স্ত্রী কার্লা ব্রুনিসহ ফ্রান্সের সাবেক প্রেসিডেন্ট নিকোলাস সারকোজি। ছবি: সংগৃহীত
মেলবোর্ন, ২৬ সেপ্টেম্বর- লিবিয়া থেকে নির্বাচনী প্রচারের জন্য অবৈধ তহবিল সংগ্রহের চেষ্টা ও ‘অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রে’ জড়িত থাকার অভিযোগে সাবেক ফরাসি প্রেসিডেন্ট নিকোলাস সারকোজিকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন ফ্রান্সের একটি ফৌজদারি আদালত। এ রায়ের ফলে তিনি প্রথম সাবেক ফরাসি প্রেসিডেন্ট হিসেবে কারাগারে প্রবেশ করতে যাচ্ছেন।
রায় ঘোষণার পর সারকোজি আদালতে ক্ষোভ প্রকাশ করে এটিকে ‘কলঙ্কজনক’ আখ্যা দেন। পরে সাংবাদিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন,
“আজ যা ঘটেছে, তা আইনের শাসন ও বিচারব্যবস্থার প্রতি বিশ্বাসের জন্য গুরুতর বিষয়। যদি তাঁরা চান আমি কারাগারে ঘুমাই, তবে মাথা উঁচু করে কারাগারেই ঘুমাব। আমি নির্দোষ।”
২০০৭ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের সময় সারকোজির ঘনিষ্ঠ সহযোগীরা লিবিয়া থেকে তহবিল সংগ্রহের চেষ্টা করেছিলেন। সে সময় লিবিয়ার ক্ষমতায় ছিলেন প্রয়াত নেতা মুয়াম্মার গাদ্দাফি। দীর্ঘ তদন্ত শেষে আদালত তাঁকে ‘অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রে’ দোষী সাব্যস্ত করে।
যদিও সারকোজি ষড়যন্ত্রের অভিযোগে দণ্ডিত হয়েছেন, তবে দুর্নীতি ও অবৈধ নির্বাচনী তহবিল গ্রহণের অভিযোগ থেকে খালাস পেয়েছেন তিনি।
সারকোজি জানিয়েছেন, তিনি রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করবেন। তবে আপিল প্রক্রিয়া চলাকালীনও এক মাসের মধ্যে তাঁকে কারাগারে যেতে হতে পারে।
সুত্রঃ রয়টার্স