ভারতে বিজেপি নেতাসহ তিনজনকে জীবন্ত পুড়িয়ে হত্যা, গ্রেপ্তার ৪
মেলবোর্ন, ১৯ জুন- ভারতের ছত্তিশগড় রাজ্যে বালু মহালকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে ক্ষমতাসীন ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) এক নেতাসহ তিনজনকে জীবন্ত পুড়িয়ে হত্যার অভিযোগ…
মেলবোর্ন, ২ নভেম্বর- রাজধানীর মিরপুরে নিজ বাসা থেকে জুলাই আন্দোলনের কর্মী ও ছাত্রনেতা আরমান হোসেনের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে মিরপুরের পাইকপাড়া সরকারি কোয়ার্টারের একটি ফ্ল্যাট থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, আরমানের মরদেহটি ঘরের সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়না দিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। প্রাথমিকভাবে এটি আত্মহত্যা বলে ধারণা করা হলেও, ঘটনার পেছনে রাজনৈতিক বা ব্যক্তিগত কোনো কারণ রয়েছে কিনা, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
আরমান হোসেন ছিলেন “জুলাই যোদ্ধা” আন্দোলনের সক্রিয় কর্মী। বিগত বছরের ছাত্র-জনতার আন্দোলনে তিনি অংশ নিয়েছিলেন এবং আন্দোলন চলাকালীন সময় তিনি পুলিশের হাতে একাধিকবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন বলে জানা গেছে। সহকর্মীরা জানিয়েছেন, তিনি সম্প্রতি বেশ কিছু দিন ধরে মানসিক চাপের মধ্যে ছিলেন এবং বিভিন্ন সময় হুমকিও পেয়েছিলেন।
ঘটনার পর আরমানের সহযোদ্ধারা মরদেহ দেখতে হাসপাতালের মর্গে ভিড় করেন। তারা অভিযোগ করেন, আরমানের মৃত্যু “অস্বাভাবিক ও পরিকল্পিত”, এবং তারা এ ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত ও দায়ীদের বিচারের দাবি জানান।
মিরপুর থানার ওসি বলেন, “ঘটনাস্থল থেকে আমরা প্রাথমিক আলামত সংগ্রহ করেছি। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন না পাওয়া পর্যন্ত কিছু বলা যাচ্ছে না। সব দিক বিবেচনা করে তদন্ত চলছে।”
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার রাত পর্যন্ত আরমান সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সক্রিয় ছিলেন। তিনি তার সর্বশেষ পোস্টে লিখেছিলেন,“আমরা যারা পরিবর্তনের স্বপ্ন দেখি, তারা ভয় পাই না।”
আরমানের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর জুলাই আন্দোলনের সহকর্মীরা গভীর শোক ও ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তারা বলেন, “আরমান ছিল সাহসের প্রতীক। তার মৃত্যু আন্দোলনের গতি থামাতে পারবে না।”
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au