বাংলাদেশ

দুই বছর পর আবারও বাংলাদেশে একই মার্কিন সেনা কর্মকর্তা, যা জানা যাচ্ছে

  • 2:05 am - September 13, 2026
  • পঠিত হয়েছে:৬৭ বার
দুই বছর পর আবারও বাংলাদেশে একই মার্কিন সেনা কর্মকর্তা। ছবিঃ সংগৃহীত

দুই বছর পর আবারও বাংলাদেশে এসেছেন যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর কর্মকর্তা মেজর মাইকেল রিড স্যাটেম। ২০২৪ সালের অক্টোবরে তিনি ঢাকায় এসেছিলেন একটি উচ্চপর্যায়ের মার্কিন সামরিক প্রতিনিধিদলের সদস্য হিসেবে। এবার তিনি এসেছেন অরেগন ন্যাশনাল গার্ডের একটি বিশেষায়িত দলের নেতৃত্ব দিয়ে। তাঁর এবারের সফরের অন্যতম গন্তব্য বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সাঁজোয়া কোরের প্রধান প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান বগুড়া সেনানিবাসের আর্মার্ড কোর সেন্টার অ্যান্ড স্কুল।

সুত্রের তথ্য অনুযায়ী, মেজর মাইকেল রিড স্যাটেম ১১ সেপ্টেম্বর ঢাকায় পৌঁছেছেন। তাঁর নেতৃত্বাধীন পাঁচ সদস্যের অরেগন ন্যাশনাল গার্ডের দলটির মূল বিশেষায়ন সাঁজোয়া অশ্বারোহী বাহিনী। প্রতিনিধিদলটি ১৩ থেকে ১৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশে অবস্থান করার কথা রয়েছে।

এই সময়ে তারা বগুড়া সেনানিবাসের আর্মার্ড কোর সেন্টার অ্যান্ড স্কুল পরিদর্শন করবেন এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে পেশাগত বিভিন্ন কার্যক্রমে অংশ নেবেন বলে জানা গেছে।

প্রাথমিকভাবে এবারের সফরকে সাঁজোয়া অশ্বারোহী বাহিনীকে কেন্দ্র করে পেশাগত সামরিক যোগাযোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে। তবে মেজর স্যাটেমের আগের বাংলাদেশ সফর এবং তাঁর রাসায়নিক, জৈবিক, তেজস্ক্রিয় ও পারমাণবিক ঝুঁকি মোকাবিলা সংক্রান্ত বিশেষায়িত দক্ষতার কারণে সফরটি কিছুটা গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে।

তবে এখন পর্যন্ত প্রকাশ্যে আসা তথ্যের ভিত্তিতে এই সফরের সঙ্গে কোনো নির্দিষ্ট অস্ত্র কেনা, সামরিক সরঞ্জাম সংগ্রহ, অপারেশনাল পরিকল্পনা বা বিশেষ কোনো অস্ত্রব্যবস্থার আলোচনা যুক্ত রয়েছে বলে নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না।

মেজর স্যাটেমের এবারের সফরের সঙ্গে ২০২৪ সালের সফরের একটি সরাসরি ব্যক্তিগত যোগসূত্র রয়েছে। ২০২৪ সালের অক্টোবরে তিনি ঢাকায় এসেছিলেন সাত সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের মার্কিন সামরিক প্রতিনিধিদলের সদস্য হিসেবে। ওই দলের নেতৃত্বে ছিলেন মেজর জেনারেল স্কট এ উইন্টার। তখন তিনি মার্কিন সেনাবাহিনীর প্রশান্ত মহাসাগরীয় কমান্ডের কৌশল ও পরিকল্পনা বিভাগের ডেপুটি কমান্ডিং জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

মেজর জেনারেল উইন্টারের নেতৃত্বাধীন ওই প্রতিনিধিদল ২০২৪ সালের ২৮ অক্টোবর ঢাকায় পৌঁছায়। এর কিছুদিন আগে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডায় ১১ দিনের সফর শেষ করেছিলেন।

