চাঁদা না পেয়ে কক্সবাজারে গণেশ পালকে কুপিয়ে হত্যা
মেলবোর্ন, ৮ মার্চ- কক্সবাজার শহরে বাড়ি নির্মাণের চাঁদা না দেওয়ার জেরে গণেশ পাল (২৯) নামে এক হিন্দু ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (৭ মার্চ)…
মেলবোর্ন, ১০ নভেম্বর- বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘনিষ্ঠ সহকারী ও তার মন্ত্রিসভার সাবেক সদস্য মহিবুল হাসান চৌধুরী(নওফেল) অভিযোগ করেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের মানবিক সংস্থা ইউএসএইড এবং চই ২০২৪ সালে বাংলাদেশের রাজনৈতিক অস্থিরতা ও শেখ হাসিনার ক্ষমতাচ্যুতির নেপথ্যে ছিল। রাশিয়া টুডিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ দাবি করেন।
মোহিবুল আরও বলেন, ইউএসএইডের সঙ্গে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারপ্রধান অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ছিল। তিনি দাবি করেন, ২০১৮ সাল থেকেই ইউএসএইড ও ইন্টারন্যাশনাল রিপাবলিকান ইনস্টিটিউট (আইআরআই)সহ কিছু মার্কিন এনজিও শেখ হাসিনার সরকারের বিরুদ্ধে প্রচারণা চালাচ্ছিল।
তার ভাষায়, “যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক কিছু এনজিও, বিশেষ করে ইউএসএইড ও আইআরআই, ২০১৮ সাল থেকে আমাদের সরকারের বিরুদ্ধে কাজ করছিল। তারা জনমত তৈরির পাশাপাশি নানা তহবিলের মাধ্যমে পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করে।”
শেখ হাসিনাও এর আগে অভিযোগ করেছিলেন যে, মুহাম্মদ ইউনূস ‘দেশকে যুক্তরাষ্ট্রের হাতে বিক্রি করে দিয়েছেন’। তিনি দাবি করেন, তার পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যুক্তরাষ্ট্রের চাপে কখনোই সেন্ট মার্টিন দ্বীপ ছেড়ে দিতে রাজি হননি।
অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র এসব অভিযোগ ‘হাস্যকর’ বলে উড়িয়ে দিয়েছে।
গত বছরের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা ঢাকায় সরকারি বাসভবনে ছাত্রনেতৃত্বাধীন সহিংস বিক্ষোভ শুরু হলে প্রাণনাশের আশঙ্কায় বাংলাদেশ ত্যাগ করেন। পরে তিনি ভারতে আশ্রয় নেন।
মোহিবুল হাসান চৌধুরী সাক্ষাৎকারে আরও বলেন, “এই অস্থিরতা পরিকল্পিতভাবে তৈরি করা হয়েছিল পশ্চিমা স্বার্থে। ক্লিনটন পরিবার ও ইউনূসের মধ্যে বহুদিনের যোগাযোগ ছিল। তারা দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশে সরকার পরিবর্তনের পরিকল্পনা করে আসছিল। গোপনে এনজিওগুলোর মাধ্যমে তহবিল পাঠানো হচ্ছিল, যার লক্ষ্য ছিল শেখ হাসিনা সরকারকে হটানো।”
তিনি আরও প্রশ্ন তোলেন, ইউএসএইডের কোটি কোটি ডলার কোথায় ব্যয় হয়েছে। তার দাবি, এই অর্থই বাংলাদেশে সরকারবিরোধী আন্দোলন ও সহিংসতার জন্য ব্যবহার করা হয়েছে। “এই অর্থ দিয়েই বিশৃঙ্খলা সাজানো হয়েছিল, পরে তা বড় ধরনের দাঙ্গায় রূপ নেয়,” বলেন তিনি।
গত বছরের জুলাই-আগস্টে চাকরির কোটা সংস্কার নিয়ে বিক্ষোভে অন্তত ৭০০ জন নিহত হন। সহিংসতার সময় সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপরও হামলার খবর পাওয়া যায়। ওই সময় শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তীকালীন সরকারপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব নেন মুহাম্মদ ইউনূস। এরপর থেকেই বাংলাদেশ নীতিগতভাবে পাকিস্তানের কাছাকাছি অবস্থান নেয় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
সুত্রঃ এনডিটিভি
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au