ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত বৈঠকে গুরুত্ব পাচ্ছে বাংলাদেশের সংখ্যালঘু নিরাপত্তা ইস্যু
মেলবোর্ন, ১০ জুন- বাংলাদেশে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর হামলার ঘটনা বৃদ্ধি পাওয়ায় ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে আসন্ন সীমান্ত বৈঠককে ঘিরে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিশেষ…
ভারতের মাটিতে সন্ত্রাসীদের জানাজা পড়ানো ও কবর দেওয়ার বিরোধিতা করে ফতোয়া জারি করেছেন দেশটির ইমামরা। এরমধ্যে দিয়ে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে সরকারের কঠোর অবস্থানের সঙ্গে সংহতি জানালেন তারা।
সম্প্রতি এই ফতোয়া জারি করা হয় বলে হিন্দুস্তান টাইমসের এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।
অল ইন্ডিয়া ইমাম অর্গানাইজেশনের (এআইআইও) প্রধান ড. উমর আহমেদ ইলিয়াসি বলেছেন, সন্ত্রাসীদের জানাজা এবং দাফন করা ইসলামের নীতির পরিপন্থি। ইসলাম শান্তির পথ, সহিংসতার নয়। সন্ত্রাসীরা তাদের নৃশংস কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে বিশ্বজুড়ে ইসলামকে অপমানিত করছে।
নিহত সন্ত্রাসীদের জন্য ইসলামি রীতিতে অন্যেষ্টিক্রিয়ার আয়োজন করা উচিত নয় বলে সিদ্ধান্ত নেন ড. ইলিয়াসি। তিনি বলেন, কোনো ইমাম বা কাজী ভারতের মাটিতে নিহত কোনও সন্ত্রাসীর জানাজা পড়াবেন না। সন্ত্রাসীদের কবরের জন্য জমি প্রদান না করা যাবে না। সন্ত্রাসীদের মৃত্যুতে ইসলামিক রীতিনীতি ব্যবহার করা বা ভারতের মাটিকে অসম্মানিত করা উচিত নয়।
এই ফতোয়ার মধ্য দিয়ে স্পষ্টভাবেই সন্ত্রাসবাদের সম্পূর্ণ সামাজিক ও ধর্মীয় প্রত্যাখ্যান করলেন ভারতের ইমামরা।
কাশ্মীরে পর্যটকদের ওপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদ জানিয়ে নয়াদিল্লির এআইআইও কার্যালয়ে একটি শ্রদ্ধাঞ্জলি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। সকল ধর্মের নেতারা সন্ত্রাসী হামলায় নিহত ব্যক্তিদের আত্মার শান্তি কামনা করার জন্য একত্রিত হয়েছিলেন। সন্ত্রাসবাদ চিরতরে নির্মূলের জন্য সুনির্দিষ্ট ব্যবস্থা গ্রহণ এবং দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণে সম্মিলিত আহ্বান জানান তারা।
অনুষ্ঠানে ড. ইলিয়াসি পাকিস্তান ভিত্তিক নিষিদ্ধ সংগঠন জইশ-ই-মোহাম্মদ এবং লস্কর-ই-তাইয়্যেবার নিন্দা জানিয়ে বলেন, এসব গোষ্ঠীর আল্লাহর নাম ব্যবহার করা ইসলামবিরোধী। এই দলগুলি ইসলামকে ভুলভাবে উপস্থাপন করে এবং এরা আমাদের ধর্মীয় নীতিমালার সম্পূর্ণ বিরোধী।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au