ওই সফরে বাংলাদেশের সেনাপ্রধানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তাদের বৈঠকে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রম, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধি, দুই দেশের সামরিক সম্পর্ক এবং ভবিষ্যৎ সহযোগিতার মতো বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছিল। এর পরপরই মেজর জেনারেল উইন্টারের নেতৃত্বে মার্কিন সেনাবাহিনীর প্রশান্ত মহাসাগরীয় কমান্ডের প্রতিনিধিদলের ঢাকায় আসা দুই দেশের সামরিক যোগাযোগের ধারাবাহিকতা তুলে ধরে।

২০২৪ সালের ওই প্রতিনিধিদলে মেজর স্যাটেম ছাড়াও রাসেল গিবসন, জ্যারেড উইলিয়াম কার্পেন্টার, সারা জ্যাঁনেট অ্যালবার্টসন, জশুয়া হ্যামিল্টন গেইগার এবং ড্যারেন অ্যালেন থারম্যানসহ মার্কিন সরকার ও সামরিক বাহিনীর কর্মকর্তারা ছিলেন বলে সে সময়ের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছিল।

অর্থাৎ ২০২৪ সালের সফরে মেজর স্যাটেম একটি উচ্চপর্যায়ের মার্কিন সামরিক প্রতিনিধিদলের অংশ ছিলেন। ওই দলের নেতৃত্বে থাকা কর্মকর্তা মার্কিন সেনাবাহিনীর প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের কৌশল ও পরিকল্পনার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

প্রায় দুই বছর পর মেজর স্যাটেমের এবারের বাংলাদেশ সফরের ধরন অবশ্য ভিন্ন। এবার তিনি কোনো জ্যেষ্ঠ মার্কিন জেনারেলের নেতৃত্বাধীন বড় প্রতিনিধিদলের সদস্য নন। বরং নিজেই অরেগন ন্যাশনাল গার্ডের একটি ছোট ও বিশেষায়িত দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন।

বর্তমান প্রতিনিধিদলের সদস্যদের মূল পেশাগত ক্ষেত্র সাঁজোয়া অশ্বারোহী বাহিনী। আর তাদের নির্ধারিত গন্তব্য বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সাঁজোয়া কোরের প্রধান প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান বগুড়া সেনানিবাসের আর্মার্ড কোর সেন্টার অ্যান্ড স্কুল।

এই গন্তব্যটিও গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এটি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একটি সাধারণ প্রশাসনিক প্রতিষ্ঠান নয়। সাঁজোয়া কোরের সদস্যদের প্রশিক্ষণ, যুদ্ধকৌশল, পরিচালন পদ্ধতি এবং পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নের সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটির সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে।

তবে প্রতিনিধিদলের নির্দিষ্ট কর্মসূচি বা আলোচ্যসূচি এখনো প্রকাশ করা হয়নি। ফলে সফরটিকে সাঁজোয়া বাহিনীর আধুনিকায়ন, নতুন অস্ত্রব্যবস্থা, সামরিক সরঞ্জাম কেনা বা কোনো নির্দিষ্ট অপারেশনাল পরিকল্পনার সঙ্গে যুক্ত করা এই মুহূর্তে আগাম সিদ্ধান্ত হবে।

এখন পর্যন্ত যে তথ্য পাওয়া যাচ্ছে, তাতে সফরটি সাধারণ সৌজন্য সাক্ষাতের চেয়ে নির্দিষ্ট পেশাগত ক্ষেত্রকেন্দ্রিক। একটি বিশেষায়িত সামরিক দলকে বাংলাদেশের সাঁজোয়া কোরের প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানে পাঠানো দুই দেশের সেনাবাহিনীর মধ্যে পেশাগত সহযোগিতার আরও একটি নির্দিষ্ট ক্ষেত্র সামনে আনছে।

