ভারতে বিজেপি নেতাসহ তিনজনকে জীবন্ত পুড়িয়ে হত্যা, গ্রেপ্তার ৪
মেলবোর্ন, ১৯ জুন- ভারতের ছত্তিশগড় রাজ্যে বালু মহালকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে ক্ষমতাসীন ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) এক নেতাসহ তিনজনকে জীবন্ত পুড়িয়ে হত্যার অভিযোগ…
মেলবোর্ন, ২৬ অক্টোবর- যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আজ মালয়েশিয়ায় পৌঁছেছেন। আগামীকাল অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া আসিয়ান (ASEAN) শীর্ষ সম্মেলনে তিনি অংশ নেবেন এবং থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার মধ্যে একটি ঐতিহাসিক শান্তিচুক্তি সই অনুষ্ঠানে সাক্ষী হিসেবে উপস্থিত থাকবেন। মালয়েশিয়া সরকার একে “কুয়ালালামপুর একর্ড (Kuala Lumpur Accord)” নামে অভিহিত করেছে।
দীর্ঘ কয়েক মাস ধরে থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার সীমান্তে চলমান সংঘর্ষে অন্তত ৪৮ জন নিহত ও দেড় লাখেরও বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। দুই দেশের সেনাবাহিনীর মধ্যে বেশ কয়েক দফা গোলাগুলি ও আর্টিলারি হামলার পর পরিস্থিতি ভয়াবহ হয়ে ওঠে।
এই প্রেক্ষাপটে মালয়েশিয়া শান্তি উদ্যোগ নেয় এবং যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থনে দুই পক্ষকে আলোচনায় বসতে উদ্বুদ্ধ করে। অবশেষে ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় “স্থায়ী যুদ্ধবিরতি” ঘোষণার প্রাথমিক চুক্তি সম্পন্ন হয়। আগামীকাল সেটিই আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাক্ষরিত হবে।
মালয়েশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহামাদ হাসান এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন,
“আমরা আশা করছি ট্রাম্প এই ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী থাকবেন। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় শান্তি প্রতিষ্ঠায় এটি হবে নতুন অধ্যায়ের সূচনা।”
তিনি আরও জানান, চুক্তির অধীনে সীমান্তে যৌথ পর্যবেক্ষণ দল মোতায়েন, মাইন অপসারণ, এবং উদ্বাস্তুদের নিরাপদ প্রত্যাবাসনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সাবেক প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প মালয়েশিয়ায় পৌঁছে সাংবাদিকদের বলেন,
“আমি বিশ্বাস করি, যুদ্ধ নয়-শান্তিই এশিয়ার ভবিষ্যৎ। আমি এখানে এসেছি যেন মানুষ দেখতে পায়, আলোচনার মাধ্যমে শান্তি সম্ভব।”
বিশ্লেষকরা বলছেন, ট্রাম্প এই সফরের মাধ্যমে তাঁর বৈদেশিক প্রভাব পুনর্গঠনের চেষ্টা করছেন। তিনি অতীতে মধ্যপ্রাচ্যে “আব্রাহাম অ্যাকর্ডস”-এর সময়ও অনুরূপ শান্তিচুক্তির সাক্ষী ছিলেন।
জাতিসংঘ ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন এই চুক্তিকে স্বাগত জানিয়েছে। ইউএন সেক্রেটারি-জেনারেল বলেছেন,
“থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার মধ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠা শুধু দুই দেশের জন্য নয়, বরং পুরো আসিয়ান অঞ্চলের নিরাপত্তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।”
অন্যদিকে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, তারা এই উদ্যোগকে সমর্থন করছে এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতায় সহযোগিতা করবে।
আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের মতে, “কুয়ালালামপুর একর্ড” দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার কূটনীতিতে এক গুরুত্বপূর্ণ নজির হয়ে উঠবে। তবে তাঁরা সতর্ক করে বলেছেন, বাস্তবে সীমান্তে শান্তি টিকিয়ে রাখতে হলে উভয় পক্ষের রাজনৈতিক সদিচ্ছা ও আন্তর্জাতিক তদারকি অপরিহার্য।
সুত্রঃরয়টার্স
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au