ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত বৈঠকে গুরুত্ব পাচ্ছে সংখ্যালঘু নিরাপত্তা
মেলবোর্ন, ১০ জুন- বাংলাদেশে হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর হামলা, মন্দিরে ভাঙচুর, অপহরণ ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের ঘটনা বৃদ্ধি পাওয়ায় বিষয়টি নতুন করে আঞ্চলিক কূটনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রে উঠে…
মেলবোর্ন, ২৬ মে— পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশে রবিবার নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে ৯ জন বিচ্ছিন্নতাবাদী নিহত হয়েছেন।
দেশটির আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর আইএসপিআর এক বিবৃতিতে নিহতদের ভারত মদদপুষ্ট বিদ্রোহী গোষ্ঠীর সদস্য বলে দাবি করা হয়েছে।
আইএসপিআর জানিয়েছে, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে একাধিক স্থানে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। এর মধ্যে ডেরা ইসমাইল খান জেলায় সন্ত্রাসীদের অবস্থান লক্ষ্য করে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা হামলা চালায়। এই অভিযানে ৪ জন বিদ্রোহী নিহত হয়েছেন।
ট্যাংক জেলায় পৃথক আরেক অভিযানে ২ জন বিদ্রোহী নিহত হন। তৃতীয় অভিযানটি খাইবার জেলার বাঘ এলাকায় পরিচালনা করা হয়, সেখানে ৩ জন বিদ্রোহী নিহত হন।
নিহত বিদ্রোহীদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়েছে।
নিরাপত্তা বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়, “বর্তমানে ওই এলাকায় স্যানিটাইজেশন অপারেশন চালানো হচ্ছে যাতে অন্য কোনো ‘সন্ত্রাসী’ স্থানীয় এলাকায় লুকিয়ে না থাকতে পারে।”
প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ এই অভিযানের প্রশংসা করে বলেছেন, “পাকিস্তানের সশস্ত্র বাহিনীর দক্ষতার কারণে সন্ত্রাসবাদ নির্মূলের কাজ দ্রুত এগিয়ে চলেছে।”
তিনি ‘ভারত সমর্থিত সন্ত্রাসী’দের বিরুদ্ধে শক্ত পদক্ষেপ নেওয়ার অঙ্গীকার করেন।
এদিকে, রাষ্ট্রপতি আসিফ আলি জারদারি সুরক্ষা বাহিনীর অভিযানকে অত্যন্ত প্রশংসনীয় বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, “সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে এই ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে যতক্ষণ না পুরোপুরি সন্ত্রাসবাদ নির্মূল হয়।”
পাকিস্তানে গত বছর থেকে খাইবার পাখতুনখোয়া ও বেলুচিস্তানে বিচ্ছিন্নতাবাদী কার্যকলাপ বেড়েছে। সেখানে তেহরিক-ই-তালেবান (টিটিপি) ও বেলুচিস্তান লিবারেশন ফ্রন্টের শক্ত অবস্থান রয়েছে।
নিরাপত্তা বাহিনীর নিয়মিত অভিযান পরিচালনার পরেও নিয়মিত হামলার ঘটনা ঘটছে।
গত সপ্তাহেও খাইবার পাখতুনখোয়া ও বেলুচিস্তানে নিরাপত্তাবাহিনীর পৃথক অভিযানে ১২ জন বিদ্রোহী নিহত হন। অভিযানে দুই সেনাও নিহত হন বলে জানিয়েছিল আইএসপিআর।
ইসলামাবাদের অভিযোগ, পাকিস্তানের বিচ্ছিন্নতাবাদীদের মদদ দেয় নয়াদিল্লি। বেশ কয়েকটি ঘটনায় তারা তালেবানদেরও দায়ী করে থাকে।
তবে ভারত ও আফগানিস্তান দুই দেশই এই অভিযোগ প্রত্যাখান করেছে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au