হাম ও হামের উপসর্গে আরো ৭ শিশুর মৃত্যু
মেলবোর্ন, ২৪ এপ্রিল- দেশে হামের সংক্রমণ ও উপসর্গজনিত মৃত্যুর সংখ্যা আবারও বেড়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ হালনাগাদ প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত আগের ২৪…
মেলবোর্ন, ১১ জুলাই-
অস্ট্রেলিয়ান ডলার মার্কিন ডলারের বিপরীতে ৯ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ অবস্থানে পৌঁছেছে। সম্প্রতি অস্ট্রেলিয়ার কেন্দ্রীয় ব্যাংক (RBA) সুদের হার অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরই বৈদেশিক মুদ্রা বাজারে এই উত্থান দেখা যায়।
বাজার বিশ্লেষকরা জানিয়েছেন, অস্ট্রেলিয়ান ডলারের এই বৃদ্ধি মূলত দুইটি কারণে হয়েছে। প্রথমত, RBA তাদের নীতিগত বৈঠকে সুদের হার ৩.৮৫ শতাংশেই বহাল রাখে, যা অনেক বিনিয়োগকারীর মধ্যে স্থিতিশীলতার আভাস দেয়। দ্বিতীয়ত, যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা এবং ডলারের সাম্প্রতিক দুর্বলতার কারণে বিনিয়োগকারীরা তুলনামূলকভাবে নিরাপদ ও ‘কমডিটি-নির্ভর’ অস্ট্রেলিয়ান ডলারের দিকে ঝুঁকেছেন।
বৃহস্পতিবার দিনের শেষের দিকে অস্ট্রেলিয়ান ডলার প্রায় ০.৬৫৪৩ মার্কিন ডলার দরে লেনদেন হয়েছে, যা প্রায় নয় মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ। চলতি বছর শুরু থেকে অস্ট্রেলিয়ান ডলার প্রায় চার সেন্ট বেড়েছে, যা বৈশ্বিক বাজারে মার্কিন ডলারের অস্থিতিশীল অবস্থার প্রতিফলন হিসেবেই দেখা হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ডলারের এই শক্তিশালী অবস্থান একদিকে যেমন অস্ট্রেলিয়ার ভ্রমণ ও আমদানি ব্যয় কিছুটা কমাতে পারে, অন্যদিকে রফতানি খাতের জন্য চ্যালেঞ্জ তৈরি করবে। কারণ ডলার শক্তিশালী হলে রফতানিপণ্যের দাম তুলনামূলকভাবে বেশি হয়ে যায়, যা বৈশ্বিক বাজারে প্রতিযোগিতায় প্রভাব ফেলে।
অস্ট্রেলিয়ার কেন্দ্রীয় ব্যাংক আপাতত সুদের হার না কমানোর যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তা অর্থনৈতিক ভারসাম্য রক্ষায় ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে ভবিষ্যতে যদি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গতি শ্লথ হয়, তখন নতুন করে সুদের হার কমানোর মতো নীতি নেওয়া হতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
সব মিলিয়ে, অস্ট্রেলিয়ান ডলারের এই উত্থান অর্থনীতির জন্য একদিকে স্বস্তির হলেও, রফতানি নির্ভর শিল্প ও আন্তর্জাতিক শিক্ষার মতো খাতে চাপ তৈরি করতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সুত্রঃ নাইন নিউজ
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au