এবার ইরাকের কুর্দিস্তানে কোমালার ঘাঁটিতে ইরানের ড্রোন হামলা
প্রতিবেশী দেশ ইরাকের কুর্দিস্তান অঞ্চলে ইরানি কুর্দিবিরোধী গোষ্ঠী কোমালার একটি ঘাঁটি লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী। রোববার তেহরানের একটি সংবাদমাধ্যমের বরাতে সৌদি…
মেলবোর্ন,১ নভেম্বর – আওয়ামী লীগের ডাকা হঠাৎ ঝটিকা মিছিল ঘিরে বৃহস্পতিবার রাতে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পুলিশের দাবি, এসব মিছিল চলাকালে সংঘর্ষ ও ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে প্রায় ৩ হাজার নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গত বুধবার দলীয় কর্মসূচি ছাড়াই আকস্মিকভাবে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ছোট ছোট মিছিল বের করে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা। শাহবাগ, ফার্মগেট, মিরপুর, মতিঝিল ও মোহাম্মদপুরে কয়েকটি মিছিল পুলিশের বাধার মুখে পড়ে ছত্রভঙ্গ হয়।
দলীয় সূত্রে জানা যায়, দলটি “দলীয় ঐক্য ও গণআন্দোলনের প্রস্তুতি” শীর্ষক অভ্যন্তরীণ বার্তা অনুযায়ী মিছিলগুলো আয়োজন করেছিল।
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) এক কর্মকর্তা জানান, “মিছিলগুলোর অনেকগুলোই অনুমতি ছাড়া অনুষ্ঠিত হয় এবং কোথাও কোথাও গাড়ি ভাঙচুর ও পুলিশের ওপর ইটপাটকেল নিক্ষেপ করা হয়েছে। তাই আমরা আইনগত ব্যবস্থা নিয়েছি।”
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ঢাকায় অন্তত ১,৪৫০ জন, চট্টগ্রামে ৫০০ জন, রাজশাহী ও খুলনায় মোট ৮০০ জনেরও বেশি আওয়ামী কর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ এক বিবৃতিতে বলেন,
“আমরা শান্তিপূর্ণ মিছিল করেছি। কোনো বিশৃঙ্খলা ঘটেনি। পুলিশের এই গণগ্রেপ্তার সরকারের আতঙ্ক প্রকাশ করছে।”
তিনি দাবি করেন, গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে অনেকেই সক্রিয়ভাবে দলীয় রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত নন, বরং সাধারণ কর্মী ও সমর্থক।
পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ঝটিকা মিছিলগুলো “নিরাপত্তা পরিস্থিতি বিঘ্নিত করতে পারে” – এমন আশঙ্কায় অভিযান চালানো হয়। ডিএমপির মিডিয়া বিভাগের অতিরিক্ত কমিশনার জানান,
“যারা আইন ভেঙেছে, তাদেরই গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শান্তিপূর্ণ রাজনীতির অধিকার সবাইকে দেওয়া হবে।”
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, সাম্প্রতিক সময়ে অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে সম্ভাব্য নির্বাচনের প্রস্তুতি ঘিরে আওয়ামী লীগের মাঠে সক্রিয়তা বেড়েছে। ঝটিকা মিছিলগুলো দলটির “রাজনৈতিক পুনর্গঠন প্রচেষ্টার” অংশ হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
দেশজুড়ে হঠাৎ আয়োজিত আওয়ামী লীগের মিছিল এবং পরবর্তী পুলিশি অভিযান নতুন রাজনৈতিক উত্তেজনার ইঙ্গিত দিচ্ছে। দলীয় সূত্র বলছে, গ্রেপ্তার অভিযান সত্ত্বেও আওয়ামী লীগ মাঠে থাকবে এবং আরও কর্মসূচি ঘোষণা করবে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au