বাংলাদেশ

নীলফামারীতে জুলাই-আগস্টে নিহতের ঘটনা নেই, তবু হত্যায় প্ররোচনার মামলায় আসাদুজ্জামান নূর

  • 1:27 pm - November 02, 2026
  • পঠিত হয়েছে:৪৩ বার
আসাদুজ্জামান নূর।

বিএনপির বর্তমান সরকারের সমর্থনপুষ্ট বিচারব্যবস্থা ও জুলাই-আগস্টের হত্যাকাণ্ডের বিচারপ্রক্রিয়ার নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ব্রিটিশ সাংবাদিক ও লেখক ডেভিড বার্গম্যান। অভিনেতা ও আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য আসাদুজ্জামান নূরের বিরুদ্ধে হত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগে পুলিশের দেওয়া অভিযোগপত্রে সুনির্দিষ্ট কোনো প্রমাণ নেই বলে দাবি করেছেন তিনি। এমনকি অভিযোগের পক্ষে উপস্থাপিত ছয়টি ভিডিওর কোনোটিতেই আসাদুজ্জামান নূরের বক্তব্য, উপস্থিতি কিংবা নামের উল্লেখ পাওয়া যায়নি। অথচ যে হত্যাকাণ্ডে তাকে প্ররোচনাকারী হিসেবে অভিযুক্ত করা হয়েছে, সেটি ঘটেছিল রাজধানীর বাড্ডায়। অন্যদিকে, তার নির্বাচনী এলাকা নীলফামারীতে ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের আন্দোলনে কেউ নিহত হননি বলে উল্লেখ করেছেন এই সাংবাদিক।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) দৈনিক প্রথম আলোতে প্রকাশিত ‘প্রমাণ ছাড়াই হত্যায় প্ররোচনার অভিযোগ’ শীর্ষক এক কলামে এসব বিষয় তুলে ধরেন ডেভিড বার্গম্যান। আসাদুজ্জামান নূরের বিরুদ্ধে করা মামলার অভিযোগপত্র পর্যালোচনা করে তদন্তের বিভিন্ন অসংগতি, তথ্যপ্রমাণের ঘাটতি এবং হত্যায় প্ররোচনার অভিযোগের আইনগত ভিত্তি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ২০ জুলাই রাজধানীর বাড্ডায় কোটা সংস্কার আন্দোলন চলাকালে প্রাইভেটকারচালক ইমদাদুল হককে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় আসাদুজ্জামান নূরকে হত্যায় প্ররোচনাকারী হিসেবে অভিযুক্ত করেছে পুলিশ। অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের মিছিলে হামলা চালিয়ে হত্যাকাণ্ড সংঘটনে নূরের অনুসারীরা ভূমিকা রেখেছিলেন এবং তাদের কর্মকাণ্ডে প্ররোচনা দিয়েছিলেন তিনি।

তবে ২৭ পৃষ্ঠার অভিযোগপত্র পর্যালোচনা করে ডেভিড বার্গম্যানের পর্যবেক্ষণ, হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে আসাদুজ্জামান নূরের সরাসরি কিংবা পরোক্ষ সংশ্লিষ্টতা প্রমাণ করার মতো কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য সেখানে নেই। অভিযোগপত্রে ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন বলে দাবি করা ২৯ জন আওয়ামী লীগ কর্মীর নাম উল্লেখ করা হলেও তাদের মধ্যে কারা আসাদুজ্জামান নূরের অনুসারী, সে বিষয়ে কোনো ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি।

এ ছাড়া আসাদুজ্জামান নূর ঢাকার কোনো সংসদ সদস্য ছিলেন না। তিনি নীলফামারী-২ আসন থেকে টানা পাঁচবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। তার নির্বাচনী এলাকার সঙ্গে রাজধানীর বাড্ডার কোনো ভৌগোলিক কিংবা সাংগঠনিক সম্পর্কও অভিযোগপত্রে প্রতিষ্ঠা করা হয়নি। বরং মামলায় নাম থাকা ২৯ জন আওয়ামী লীগ কর্মীর অধিকাংশই বাড্ডা ও ঢাকার আশপাশের বিভিন্ন ওয়ার্ডের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট।

