ভারতে বিজেপি নেতাসহ তিনজনকে জীবন্ত পুড়িয়ে হত্যা, গ্রেপ্তার ৪
মেলবোর্ন, ১৯ জুন- ভারতের ছত্তিশগড় রাজ্যে বালু মহালকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে ক্ষমতাসীন ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) এক নেতাসহ তিনজনকে জীবন্ত পুড়িয়ে হত্যার অভিযোগ…
মেলবোর্ন, ৭ নভেম্বর- ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাতিসংঘের কারিগরি সহযোগিতা বন্ধের আহ্বান জানিয়ে নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ যে চিঠি পাঠিয়েছে, তা কোনো প্রভাব ফেলবে না বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় জাতিসংঘের উন্নয়ন কর্মসূচির (ইউএনডিপি) ঢাকা দপ্তরে পাঠানো আওয়ামী লীগের ওই চিঠি নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “জাতিসংঘকে দেওয়া আওয়ামী লীগের এই ধরনের চিঠিতে কোনো কাজ হবে না।”
এর আগে, গত ১ নভেম্বর ইউএনডিপির আবাসিক প্রতিনিধিকে চিঠি পাঠান আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মহিবুল হাসান চৌধুরী। চিঠির শিরোনাম ছিল, “বাংলাদেশে ইউএনডিপির নির্বাচনী সহযোগিতা এবং জাতিসংঘ সনদের নিরপেক্ষতা, রাজনৈতিক অন্তর্ভুক্তি ও মৌলিক অধিকারের মূলনীতি লঙ্ঘনের বিষয়ে উদ্বেগ।”
চিঠিতে আওয়ামী লীগ উল্লেখ করে, “বাংলাদেশে ইউএনডিপির নির্বাচনী সহযোগিতা, ব্যালট প্রজেক্ট এবং আসন্ন নির্বাচনে প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তার বিষয়ে আমরা গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছি। এসব কার্যক্রম এমন এক নির্বাচনের সঙ্গে যুক্ত, যা অবাধও নয়, অন্তর্ভুক্তিমূলকও নয়। এই সম্পৃক্ততা আন্তর্জাতিক আইন, জাতিসংঘের মূলনীতি এবং অবাধ, নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন প্রসারে ইউএনডিপির ম্যান্ডেটের লঙ্ঘনের ঝুঁকি তৈরি করছে।”
চিঠিতে আরও বলা হয়, “অবাধ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচনের পরিবেশ নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত আমরা জাতিসংঘ ও ইউএনডিপির প্রতি নির্বাচনী সহযোগিতা স্থগিতের আহ্বান জানাচ্ছি। পাশাপাশি আমরা বাংলাদেশের সব রাজনৈতিক পক্ষের মধ্যে জাতীয় সংলাপ ও সমঝোতাকে উৎসাহিত করার আহ্বান জানাই, যাতে মানবাধিকার ও আইনের শাসন সমুন্নত থাকে।”
মহিবুল হাসান চৌধুরী চিঠির অনুলিপি জাতিসংঘের মহাসচিব, সাধারণ পরিষদের সভাপতি, মানবাধিকার পরিষদ এবং জাতিসংঘ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য দপ্তরসহ আন্তর্জাতিক কয়েকটি সংস্থায় পাঠান।
উল্লেখ্য, ফেব্রুয়ারিতে ঘোষিত নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ নেই আওয়ামী লীগের, কারণ দলটি বর্তমানে নিষিদ্ধ সংগঠন হিসেবে ঘোষিত।
বাংলাদেশের আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে অন্তর্ভুক্তিমূলক ও বিশ্বাসযোগ্য করা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে প্রশ্ন উঠেছে। সমালোচকরা বলছেন, আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন সরকার ২০১৪, ২০১৮ এবং ২০২৪ সালে তিনটি বিতর্কিত নির্বাচন আয়োজন করে টানা ১৫ বছর ক্ষমতায় ছিল। এ প্রেক্ষাপটে জাতিসংঘের নির্বাচনী সহায়তা অব্যাহত রাখা নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।
তবে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেনের মতে, আওয়ামী লীগের ওই চিঠি কূটনৈতিক বা প্রাতিষ্ঠানিকভাবে কোনো পরিবর্তন আনবে না। “জাতিসংঘের সিদ্ধান্ত নীতিনির্ধারণের মাধ্যমে হয়, কোনো রাজনৈতিক দলের চিঠির ভিত্তিতে নয়,” বলেন তিনি।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au