ব্রিটিশ নিষেধাজ্ঞার জেরে কনস্যুলেট বন্ধ করছে ইসরায়েল
অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বসতি থেকে পণ্য আমদানিতে যুক্তরাজ্যের নিষেধাজ্ঞার জেরে জেরুজালেমে ব্রিটিশ কনস্যুলেট বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে ইসরায়েল। একই সঙ্গে সাবেক লেবার নেতা জেরেমি করবিনসহ…
মেলবোর্ন, ১৬ অক্টোবর- একসময় পৃথিবীর “ফুসফুস” বলে পরিচিত অস্ট্রেলিয়ার রেইনফরেস্টগুলো এখন আর কার্বন শোষণের জায়গা নয়, বরং বিপরীতভাবে কার্বন ডাই-অক্সাইড নিঃসরণকারী অঞ্চলে পরিণত হচ্ছে। সাম্প্রতিক এক বৈজ্ঞানিক গবেষণায় দেখা গেছে, জলবায়ু পরিবর্তন, দীর্ঘস্থায়ী খরা, এবং ঘন ঘন অগ্নিকাণ্ডের কারণে বনাঞ্চলগুলো তাদের প্রাকৃতিক ভারসাম্য হারাচ্ছে।
অস্ট্রেলিয়ান ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (ANU) ও কমনওয়েলথ সায়েন্টিফিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল রিসার্চ অর্গানাইজেশন (CSIRO)-এর যৌথ গবেষণায় বলা হয়েছে, গত দুই দশকে অস্ট্রেলিয়ার প্রধান রেইনফরেস্ট অঞ্চলগুলো বিশেষ করে কুইন্সল্যান্ড ও নিউ সাউথ ওয়েলসের উষ্ণমণ্ডলীয় বনগুলো এখন বছরে গড়ে ২০ থেকে ২৫ শতাংশ বেশি কার্বন নিঃসরণ করছে, যা বৈশ্বিক উষ্ণতা বাড়ানোর অন্যতম কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
গবেষক দলের প্রধান অধ্যাপক এমিলি রবার্টস বলেন,
“দীর্ঘদিন ধরে রেইনফরেস্টগুলোকে আমরা জলবায়ুর ভারসাম্য রক্ষার অন্যতম প্রধান উপাদান হিসেবে দেখেছি। কিন্তু এখন তারাই বিপরীতে জলবায়ু সংকটকে ত্বরান্বিত করছে। এটি পৃথিবীর জন্য বড় সতর্কবার্তা।”
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, বন ধ্বংস, ভূমি দখল, এবং অনিয়ন্ত্রিত কাঠ সংগ্রহের কারণে বনাঞ্চলের জীববৈচিত্র্য নষ্ট হচ্ছে। এতে বন মাটির জৈব উপাদান কমে গিয়ে কার্বন সংরক্ষণের ক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে।
পরিবেশ সংরক্ষণকর্মীরা বলছেন, অস্ট্রেলিয়া যদি দ্রুত বন পুনরুদ্ধার, বৃক্ষরোপণ ও অগ্নি নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম জোরদার না করে, তবে আগামী ২০ বছরের মধ্যে রেইনফরেস্টগুলো স্থায়ীভাবে কার্বন নিঃসরণকারী অঞ্চলে পরিণত হতে পারে।
জাতিসংঘের জলবায়ু বিশেষজ্ঞরাও এ পরিস্থিতিকে “অত্যন্ত উদ্বেগজনক” বলে মন্তব্য করেছেন এবং দ্রুত টেকসই বন ব্যবস্থাপনা নীতি গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au