হরমুজ প্রণালিতে নতুন করিডোর চালু করল ওমান
মেলবোর্ন, ২৪ জুন- বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক বাণিজ্যপথ হরমুজ প্রণালিতে আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচল নির্বিঘ্ন রাখতে একটি অস্থায়ী সামুদ্রিক করিডোর চালুর ঘোষণা দিয়েছে ওমান। আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক সংস্থা…
মেলবোর্ন ১৮ ডিসেম্বর- ভেনিজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর ওপর চাপ আরও জোরালো করতে দেশটির অনুমোদিত সব তেলবাহী ট্যাংকারের ওপর অবরোধের নির্দেশ দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একই সঙ্গে ভেনিজুয়েলার অপরিশোধিত তেল ও অন্যান্য সম্পদ নিয়ে নতুন করে দাবি উত্থাপন করেছেন তিনি।
নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, ভেনিজুয়েলায় আসা-যাওয়া করা সব নিষেধাজ্ঞাপ্রাপ্ত তেল ট্যাংকারের ওপর পূর্ণাঙ্গ ও সর্বাত্মক অবরোধ কার্যকর করা হবে। তিনি জানান, ক্যারিবীয় অঞ্চলে মোতায়েন মার্কিন নৌবহর আরও সম্প্রসারণ করা হচ্ছে, যেখানে বিশ্বের বৃহত্তম বিমানবাহী রণতরীও যুক্ত রয়েছে।
ল্যাটিন আমেরিকায় মাদক পাচার দমনের কথা বলে গত কয়েক মাস ধরে ক্যারিবীয় অঞ্চলে ব্যাপক সামরিক উপস্থিতি বাড়িয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে কারাকাসের অভিযোগ, এই অভিযানের প্রকৃত লক্ষ্য ভেনিজুয়েলা এবং বামপন্থী প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দেওয়া। ওয়াশিংটনসহ পশ্চিমা বিশ্বের একাধিক দেশ মাদুরোর সরকারকে বৈধ বলে স্বীকৃতি দেয় না।
গত সপ্তাহে ভেনিজুয়েলা থেকে ছেড়ে আসা একটি তেলবাহী ট্যাংকার জব্দ করে ট্রাম্প প্রশাসন। এরপর আরও কয়েকটি জাহাজের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়। সর্বশেষ ঘোষণায় ট্রাম্প স্পষ্ট করেন, ভেনিজুয়েলা যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে ‘চুরি করা’ তেল, ভূমি ও অন্যান্য সম্পদ ফেরত না দেওয়া পর্যন্ত এই অবরোধ এবং সামরিক চাপ অব্যাহত থাকবে।
যদিও ট্রাম্প নির্দিষ্ট করে কোনো তেলক্ষেত্র বা ভূমির নাম উল্লেখ করেননি, তবে ভেনিজুয়েলা ১৯৭০-এর দশকে তেল শিল্প জাতীয়করণ করে। পরে হুগো শাভেজের শাসনামলে বিদেশি কোম্পানিগুলোকে রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানি পিডিভিএসএ-এর কাছে মালিকানা হস্তান্তরে বাধ্য করা হয়। বিষয়টি যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের আপত্তির কেন্দ্রে রয়েছে।
ট্রাম্প আরও অভিযোগ করেন, মাদুরো সরকার তেল খনি থেকে পাওয়া অর্থ মাদক সন্ত্রাস, মানবপাচার, হত্যা ও অপহরণের মতো অপরাধে ব্যবহার করছে। এর পাল্টা জবাবে ভেনিজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো দাবি করেন, মাদকবিরোধী অভিযানের আড়ালে যুক্তরাষ্ট্র আসলে তাকে উৎখাত এবং দেশের বিপুল তেল সম্পদ দখলের চেষ্টা করছে।
এরই মধ্যে ভেনিজুয়েলার উপকূলের কাছে মার্কিন যুদ্ধবিমানের মহড়া এবং মাদক পাচারকারী সন্দেহে বিভিন্ন নৌযানে প্রাণঘাতী অভিযানে এখন পর্যন্ত ৯০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছে বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে। পরিস্থিতি ক্রমেই উত্তপ্ত হয়ে উঠছে, যা অঞ্চলটির নিরাপত্তা ও বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে নতুন উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au