার ভাটিতে থাকা বাংলাদেশ হিমালয়ের পানির ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল হলেও দেশের অর্থনীতিতে এই পানির অবদানের কোনো সামগ্রিক আর্থিক হিসাব নেই। বিশেষজ্ঞদের মতে, তথ্যের এই ঘাটতির কারণে হিমালয়ের পানি বাংলাদেশের অর্থনীতি ও মানুষের জীবনে কতটা গুরুত্বপূর্ণ এবং ভবিষ্যতে পানির প্রবাহ কমে গেলে কী ধরনের ক্ষতি হতে পারে, তা সুনির্দিষ্টভাবে নিরূপণ করা সম্ভব হচ্ছে না।

অর্থনীতিবিদ ও ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর ইন্টিগ্রেটেড মাউন্টেন ডেভেলপমেন্টের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ গোলাম রসুল বলেন, বাংলাদেশে হিমালয়ের হিমবাহ নিয়ে গবেষণা এখনো খুবই সীমিত। ভাটির দেশ হওয়ায় বাংলাদেশ হিমবাহের পানি সরাসরি নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না। তবে দেশের নদী, কৃষি, পরিবেশ ও অর্থনীতির সঙ্গে হিমবাহের সম্পর্ক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

গোলাম রসুলের মতে, হিমালয়ের তুষার ও হিমবাহ গলে যে পানি নদীগুলোতে আসে, তা বাংলাদেশের জন্য বড় ধরনের প্রাকৃতিক সম্পদ। কিন্তু উজানে থাকা বাঁধ ও অন্যান্য অবকাঠামোর কারণে এই পানির প্রবাহের ওপর বাংলাদেশের সরাসরি নিয়ন্ত্রণ নেই। পানি মানুষের জীবন ও অর্থনীতির জন্য অপরিহার্য হলেও কখনো কখনো এটি কৌশলগত বিষয়েও পরিণত হতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের হিসাবে, বাংলাদেশের প্রধান নদীগুলোর বার্ষিক পানিপ্রবাহের প্রায় ৮০ শতাংশই বর্ষার চার মাসে আসে। দীর্ঘ শুষ্ক মৌসুমে হিমালয়ের তুষার ও হিমবাহ গলার পানি গঙ্গার হার্ডিঞ্জ ব্রিজ এলাকায় মোট প্রবাহের আনুমানিক ৯ থেকে ১০ শতাংশ এবং ব্রহ্মপুত্রের বাহাদুরাবাদ এলাকায় প্রায় ৩ থেকে ৫ শতাংশ পানির জোগান দেয়। বছরের মোট পানির হিসাবে এই পরিমাণ তুলনামূলকভাবে কম মনে হলেও শুষ্ক মৌসুমে যখন পানির সংকট তীব্র হয়, তখন এই প্রবাহ কৃষি, পরিবেশ ও নদীর স্বাভাবিক অস্তিত্বের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

এশিয়া সায়েন্স মিশনের পরিচালক এবং সাসটেইনেবল ওয়াটার ফিউচার প্রোগ্রামের নির্বাহী পরিচালক অনিক ভাদুড়ি বলেন, অভিন্ন নদী অববাহিকার পানির মূল্য এবং ঝুঁকির অর্থনৈতিক হিসাব করা সম্ভব। তবে এর জন্য পুরোনো ও স্থির হিসাবের বদলে জলবায়ু, পানির প্রবাহ এবং অর্থনৈতিক পরিবর্তন বিবেচনায় নিয়ে আধুনিক পদ্ধতিতে মূল্যায়ন করতে হবে।

তিনি বলেন, শুধু একটি অর্থমূল্য নির্ধারণ করলেই বাংলাদেশের পানিনির্ভরতার পুরো ঝুঁকি বোঝা যাবে না। কোনো ক্ষতির অর্থমূল্য নির্ধারণ করা হলেও তার পুরো দায় উজানের কোনো একটি পদক্ষেপের ওপর চাপিয়ে দেওয়া ঠিক হবে না। এজন্য নির্দিষ্ট পরিস্থিতি, স্পষ্ট অনুমান এবং অনিশ্চয়তার বিষয়গুলো বিবেচনায় রেখে হিসাব করতে হবে।