বাংলাদেশের সঙ্গে অরেগন ন্যাশনাল গার্ডের সামরিক সম্পর্ক অবশ্য নতুন নয়। যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল গার্ডের স্টেট পার্টনারশিপ কর্মসূচির আওতায় অরেগনের সঙ্গে বাংলাদেশের সামরিক যোগাযোগ দীর্ঘদিনের। এই সহযোগিতার আওতায় বিভিন্ন সময়ে পেশাগত সামরিক বিনিময়, দুর্যোগ মোকাবিলা, বিস্ফোরক নিষ্ক্রিয়করণ এবং ইম্প্রোভাইজড বিস্ফোরকবিরোধী প্রশিক্ষণের মতো কার্যক্রম হয়েছে।

পরবর্তী সময়ে এই সম্পর্ক বিভিন্ন সামরিক মহড়া ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রমেও বিস্তৃত হয়েছে। মার্কিন সামরিক নথিতে বাংলাদেশকেন্দ্রিক বিভিন্ন মহড়ায় অরেগন ন্যাশনাল গার্ডের সদস্যদের অংশগ্রহণের তথ্য রয়েছে। এসব কার্যক্রমের অন্যতম লক্ষ্য ছিল দুই দেশের সামরিক বাহিনীর মধ্যে পেশাগত সম্পর্ক ও পারস্পরিক সক্ষমতা বাড়ানো।

সেই ধারাবাহিকতায় বর্তমান সফরকে অরেগন ও বাংলাদেশের সামরিক সম্পর্কের আরেকটি বিশেষায়িত কার্যক্রম হিসেবে দেখা হচ্ছে।

মেজর স্যাটেমের পেশাগত পরিচয়ের আরেকটি দিকও এবারের সফরকে কিছুটা আলোচনায় এনেছে। তিনি রাসায়নিক, জৈবিক, তেজস্ক্রিয় ও পারমাণবিক ঝুঁকি মোকাবিলা বিষয়ে বিশেষায়িত দক্ষতা রাখেন। সামরিক পরিভাষায় এসব ঝুঁকি মোকাবিলার সক্ষমতাকে সংক্ষেপে সিবিআরএন বলা হয়।

অরেগন ন্যাশনাল গার্ডের নিজস্ব সিবিআরএন সক্ষমতাও রয়েছে। তাদের একটি বিশেষায়িত বাহিনী বেসামরিক ও কেন্দ্রীয় সরকারি সংস্থার সঙ্গে কাজ করে বিপজ্জনক পদার্থজনিত ঘটনা এবং ব্যাপক হতাহতের মতো পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য প্রস্তুতি নেয়।

২০২৬ সালেও অরেগন ন্যাশনাল গার্ডের সদস্যরা রাসায়নিক পদার্থের লিকেজ, তেজস্ক্রিয় হুমকি এবং বিপজ্জনক পদার্থ মোকাবিলাসংক্রান্ত বিভিন্ন মহড়ায় অংশ নিয়েছেন।

তবে মেজর স্যাটেমের বর্তমান বাংলাদেশ সফরে সিবিআরএন-সংক্রান্ত কোনো কর্মসূচি রয়েছে, এমন কোনো প্রমাণ এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। একইভাবে তাঁর এই বিশেষায়িত দক্ষতার সঙ্গে বাংলাদেশের কোনো নির্দিষ্ট সামরিক প্রকল্প বা পাবনার ঈশ্বরদীর রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের কোনো সম্পর্ক রয়েছে, এমন তথ্যও প্রকাশ্যে নেই।

তাই তাঁর সিবিআরএন-সংক্রান্ত দক্ষতাকে বর্তমান সফরের কোনো গোপন বা অপ্রকাশিত কর্মসূচির প্রমাণ হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। তবে এটি একটি প্রাসঙ্গিক তথ্য, কারণ অরেগন ন্যাশনাল গার্ড ও বাংলাদেশের মধ্যে সামরিক সহযোগিতা শুধু সাঁজোয়া যুদ্ধকৌশলের মধ্যেই সীমাবদ্ধ কি না, তা বোঝার ক্ষেত্রে এই বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ।

একই কর্মকর্তার প্রায় দুই বছর ব্যবধানে বাংলাদেশে দুই দফা সফরও আলাদা করে নজরে এসেছে।