ডেভিড বার্গম্যানের দাবি, জুলাই-আগস্টের আন্দোলনে আসাদুজ্জামান নূরের নির্বাচনী এলাকা নীলফামারীতে কেউ নিহত হননি। সে ক্ষেত্রে ঢাকার বাড্ডায় সংঘটিত একটি হত্যাকাণ্ডে নীলফামারীর সাবেক সংসদ সদস্যকে হত্যায় প্ররোচনাকারী হিসেবে অভিযুক্ত করার পেছনে কী ধরনের তথ্যপ্রমাণ রয়েছে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

ছয়টি ভিডিওর কোনোটিতেই নেই নূরের বক্তব্য

আসাদুজ্জামান নূরের বিরুদ্ধে অভিযোগের পক্ষে পুলিশের অভিযোগপত্রে ছয়টি ভিডিও উপস্থাপন করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সংবাদ সম্মেলন, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের বক্তব্য, তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানের বক্তব্য, তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাতের বক্তব্য, আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক এবং ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি সাদ্দাম হোসেনের বক্তব্য।

কিন্তু ডেভিড বার্গম্যানের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, এসব ভিডিওর কোনোটিতেই আসাদুজ্জামান নূরের বক্তব্য নেই। এমনকি কোনো ভিডিওতে তাকে দেখা যায়নি কিংবা তার নামও উল্লেখ করা হয়নি। অভিযোগপত্রে সংযুক্ত সংবাদপত্রের প্রতিবেদন ও কাটিংয়ের সঙ্গেও তার হত্যায় প্ররোচনার অভিযোগের কোনো সুনির্দিষ্ট যোগসূত্র পাওয়া যায়নি।

বার্গম্যানের মতে, কাউকে হত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে অভিযুক্ত করতে হলে অপরাধ সংঘটনে তার উসকানি, সহায়তা কিংবা ষড়যন্ত্রে অংশগ্রহণের প্রমাণ থাকতে হয়। কিন্তু আসাদুজ্জামান নূরের ক্ষেত্রে এসব আইনি উপাদানের কোনোটিই অভিযোগপত্রে স্পষ্টভাবে প্রতিষ্ঠা করা হয়নি।

তদন্তে একাধিক ঘাটতির অভিযোগ

মামলার তদন্তপ্রক্রিয়ায় আরও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দুর্বলতার কথা উল্লেখ করেছেন ডেভিড বার্গম্যান। তার পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, ঘটনার দিনের বাড্ডা এলাকার কোনো ভিডিওচিত্র কিংবা নিরাপত্তা ক্যামেরার ফুটেজ অভিযোগপত্রে সংযুক্ত করা হয়নি। ফলে ঘটনাস্থলে ২৯ জন আওয়ামী লীগ কর্মীর উপস্থিতির দাবিও স্বাধীনভাবে যাচাই করার সুযোগ নেই।

এ ছাড়া নিহত ইমদাদুল হকের ময়নাতদন্ত করা হয়নি। গুলি ছোড়ার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কোনো বৈজ্ঞানিক বা ফরেনসিক প্রমাণ সংগ্রহ করা হয়নি। হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত কোনো অস্ত্রও উদ্ধার করা হয়নি। এমনকি ইমদাদুল হককে প্রথমে যে এ এম জেড হাসপাতালে নেওয়া হয়েছিল, সেখানকার চিকিৎসাসংক্রান্ত নথিও অভিযোগপত্রে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।

অন্যদিকে, তদন্ত কর্মকর্তা জানিয়েছেন, মামলার মূল এজাহারে নাম থাকা ৬৭ জনের বিরুদ্ধে প্রত্যক্ষ কিংবা পরোক্ষ কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। এ কারণে তাদের অভিযোগপত্র থেকে বাদ দেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে। বাদ পড়া ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন বাড্ডা থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং বাড্ডার ৩৭ ও ৩৯ নম্বর ওয়ার্ডের দুজন আওয়ামী লীগ কাউন্সিলর।