অনিক ভাদুড়ির মতে, অভিন্ন নদী অববাহিকার ঝুঁকি সঠিকভাবে বোঝা ও ব্যবস্থাপনা করতে ব্যর্থ হলে এর প্রভাব শুধু ভাটির দেশ নয়, পুরো অববাহিকার জনগণের ওপর পড়তে পারে। বন্যা, অবকাঠামোর ক্ষতি, পানির প্রাপ্যতার পরিবর্তন, অতিরিক্ত পলি এবং মানুষের জীবিকার ওপর এর প্রভাব পড়তে পারে উজান ও ভাটি উভয় অঞ্চলে।

নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান ও সমাজবিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মোহাম্মদ আবদুল বাতেন বলেন, ভাটির দেশ হিসেবে বাংলাদেশের শুধু পানি পাওয়ার দাবি জানিয়ে যাওয়ার পরিবর্তে নিজস্ব গবেষণা ও তথ্য সংগ্রহের সক্ষমতা বাড়ানো দরকার। হিমবাহের অবস্থা জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত এবং হিমালয় থেকে উৎপন্ন নদীগুলোর প্রবাহের ওপরও এর প্রভাব রয়েছে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ চাইলে নেপাল, ভারত ও চীনের সঙ্গে যৌথভাবে হিমবাহ নিয়ে গবেষণা করতে পারে। সার্কের আওতায় নেপালের সঙ্গে সহযোগিতা কিংবা ভারত ও চীনের গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে যৌথ কর্মসূচি নেওয়া সম্ভব।

মোহাম্মদ আবদুল বাতেন আরও বলেন, বাংলাদেশের পানি সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা এখন মূলত নদীর পানির প্রবাহ বা পৃষ্ঠের পানির পরিমাণকে কেন্দ্র করে। কিন্তু নদীর প্রবাহকে প্রভাবিত করা প্রাকৃতিক ও মানবসৃষ্ট উভয় বিষয় সম্পর্কে তথ্য প্রয়োজন। হিমবাহ, তুষার, পাহাড় ও পানির পাশাপাশি উজানে থাকা জলবিদ্যুৎকেন্দ্র, বাঁধ ও ব্যারাজ সম্পর্কেও বাংলাদেশের তথ্য জানা দরকার। শুধু নদীর পানিপ্রবাহের তথ্য পাওয়া গেলেই পুরো পরিস্থিতি বোঝা সম্ভব নয়।

মধ্য শতাব্দীতে ‘পিক ওয়াটার’ নিয়ে উদ্বেগ

হিমবাহ গলে নদীতে সর্বোচ্চ পানি প্রবাহের সময়কে বলা হয় ‘পিক ওয়াটার’। বিভিন্ন গবেষণায় বলা হয়েছে, তাপমাত্রা বাড়ার শুরুতে হিমবাহ দ্রুত গলতে থাকায় নদীতে পানির প্রবাহ বাড়তে পারে। এতে বর্ষায় বন্যা, অতিরিক্ত পলি ও নদীভাঙনের ঝুঁকি বাড়ে। কিন্তু একটি পর্যায়ে হিমবাহের ভর এতটাই কমে যায় যে গলন থেকে পাওয়া পানির প্রবাহ সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছে এরপর দীর্ঘমেয়াদে কমতে শুরু করে।

গঙ্গা ও ব্রহ্মপুত্র অববাহিকায় এই ‘পিক ওয়াটার’ চলতি শতাব্দীর মধ্যভাগের দিকে দেখা দিতে পারে বলে জলবিদরা ধারণা করছেন। এরপর শুষ্ক মৌসুমে হিমবাহ ও তুষার থেকে পাওয়া পানির পরিমাণ ধীরে ধীরে কমতে পারে। এতে বাংলাদেশের নদীগুলোতে শুষ্ক মৌসুমের পানির ঘাটতি আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

শুষ্ক মৌসুমে নদীর পানিপ্রবাহ কমে গেলে বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে লবণাক্ত পানি আরও ভেতরের দিকে প্রবেশ করতে পারে। বিশ্বব্যাংকের গবেষণাতেও দেখা গেছে, নদীর মিঠাপানির প্রবাহ কমে গেলে জোয়ারের লবণাক্ত পানি বেশি দূর পর্যন্ত প্রবেশের সুযোগ পায়। দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের কৃষিজমিতে মাটির লবণাক্ততা ইতোমধ্যে ধান উৎপাদনে প্রভাব ফেলছে। ভবিষ্যতে উজানের পানিপ্রবাহ আরও কমে গেলে কৃষিজমি ও সুন্দরবনের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি হতে পারে।

