জীবন বাঁচল, জরায়ু হারাল ধর্ষণের শিকার ৭ বছরের শিশু
মেলবোর্ন, ১০ মার্চ- নেত্রকোণার বারহাট্টা উপজেলায় ধর্ষণের শিকার ৭ বছর বয়সী এক শিশু মেয়েকে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। দুই…
মেলবোর্ন, ২৩ সেপ্টেম্বর- ত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি এখন শুধু প্রযুক্তি খাতেই নয়, সমাজ ও অর্থনীতিতেও ব্যাপক প্রভাব ফেলছে। এই প্রযুক্তি কার্যকরভাবে চালাতে হলে যে বড় পরিমাণে ডেটা লাগে, তা সংরক্ষণ এবং প্রক্রিয়াকরণ করার জন্য প্রয়োজন বিশাল ডেটা সেন্টার। সম্প্রতি এআই ডেটা সেন্টারের গুরুত্ব নিয়ে গ্লোবাল পর্যায়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
এআই মডেল, বিশেষ করে বড় ভাষা মডেল (যেমন ChatGPT), কাজ করতে হাজার কোটি ডেটা পয়েন্ট ব্যবহার করে। প্রতিটি অনুসন্ধান, চ্যাট, ছবি বা ভিডিও প্রক্রিয়াকরণ করতে গিগাবাইট বা টেরাবাইট ডেটা প্রয়োজন হয়। এই ডেটা সঞ্চয়, বিশ্লেষণ এবং রক্ষণাবেক্ষণের জন্য দ্রুতগতির, নিরাপদ এবং উচ্চ ক্ষমতার কম্পিউটার প্রয়োজন।
এক্ষেত্রে ডেটা সেন্টার আসল কাজটি করে – এটি একটি বিশাল “ডিজিটাল কারখানা” যেখানে সার্ভার, স্টোরেজ, এবং নেটওয়ার্কের মাধ্যমে এআই সেবা চালানো হয়। বড় কোম্পানিগুলো যেমন OpenAI, Google ও Microsoft হাজার হাজার সার্ভার ব্যবহার করে এই সেন্টারগুলো পরিচালনা করে।
এআই ডেটা সেন্টার শুধু প্রযুক্তি নয়, শক্তিরও বিশাল চাহিদা তৈরি করে। একটি সাধারণ ডেটা সেন্টার প্রতিদিন হাজার হাজার কিলোওয়াট ঘণ্টা বিদ্যুৎ ব্যবহার করে। এর ফলে কার্বন নিঃসরণ বাড়ে এবং পরিবেশগত চাপ সৃষ্টি হয়। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করছেন, এআই সেন্টারের বিস্তার যদি নিয়ন্ত্রিত না করা হয়, তবে বৈশ্বিক জলবায়ু ও শক্তি নিরাপত্তার ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।
ডেটা সেন্টার কেবল এআই চালানোর জন্য নয়, এটি ডিজিটাল নিরাপত্তার কেন্দ্র হিসেবেও গুরুত্বপূর্ণ। কোম্পানি ও রাষ্ট্রীয় সংস্থা এই সেন্টারগুলোতে সংরক্ষিত ডেটার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বহুস্তরীয় সাইবার নিরাপত্তা ব্যবস্থা ব্যবহার করে। হ্যাকিং বা তথ্য চুরির সম্ভাবনা থাকায় এগুলো কৌশলগত সম্পদে পরিণত হয়েছে।
ডেটা সেন্টার গড়ে ওঠার সঙ্গে সঙ্গে নতুন কর্মসংস্থানও সৃষ্টি হচ্ছে। রক্ষণাবেক্ষণ, নেটওয়ার্ক ম্যানেজমেন্ট, শক্তি ব্যবস্থাপনা, এবং নিরাপত্তা—এই সব ক্ষেত্রে দক্ষ জনশক্তির চাহিদা বাড়ছে। তাই এআই ডেটা সেন্টারগুলো স্থানীয় অর্থনীতিতেও উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভবিষ্যতে এআই মডেল আরও বড় এবং শক্তিশালী হবে। ফলে ডেটা সেন্টারের পরিধি আরও বাড়বে। নতুন প্রযুক্তি যেমন edge computing এবং green energy–র সমন্বয় এ খাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তবে এটি নিয়ন্ত্রণহীন হলে শক্তি ব্যবহারের চাপ ও পরিবেশগত ঝুঁকি আরও বাড়বে।
এআই ডেটা সেন্টার শুধুই কম্পিউটারের ঘর নয়, এটি প্রযুক্তি, অর্থনীতি, নিরাপত্তা এবং পরিবেশ—all-in-one চ্যালেঞ্জ। তাই বৈশ্বিক পর্যায়ে এই সেন্টারগুলোকে ঘিরে যে আলোচনা চলছে, তা ভবিষ্যৎ প্রযুক্তি ও নীতি নির্ধারণের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সুত্রঃ বিবিসি
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au