এখানেই প্রশ্ন তুলেছেন ডেভিড বার্গম্যান। তার বক্তব্য, স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাদের বিরুদ্ধে অভিযোগের পক্ষে প্রমাণ না পাওয়ায় তাদের বাদ দেওয়া হলেও নীলফামারীর সাবেক সংসদ সদস্য আসাদুজ্জামান নূরের বিরুদ্ধে কীসের ভিত্তিতে অভিযোগপত্র দেওয়া হলো, তা পরিষ্কার নয়।

তিনি আরও উল্লেখ করেছেন, শুধু আসাদুজ্জামান নূর নন, হত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে অভিযুক্ত অন্য ১৫ জনের ক্ষেত্রেও অভিযোগপত্রে একই ধরনের তথ্যপ্রমাণের ঘাটতি রয়েছে বলে তার পর্যালোচনায় মনে হয়েছে।

রাজনৈতিক পরিচয়ের ভিত্তিতে বিচার নিয়ে প্রশ্ন

জুলাই-আগস্টের হত্যাকাণ্ডের বিচারপ্রক্রিয়া নিয়েও বিস্তৃত সমালোচনা করেছেন ডেভিড বার্গম্যান। তার মতে, আন্দোলনের সময় সংঘটিত হত্যাকাণ্ড এবং অন্যান্য অপরাধে জড়িত ব্যক্তিদের বিচারের আওতায় আনা জরুরি। আওয়ামী লীগের কিছু রাজনীতিক ও কর্মীর বিরুদ্ধে হত্যাকাণ্ড কিংবা মানবতাবিরোধী অপরাধে জড়িত থাকার যথেষ্ট প্রমাণও থাকতে পারে। তবে সুনির্দিষ্ট প্রমাণ ছাড়াই বিপুলসংখ্যক নেতা-কর্মী ও সমর্থককে একইভাবে বিচারের আওতায় আনার প্রবণতা নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে।

বর্তমান বিএনপি সরকারের সমর্থনপুষ্ট বিচারব্যবস্থার নিরপেক্ষতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। তার পর্যবেক্ষণ, রাজনৈতিক পরিচয়কে অপরাধের প্রমাণ হিসেবে বিবেচনা করা হলে বিচারপ্রক্রিয়া স্বেচ্ছাচারী হয়ে ওঠার ঝুঁকি তৈরি হয়। এতে প্রকৃত অপরাধীদের পাশাপাশি নিরপরাধ ব্যক্তিরাও দীর্ঘদিন কারাগারে আটক থাকতে পারেন।

তিনি মনে করেন, অভিযোগপত্র জমা দেওয়ার পর বিচার শেষ হতে বছরের পর বছর সময় লেগে যেতে পারে। এ সময় অভিযুক্ত ব্যক্তিদের জামিন পাওয়ার বিষয়টিও অনিশ্চিত হয়ে পড়ে। ফলে প্রত্যেকের বিরুদ্ধে আলাদা করে সুনির্দিষ্ট সাক্ষ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে তদন্ত ও বিচার নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

৮০তম জন্মদিনে শুভেচ্ছা, আলোচনায় মামলার অভিযোগ

এদিকে শনিবার (৩১ অক্টোবর) ছিল আসাদুজ্জামান নূরের ৮০তম জন্মদিন। জন্মদিন উপলক্ষে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ভক্ত, অনুরাগী, শুভাকাঙ্ক্ষী এবং নাট্যাঙ্গনের সহকর্মীরা। অভিনেতা, নির্মাতা ও চিত্রশিল্পী আফজাল হোসেনও তার প্রতি ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা জানিয়ে আবেগঘন বার্তা দিয়েছেন। নূরের পুত্রবধূ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক কাজলী শেহরিন ইসলামও শ্বশুরের জন্মদিন উপলক্ষে আগের একটি পোস্ট পুনরায় শেয়ার করেছেন।

১৯৪৬ সালের ৩১ অক্টোবর নীলফামারীতে জন্মগ্রহণ করেন আসাদুজ্জামান নূর। দীর্ঘ অভিনয়জীবনে মঞ্চ, টেলিভিশন, চলচ্চিত্র ও আবৃত্তিতে নিজের দক্ষতার স্বাক্ষর রেখেছেন তিনি। বিশেষ করে কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের লেখা ‘কোথাও কেউ নেই’ ধারাবাহিক নাটকে বাকের ভাই চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে কয়েক প্রজন্মের দর্শকের কাছে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেন।

