নাকে অক্সিজেনের নল, মুমূর্ষু মাকে নিয়ে উত্তাল সাগর পাড়ি
নাকে অক্সিজেনের নল। পাশে অক্সিজেন সিলিন্ডার। স্বজনদের কোলে শুয়ে আছেন ৮০ বছরের মুমূর্ষু এক বৃদ্ধা। বাইরে উত্তাল সাগর, তার ওপর মুষলধারে বৃষ্টি। ঢেউয়ের ধাক্কায় কখনো…
বগুড়ার ব্যস্ততম এলাকা সাতমাথায় নির্মাণাধীন ড্রেনের মাটি খুঁড়তে গিয়ে ৩৩৪টি গুলি উদ্ধার হয়েছে। শনিবার (২৯ আগস্ট) দুপুরে সাতমাথার জিলা স্কুলের প্রাচীরসংলগ্ন এলাকা থেকে গুলিগুলো উদ্ধার করা হয়। একসঙ্গে বিপুলসংখ্যক গুলি মাটির নিচে কীভাবে এল, তা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে কৌতূহল তৈরি হয়েছে।
বগুড়া সিটি করপোরেশনের চলমান ড্রেন নির্মাণ প্রকল্পের কাজ করছিলেন শ্রমিকেরা। দুপুরে মাটি খননের একপর্যায়ে তাঁরা মাটির নিচে গুলিগুলো দেখতে পান। বিষয়টি জানাজানি হলে ঘটনাস্থলে স্থানীয় লোকজন জড়ো হন। পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।
খবর পেয়ে বগুড়া সদর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে গুলিগুলো উদ্ধার করে। পরে সেগুলো জব্দ করা হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, উদ্ধার হওয়া গুলিগুলোর ধরন, বয়স ও উৎস এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এগুলো কত বছরের পুরোনো, কীভাবে সেখানে এল এবং কোনো পুরোনো ঘটনা বা স্থাপনার সঙ্গে এর কোনো যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা তদন্ত ও পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর জানা যাবে।
বগুড়া সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইব্রাহীম আলী বলেন, নির্মাণাধীন ড্রেনের মাটি খননের সময় মোট ৩৩৪টি গুলি উদ্ধার করা হয়েছে। গুলিগুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হবে। এরপর এগুলোর ধরন, সময়কাল ও সম্ভাব্য উৎস সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে।
সাতমাথা বগুড়া শহরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও ব্যস্ততম এলাকা। শহরের বিভিন্ন সড়ক এসে এই এলাকায় মিলিত হয়েছে। প্রতিদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত এখানে মানুষের ব্যাপক চলাচল থাকে। এমন একটি ব্যস্ত এলাকার মাটির নিচে একসঙ্গে এতগুলো গুলি পাওয়ার ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানান, সাতমাথা ও আশপাশের এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন ধরনের নির্মাণকাজ হয়েছে। কিন্তু ড্রেন নির্মাণের সময় একসঙ্গে ৩৩৪টি গুলি পাওয়ার ঘটনা তাঁদের কাছে অস্বাভাবিক মনে হয়েছে। গুলিগুলো সেখানে কতদিন ধরে ছিল এবং কী কারণে মাটির নিচে রাখা হয়েছিল, তা তদন্তের মাধ্যমে বেরিয়ে আসবে বলে তাঁরা আশা করছেন।
পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, গুলিগুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর এ বিষয়ে আরও তথ্য পাওয়া যেতে পারে। তদন্তের ভিত্তিতেই গুলিগুলোর উৎস ও সেখানে মাটির নিচে থাকার কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au