জীবন বাঁচল, জরায়ু হারাল ধর্ষণের শিকার ৭ বছরের শিশু
মেলবোর্ন, ১০ মার্চ- নেত্রকোণার বারহাট্টা উপজেলায় ধর্ষণের শিকার ৭ বছর বয়সী এক শিশু মেয়েকে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। দুই…
মেলবোর্ন, ২২ সেপ্টেম্বর- মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি এইচ-১বি ভিসার আবেদনে নতুন করে এক লাখ ডলারের ফি আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন। এ ঘোষণার পর হোয়াইট হাউস একটি তথ্যপত্র প্রকাশ করে এই সিদ্ধান্তের পক্ষে ব্যাখ্যা দিয়েছে। তথ্যপত্রে বলা হয়েছে, এইচ-১বি ভিসা কর্মসূচি ‘ব্যাপক অপব্যবহার’ এবং এটি মার্কিন কর্মসংস্থানের ক্ষতি করছে।
হোয়াইট হাউসের দাবি অনুযায়ী, একাধিক মার্কিন প্রযুক্তি কোম্পানি হাজার হাজার স্থানীয় কর্মীকে ছাঁটাই করে বিদেশি কর্মী নিয়োগ দিচ্ছে এইচ-১বি ভিসার মাধ্যমে। উদাহরণ হিসেবে বলা হয়েছে—
চলতি ২০২৫ অর্থবছরে একটি কোম্পানিতে ৫,১৮৯ কর্মীর এইচ-১বি ভিসা অনুমোদন পেয়েছে, অথচ ১৬,০০০ মার্কিন কর্মী ছাঁটাই করা হয়েছে।ওরেগনের আরেকটি কোম্পানি ১,৬৯৮ বিদেশি কর্মীর এইচ-১বি অনুমোদন পেয়েছে, কিন্তু জুলাই মাসে ২,৪০০ মার্কিন কর্মী ছাঁটাই করা হয়েছে।তৃতীয় কোম্পানি ২০২২ সাল থেকে এখন পর্যন্ত ২৭,০০০ মার্কিন কর্মী ছাঁটাই করেছে এবং ২৫,০৭৫ বিদেশি কর্মীকে এইচ-১বি ভিসা দিয়েছে।চতুর্থ প্রতিষ্ঠান ২০২৫ অর্থবছরে ১,১৩৭ বিদেশি কর্মীর এইচ-১বি ভিসা পেয়েছে, অথচ ফেব্রুয়ারি মাসে ১,০০০ মার্কিন কর্মী ছাঁটাই হয়েছে।
তথ্যপত্রে আরও বলা হয়েছে, অনেক সময় গোপনীয়তা চুক্তি (এনডিএ) অনুযায়ী মার্কিন কর্মীদের বিদেশি কর্মীদের প্রশিক্ষণ দিতে বাধ্য করা হয়। এতে করে মার্কিন কর্মীরা তাদের কাজ হারাচ্ছেন এবং বিদেশি শ্রমিকদের কম মজুরি দিয়ে প্রতিস্থাপিত করা হচ্ছে।
তথ্য অনুযায়ী, ২০০৩ সালে আইটি খাতে এইচ-১বি ভিসাধারীর হার ছিল ৩২ শতাংশ, যা বর্তমানে ৬৫ শতাংশের বেশি। পাশাপাশি, কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশলে স্নাতকদের মধ্যে বেকারত্বের হার যথাক্রমে ৬.১ শতাংশ ও ৭.৫ শতাংশ।
হোয়াইট হাউস তথ্যপত্রে উল্লেখ করেছে, এইচ-১বি কর্মসূচি মার্কিন নাগরিকদের স্টেম খাতে ক্যারিয়ার গড়ার আগ্রহ কমিয়ে দিচ্ছে, যা জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকিস্বরূপ। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এই অপব্যবহার বন্ধ, মজুরি কমানোর প্রবণতা থামানো এবং কোম্পানিগুলোর খরচ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
তথ্যপত্রে আরও বলা হয়েছে, ভোটাররা ট্রাম্পকে মার্কিন কর্মীদের স্বার্থে কাজ করার সুস্পষ্ট ম্যান্ডেট দিয়েছেন এবং তিনি প্রতিদিন সেই প্রতিশ্রুতি পূরণে কাজ করছেন।
এছাড়া হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, ট্রাম্প প্রশাসন নতুন বাণিজ্য চুক্তি ও শুল্ক ব্যবহারের মাধ্যমে দেশে উৎপাদনশীলতা ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছে, সরবরাহ শৃঙ্খল সুরক্ষা এবং জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করছে। সেকশন ২৩২-এর আওতায় আরোপিত শুল্কের মাধ্যমে অন্যায্য বৈশ্বিক প্রতিযোগিতা থেকে দেশকে রক্ষা করা হয়েছে। এছাড়া অবৈধ অভিবাসীদের ফেডারেল কর্মসংস্থান প্রশিক্ষণ বা অনুদান গ্রহণ নিয়ন্ত্রণে নতুন নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।
সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au