২০২৪ সালের অক্টোবরে মেজর স্যাটেম ছিলেন মার্কিন সেনাবাহিনীর প্রশান্ত মহাসাগরীয় কমান্ডের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার নেতৃত্বাধীন উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদলের সদস্য। আর ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বরে তিনি নিজেই একটি ছোট বিশেষায়িত দলকে নেতৃত্ব দিয়ে বাংলাদেশের সাঁজোয়া বাহিনীর প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানে যাচ্ছেন।

দুই সফরের মধ্যে সরাসরি কোনো যোগসূত্র রয়েছে, এমন প্রমাণ এখনো পাওয়া যায়নি। তবে সামরিক যোগাযোগের ক্ষেত্রে ব্যক্তি পর্যায়ের পরিচিতি গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। কোনো কর্মকর্তা একটি দেশের সামরিক প্রতিষ্ঠান ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে আগে থেকে পরিচিত থাকলে পরবর্তী সময়ে নির্দিষ্ট পেশাগত সহযোগিতায় সেই অভিজ্ঞতা কাজে লাগতে পারে।

এই দিক থেকে মেজর স্যাটেমের বাংলাদেশে ফিরে আসা উল্লেখযোগ্য। তবে এটিকে কোনো গোপন কর্মসূচির প্রমাণ হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।

বাংলাদেশ-সংশ্লিষ্ট সামরিক কর্মকাণ্ডে সাম্প্রতিক সময়ে অরেগন ন্যাশনাল গার্ডের উপস্থিতিও দেখা গেছে। ২০২৬ সালে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর দ্বিপক্ষীয় মহড়া টাইগার লাইটনিংয়ের প্রস্তুতি কার্যক্রমেও অরেগনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট মার্কিন সামরিক সদস্যদের অংশগ্রহণের তথ্য রয়েছে।

এর আগে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সহযোগিতার আওতায় সন্ত্রাসবাদবিরোধী কার্যক্রম, জঙ্গলযুদ্ধ, চিকিৎসা সহায়তা, আহতদের সরিয়ে নেওয়া এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে প্রশিক্ষণ ও মহড়া হয়েছে। বর্তমান সফর সেই সহযোগিতার মধ্যে সাঁজোয়া যুদ্ধ ও প্রশিক্ষণের বিষয়টিকে আরও স্পষ্টভাবে সামনে আনছে।

তবে মেজর স্যাটেমের নেতৃত্বাধীন বর্তমান সফরকে ঘিরে বেশ কিছু বিষয় এখনো পরিষ্কার নয়। বগুড়ায় ঠিক কী ধরনের আলোচনা হবে, সফরটি শুধু প্রশিক্ষণ পদ্ধতি ও পেশাগত অভিজ্ঞতা বিনিময়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে কি না, কিংবা সাঁজোয়া বাহিনীর আধুনিকায়ন, রক্ষণাবেক্ষণ, যুদ্ধকৌশল ও ভবিষ্যৎ সহযোগিতার বিষয়ও আলোচনায় আসবে কি না, তা এখনো জানা যায়নি।

একইভাবে মেজর স্যাটেমের সিবিআরএন বিশেষজ্ঞ পরিচয়ের কারণে সাঁজোয়া ইউনিটের রাসায়নিক, জৈবিক, তেজস্ক্রিয় বা পারমাণবিক হুমকি মোকাবিলার সক্ষমতা নিয়েও কোনো আলোচনা হবে কি না, সেটিও স্পষ্ট নয়।

এসব প্রশ্নের উত্তর নির্ভর করবে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও অরেগন ন্যাশনাল গার্ডের নির্ধারিত কর্মসূচির ওপর। বর্তমানে প্রকাশ্যে থাকা তথ্যের ভিত্তিতে এ বিষয়ে নিশ্চিত কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সম্ভব নয়।