অন্য নদী অববাহিকা থেকে শিক্ষা

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভাটির দেশ হওয়া মানেই তথ্যের ঘাটতি মেনে নেওয়া নয়। বিশ্বের বিভিন্ন আন্তঃসীমান্ত নদী অববাহিকায় দেশগুলো যৌথভাবে নদীর পানির তথ্য সংগ্রহ, পর্যবেক্ষণ ও বিনিময়ের ব্যবস্থা গড়ে তুলেছে।

মেকং নদী অববাহিকায় কম্বোডিয়া, লাওস, থাইল্যান্ড ও ভিয়েতনাম স্বয়ংক্রিয় পর্যবেক্ষণকেন্দ্রের একটি বিস্তৃত নেটওয়ার্ক পরিচালনা করে। এসব কেন্দ্র থেকে পানির উচ্চতা ও বৃষ্টিপাতের তথ্য প্রায় তাৎক্ষণিকভাবে সংগ্রহ করে একটি যৌথ ব্যবস্থায় যুক্ত করা হয়। এর মাধ্যমে বন্যা ও খরা সম্পর্কে পূর্বাভাস দেওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে।

মেকংয়ের উজানে থাকা চীনও এই তথ্য ব্যবস্থায় অংশ নেয়। দেশটি মেকং নদী কমিশনের সদস্য না হলেও সংলাপ সহযোগী হিসেবে ইউনান প্রদেশের দুটি পর্যবেক্ষণকেন্দ্র থেকে পানির তথ্য দিয়ে আসছে।

ইউরোপের রাইন নদী অববাহিকায় সুইজারল্যান্ড, ফ্রান্স, জার্মানি, লুক্সেমবার্গ ও নেদারল্যান্ডস ইউরোপীয় ইউনিয়নের সহযোগিতায় একটি সমন্বিত ব্যবস্থা পরিচালনা করে। উজানে কোনো দূষণ বা বন্যার ঢেউ শনাক্ত হলে নির্দিষ্ট সতর্কতা ব্যবস্থার মাধ্যমে ভাটির দেশগুলোকে দ্রুত জানানো হয়।

সেনেগাল নদী অববাহিকায় সহযোগিতার আরও শক্তিশালী উদাহরণ রয়েছে। মালি, মৌরিতানিয়া, সেনেগাল ও গিনি নদীর গুরুত্বপূর্ণ বাঁধগুলো যৌথ মালিকানায় পরিচালনা করে এবং এর ব্যয় ও আয় ভাগাভাগি করে।

বাংলাদেশের করণীয়

অনিক ভাদুড়ির মতে, বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ হলো তথ্যভিত্তিক গবেষণা বাড়ানো এবং পুরো নদী অববাহিকাকে একটি সমন্বিত ব্যবস্থা হিসেবে দেখা। বর্তমানে স্যাটেলাইট পর্যবেক্ষণ, দূর অনুধাবন প্রযুক্তি, জলবিদ্যাগত মডেল এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক বিশ্লেষণের মাধ্যমে নদী ও হিমবাহের পরিবর্তন আগের তুলনায় অনেক বেশি নির্ভুলভাবে পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব।

স্থলভিত্তিক পর্যবেক্ষণের সঙ্গে এসব তথ্য যুক্ত করা গেলে বন্যা ও খরার পূর্বাভাস, ঝুঁকি মূল্যায়ন এবং পুরো নদী অববাহিকার পরিবর্তন সম্পর্কে আরও কার্যকর ধারণা পাওয়া সম্ভব। একই সঙ্গে বিভিন্ন দেশের মধ্যে তুলনাযোগ্য তথ্য, যৌথ গবেষণা এবং অভিন্ন পূর্বাভাস ব্যবস্থা গড়ে তোলা যেতে পারে।

তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, শুধু বেশি তথ্য সংগ্রহ করাই মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত নয়। বরং এসব তথ্য ব্যবহার করে নদী অববাহিকার বিষয়ে বিভিন্ন দেশের মধ্যে একটি অভিন্ন ও বৈজ্ঞানিক ধারণা তৈরি করা জরুরি।

