দক্ষিণ আফ্রিকায় অভিবাসনবিরোধী বিক্ষোভ, আটক ৯ শতাধিক
মেলবোর্ন, ২ জুলাই- দক্ষিণ আফ্রিকায় চলমান অভিবাসনবিরোধী তীব্র গণবিক্ষোভ ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অভিযোগে নয় শতাধিক আন্দোলনকারীকে আটক করেছে দেশটির আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। মঙ্গলবার (৩০ জুন) দেশজুড়ে…
মেলবোর্ন, ৮ সেপ্টেম্বর- ইরাকের রাজধানী বাগদাদে স্থানীয় দুটি আদিবাসী গোষ্ঠীর মধ্যে সহিংস সংঘর্ষে অন্তত ছয়জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে চারজন পুলিশ কর্মকর্তা রয়েছেন। দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় রবিবার এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে, বেসরকারি বিদ্যুৎ জেনারেটরের ফি বাড়ানোকে কেন্দ্র করে শনিবার রাতে এই সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। ইরাকে সরকারি বিদ্যুৎ প্রতিদিন ঘণ্টার পর ঘণ্টা বন্ধ থাকে। ফলে দেশের সাধারণ মানুষ ব্যক্তিমালিকানাধীন জেনারেটরের ওপর নির্ভর করতে বাধ্য। দীর্ঘদিন ধরেই এই খাতে অনিয়ম, উচ্চমূল্য ও প্রভাব বিস্তার নিয়ে স্থানীয় জনগোষ্ঠীগুলোর মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে।
ঘটনার সূত্রপাত হয় রাজধানী বাগদাদের সাআদা এলাকায়। খবর পেয়ে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে গেলে তারা উল্টো হামলার শিকার হন। এ সময় দুজন জ্যেষ্ঠ পুলিশ কর্মকর্তা ঘটনাস্থলেই নিহত হন। আহত অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়ার পর মারা যান আরও দুজন কর্মকর্তা। এ ছাড়া সংঘর্ষে অন্তত নয়জন পুলিশ সদস্য গুরুতর আহত হয়েছেন।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে জানানো হয়, পুলিশের পাল্টা গুলিতে দুই ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও পাঁচজন। সংঘর্ষে জড়িত থাকার অভিযোগে বেশ কয়েকজনকে আটক করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
ইরাকে বিভিন্ন আদিবাসী গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘাত নতুন নয়। দেশটিতে প্রায়ই ছোটখাটো বিরোধ প্রাণঘাতী রূপ নেয়। বিশেষ করে বিদ্যুৎ, জমি ও ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি হলে সশস্ত্র সংঘর্ষ অনিবার্য হয়ে ওঠে। অস্ত্রে ভরপুর এ যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশে গোষ্ঠীগুলো এখনো নিজস্ব বিচারব্যবস্থা ও প্রভাব বজায় রেখেছে।
২০০৩ সালে মার্কিন নেতৃত্বাধীন আগ্রাসনে দীর্ঘ সময়ের শাসক সাদ্দাম হোসেন ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর ইরাক দীর্ঘ সহিংসতার মধ্য দিয়ে গেছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দেশটি ধীরে ধীরে স্থিতিশীলতার দিকে এগোচ্ছিল। তবে শনিবার রাতের এই রক্তক্ষয়ী ঘটনা ইরাকের ভঙ্গুর নিরাপত্তা পরিস্থিতি আবারও উন্মোচন করল।
বিশ্লেষকেরা মনে করছেন, অব্যাহত বিদ্যুৎ সংকট ও জেনারেটরকেন্দ্রিক অর্থনৈতিক টানাপোড়েন ইরাকের সামাজিক স্থিতি ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
সূত্রঃ এএফপি
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au