তবে নিশ্চিতভাবে বলা যায়, মেজর মাইকেল রিড স্যাটেমের বাংলাদেশে ফেরার ঘটনায় একটি ধারাবাহিকতা তৈরি হয়েছে। ২০২৪ সালের অক্টোবরে তিনি ঢাকায় এসেছিলেন মার্কিন সেনাবাহিনীর প্রশান্ত মহাসাগরীয় কমান্ডের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদলের সদস্য হিসেবে। প্রায় দুই বছর পর ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বরে তিনি আবার বাংলাদেশে এসেছেন, এবার অরেগন ন্যাশনাল গার্ডের একটি বিশেষায়িত সাঁজোয়া অশ্বারোহী দলের নেতৃত্ব দিয়ে।

তাঁর সিবিআরএন-সংক্রান্ত বিশেষায়িত দক্ষতা এবারের ঘোষিত সাঁজোয়া কোরকেন্দ্রিক কর্মসূচির বাইরে কোনো আলোচনায় আসে কি না, সেটিই এখন নজরে রাখার বিষয়।

এ মুহূর্তে কোনো গোপন কর্মসূচি বা বিশেষ সামরিক চুক্তির দাবি করার মতো প্রমাণ নেই। তবে একই মার্কিন সামরিক কর্মকর্তার দুই দফা বাংলাদেশ সফর, প্রথমবার উচ্চপর্যায়ের কৌশলগত প্রতিনিধিদলের সদস্য হিসেবে এবং এবার সাঁজোয়া বাহিনীকেন্দ্রিক বিশেষায়িত দলের নেতা হিসেবে, বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা সহযোগিতার ধারাবাহিকতা বোঝার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

এই শাখার আরও খবর

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিয়ের অনুষ্ঠানে নাচ পরিবেশন করতে এসে ধর্ষণের শিকার দুই নারী

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে বিয়ের অনুষ্ঠানে নাচ পরিবেশন করতে এসে দুই নারী নৃত্যশিল্পী ধর্ষণের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। তাদের মধ্যে একজন কিশোরী। তিতাস নদীর মাঝখানে একটি…

থানা থেকে লুট হওয়া অস্ত্র মসজিদে কিভাবে গেল?

নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে একটি মসজিদের দ্বিতীয় তলা থেকে পুলিশের লুট হওয়া একটি পিস্তল, দুটি ম্যাগাজিন ও ২০ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়েছে। ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার…

জিন্নাহকে ‘শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায়’ স্মরণ করল হাদির ইনকিলাব মঞ্চ, দেশজুড়ে সমালোচনা

ভাষা আন্দোলনের বিরোধিতার সঙ্গে জড়িয়ে থাকা পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা মুহাম্মদ আলী জিন্নাহকে ‘শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায়’ স্মরণ করেছে শহীদ শরীফ ওসমান হাদির প্রতিষ্ঠিত সংগঠন ‘ইনকিলাব মঞ্চ’। শুক্রবার…

এবার ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজে নাচ-গান নিয়েও মৌলবাদীদের আপত্তি, তারা কি দিনেও ঘুমান?

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজে নবীনবরণ অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড নিয়ে আপত্তি তুলেছে জেলা কওমি ছাত্র ঐক্য পরিষদ। আগামী ১৪ সেপ্টেম্বর কলেজে নবীনবরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের…

খুতবায় প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে মন্তব্য করে চাকরি হারালেন ইমাম

চাঁপাইনবাবগঞ্জের রানিহাটিতে জুমার খুতবায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্যের অভিযোগ এবং নামাজে অস্বাভাবিক বিলম্বসহ একাধিক অভিযোগকে কেন্দ্র করে মুসল্লিদের তোপের মুখে পদত্যাগ করেছেন রানিহাটি…

চিন্ময়কৃষ্ণের পাশে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশের সমালোচনায় নওশাদ সিদ্দিকি

অসুস্থ মায়ের সঙ্গে শেষ দেখাটাও করতে পারেননি বাংলাদেশে কারাবন্দি হিন্দু সন্ন্যাসী চিন্ময়কৃষ্ণ দাস। প্যারোলে মুক্তির আবেদন নাকচ হওয়ার পরই মারা যান তাঁর মা সন্ধ্যারানি দাস।…

স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au