রিভারাইন পিপলের প্রতিষ্ঠাতা ও মহাসচিব শেখ রোকন বলেন, নেপাল, ভুটান ও চীন থেকে নদীর পানির পূর্ণাঙ্গ তথ্য পাওয়া গেলেও বাংলাদেশের সমস্যার পুরো সমাধান হবে না। কারণ নদীর স্বাভাবিক প্রবাহের পাশাপাশি উজানে নির্মিত বাঁধ, ব্যারাজ ও জলবিদ্যুৎকেন্দ্র কীভাবে পানির প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করছে, সেই তথ্যও বাংলাদেশের প্রয়োজন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, হিমালয়ের পানি বাংলাদেশের কৃষি, খাদ্যনিরাপত্তা, পরিবেশ, নদী ও অর্থনীতির সঙ্গে গভীরভাবে সম্পর্কিত। তাই ভবিষ্যতের পানি সংকট মোকাবিলায় শুধু পানি বণ্টন নিয়ে আলোচনা নয়, হিমবাহ থেকে নদীর মোহনা পর্যন্ত পুরো অববাহিকার তথ্য সংগ্রহ, গবেষণা এবং যৌথ ব্যবস্থাপনার সক্ষমতা গড়ে তোলা জরুরি। বিশেষ করে মধ্য শতাব্দীর দিকে হিমবাহের পানিপ্রবাহ কমে যাওয়ার সম্ভাবনা সামনে রেখে এখন থেকেই বাংলাদেশের প্রস্তুতি নেওয়া প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা।

সুত্রঃ The Daily Star

এই শাখার আরও খবর

আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড চালুর দাবি শেখ হাসিনার

বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নতুন এক রেকর্ড করা বক্তব্যে বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক হয়রানি, অর্থনৈতিক অব্যবস্থাপনা এবং সংখ্যালঘু, নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে…

নিউইয়র্কে সাংবাদিকদের উদ্দেশে রেকর্ডেড বক্তব্য শেখ হাসিনার, সরকারের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ

OTN Bangla Desk: বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশন কভার করতে নিউইয়র্কে অবস্থানরত সাংবাদিকদের উদ্দেশে একটি রেকর্ডেড রাজনৈতিক…

শেখ হাসিনা ও তার দল আওয়ামী লীগ কি আবার ক্ষমতায় ফিরে আসতে পারবে?

বাংলাদেশে একটি আলোচনা প্রবল আছে যে, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে যে সকল কর্তৃত্ববাদী, স্বৈরশাসক ও দলের পতন হয়েছে তারা আর কখনো ক্ষমতায় ফিরে আসেনি। শেখ হাসিনার…

শেখ হাসিনাকে ঘিরে ঢাকা-দিল্লির বিরোধ: সমঝোতা চায় ওয়াশিংটন

OTN Bangla Desk: বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ঘিরে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে যে টানাপোড়েন তৈরি হয়েছে, তার সমাধানে দুই দেশ আলোচনা করে একটি সমঝোতায়…

অস্ট্রেলিয়ায় কৃষিশ্রমিক ভিসা নিয়ে বিভ্রান্তিকর প্রচার—যা জানা জরুরি

OTN Bangla Desk: অস্ট্রেলিয়ার কৃষিখাতে আসন্ন ফসল তোলার মৌসুমে শ্রমিক সংকট মোকাবিলায় কিছু জরুরি ওয়ার্কিং হলিডে মেকার ভিসার (WHM) আবেদন অগ্রাধিকার ভিত্তিতে প্রক্রিয়াকরণের উদ্যোগ নেওয়া…

কুষ্টিয়ার মহাশ্মশানে গরুর মাংস রান্না করে পিকনিক, চিতা-সমাধিতে জুতা পায়ে ছবি

কুষ্টিয়ার সদর উপজেলার হরিনারায়ণপুর মহাশ্মশানে একদল যুবকের গরুর মাংস রান্না করে পিকনিক করার অভিযোগ উঠেছে। একই সঙ্গে শ্মশানের চিতা ও মৃত ব্যক্তির সমাধির ওপর জুতা…

স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au