হাম ও হামের উপসর্গে আরো ৭ শিশুর মৃত্যু
মেলবোর্ন, ২৪ এপ্রিল- দেশে হামের সংক্রমণ ও উপসর্গজনিত মৃত্যুর সংখ্যা আবারও বেড়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ হালনাগাদ প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত আগের ২৪…
মেলবোর্ন, ১৪ নভেম্বর- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, গত বছর বিশ্বজুড়ে যক্ষ্মায় ১২ লাখ ৩০ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে। সংস্থার সর্বশেষ প্রতিবেদন বলছে, মহামারি পরবর্তী সময়েও রোগটির সংক্রমণ ও মৃত্যুহার উদ্বেগজনক মাত্রায় রয়ে গেছে। বিশেষত স্বল্প ও মধ্য আয়ের দেশগুলোতে স্বাস্থ্যব্যবস্থার সীমাবদ্ধতা সমস্যাকে আরও জটিল করে তুলছে।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, দক্ষিণ এশিয়া এবং আফ্রিকার বেশ কয়েকটি দেশে শনাক্তকরণ সক্ষমতা এখনও প্রত্যাশিত পর্যায়ে পৌঁছায়নি। ফলে বহু রোগী চিকিৎসা না পেয়ে মৃত্যুর ঝুঁকিতে পড়ে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সময়মতো রোগ শনাক্ত হলে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই যক্ষ্মা নিরাময়যোগ্য, কিন্তু চিকিৎসায় দেরি এবং ওষুধ প্রতিরোধী সংক্রমণ পরিস্থিতিকে কঠিন করে তোলে।
ডব্লিউএইচও জানায়, ওষুধ প্রতিরোধী যক্ষ্মার বিস্তারও গত বছর বেড়েছে। এসব ক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসা প্রয়োজন হয় এবং খরচ বেশি হওয়ায় বহু রোগী চিকিৎসা সম্পন্ন করতে পারেন না। সংস্থাটি দেশগুলোকে দ্রুত শনাক্তকরণ প্রযুক্তি বাড়ানো, জনসচেতনতা জোরদার করা এবং দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য চিকিৎসা সহজলভ্য করার পরামর্শ দিয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, যক্ষ্মা মোকাবিলায় ধারাবাহিক নজরদারি, পর্যাপ্ত বাজেট বরাদ্দ এবং প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবাকে শক্তিশালী করাই এখন সবচেয়ে বড় প্রয়োজন। মহামারির পর স্বাস্থ্যসূচক পুনর্গঠনের চাপে থাকা দেশগুলোকে সংস্থাটি দীর্ঘমেয়াদি কর্মপরিকল্পনা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।
সুত্রঃ এএফপি
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au