২০০১ সালে আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে যুক্ত হয়ে নীলফামারী-২ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন তিনি। পরবর্তী সময়ে টানা পাঁচবার একই আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ২০১৪ সালে তিনি সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। শিল্পকলায় অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ পেয়েছেন একুশে পদক ও স্বাধীনতা পুরস্কার।

২০২৪ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর রাজধানীর বেইলি রোডের বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর জুলাই আন্দোলনকেন্দ্রিক একাধিক হত্যা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। কয়েকটি মামলায় জামিন পেলেও অন্য মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো এবং আইনি জটিলতার কারণে তার মুক্তি আটকে রয়েছে।

আসাদুজ্জামান নূরের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের সত্যতা আদালতেই নির্ধারিত হবে। তবে ডেভিড বার্গম্যানের কলামে উঠে আসা প্রশ্নগুলো নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বিশেষ করে, হত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে অভিযুক্ত একজন ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্রে যদি তার বক্তব্য, উপস্থিতি, অনুসারীদের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা কিংবা অপরাধে সহায়তার সুনির্দিষ্ট প্রমাণ না থাকে, তাহলে সেই অভিযোগের ভিত্তি কতটা শক্তিশালী, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।

বিচারপ্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও গ্রহণযোগ্যতা নিশ্চিত করতে রাজনৈতিক পরিচয়ের পরিবর্তে প্রত্যেক অভিযুক্তের বিরুদ্ধে নির্ভরযোগ্য সাক্ষ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে তদন্ত এবং বিচার হওয়া জরুরি। জুলাই-আগস্টের হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত বিচার নিশ্চিত করার ক্ষেত্রেও এই নীতির ব্যতিক্রম হওয়ার সুযোগ নেই।

এই শাখার আরও খবর

অহিংস থেকে সহিংস আন্দোলনে শ্রমিকরা, কী ঘটতে যাচ্ছে ঢাকায়?

ওটিএন বাংলা রিপোর্ট : ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা করার দাবিতে পোশাকশ্রমিকদের আন্দোলন রোববার (১ নভেম্বর) হঠাৎ সহিংস রূপ নেয়। রাজধানীর মিরপুর, সাভার-আশুলিয়া ও গাজীপুরের…

গুলি করেন তাজুল, আদালতে দুই আসামির স্বীকারোক্তি

নেত্রকোনার দুর্গাপুরে সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দুই আসামি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। তাঁদের জবানবন্দির বরাত দিয়ে পুলিশ জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী তাজুল ইসলাম।…

বাঁশখালীতে সিএনজি অটোরিকশায় ব্যানার লাগিয়ে শেখ হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে মাইকিং

চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় ব্যানার লাগিয়ে শেখ হাসিনার দেশে ফেরার কথা জানিয়ে মাইকিং করা হয়েছে। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। রোববার (১…

খুলনায় ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে তাঁতী দলের নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

খুলনা মহানগর তাঁতী দলের যুগ্ম আহ্বায়ক হুমায়ুন কবিরকে নিজের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে ঢুকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। রোববার (১ নভেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে নগরের আড়ংঘাটা থানার…

প্রতিবাদের মুখে বাংলাদেশে ৫২৯টি পোশাক কারখানা বন্ধ

ওটিএন বাংলা: ন্যূনতম মাসিক মজুরি ৩০ হাজার টাকা করার দাবিতে পোশাকশ্রমিকদের বিক্ষোভে বাংলাদেশের প্রধান শিল্পাঞ্চলগুলোতে ৫২৯টি কারখানার কার্যক্রম ব্যাহত হয়েছে। রবিবার, ১ নভেম্বর এসব কারখানায়…

টানা সাত মাস কমল অস্ট্রেলিয়ায় বাড়ির দাম

ওটিএন বাংলা, মেলবোর্ন: অস্ট্রেলিয়ার আবাসনবাজারে দরপতন অব্যাহত রয়েছে। অক্টোবরে জাতীয় পর্যায়ে আবাসিক সম্পত্তির মূল্য আরও ১.২ শতাংশ কমেছে। এ নিয়ে টানা সাত মাস দাম কমল।…

স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au