মহানবীকে নিয়ে কটূক্তির অভিযোগে ফেনীতে হিন্দু যুবক গ্রেফতার
মেলবোর্ন, ২০ জুন- ফেনীর ছাগলনাইয়ায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) ও ইসলাম ধর্মের বিভিন্ন ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করার অভিযোগে সৃজন দাশ প্রান্ত…
মেলবোর্ন ১৪ জানুয়ারি- ইরানে চলমান সরকারবিরোধী আন্দোলনের প্রতি প্রকাশ্য সমর্থন জানিয়ে দেশটির জনগণকে রাজপথে বিক্ষোভ চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একই সঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, বিক্ষোভে দমন–পীড়ন ও হত্যাকাণ্ড বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত ইরানের কর্মকর্তাদের সঙ্গে সব ধরনের বৈঠক বাতিল করেছেন যুক্তরাষ্ট্র।
মঙ্গলবার নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যাল-এ দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, “ইরানের দেশপ্রেমিকরা, বিক্ষোভ চালিয়ে যান। আপনাদের প্রতিষ্ঠানগুলো দখলে নিন। হত্যাকারী ও নিপীড়কদের নাম সংরক্ষণ করুন। তাদের এর চড়া মূল্য দিতে হবে। হত্যাযজ্ঞ বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত আমি ইরানের কর্মকর্তাদের সঙ্গে সব ধরনের বৈঠক বাতিল করেছি। সাহায্য আসছে।”
তবে ট্রাম্প কী ধরনের সহায়তার কথা বলছেন এবং সেটি কবে ইরানে পৌঁছাতে পারে, সে বিষয়ে তিনি কোনো বিস্তারিত তথ্য দেননি। হোয়াইট হাউজও এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের গণমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, ইরান পরিস্থিতি নিয়ে মঙ্গলবার হোয়াইট হাউজে জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে বসার কথা রয়েছে ট্রাম্পের। ওই বৈঠকে কূটনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামরিক বিভিন্ন বিকল্প নিয়ে আলোচনা হতে পারে।
এর আগে গত সপ্তাহের শেষে ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, ইরান সংকট নিরসনে তিনি কূটনৈতিক পথ বেছে নিতে পারেন। বিশেষ করে তেহরান আলোচনায় বসতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে বলে তিনি দাবি করার পর এই বার্তা দেন। তবে সর্বশেষ বক্তব্যে ইরানের সঙ্গে সংলাপের সম্ভাবনা আপাতত দূরে সরিয়ে রেখেছেন তিনি।
ট্রাম্প আগেও সতর্ক করে বলেছিলেন, ইরানি কর্তৃপক্ষ যদি বিক্ষোভকারীদের হত্যায় লিপ্ত থাকে, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র হস্তক্ষেপ করতে পারে। ইরান সরকার স্বীকার করেছে, টানা দুই সপ্তাহের বিক্ষোভে নিহতের সংখ্যা প্রায় দুই হাজারে পৌঁছেছে। এই বিপুল প্রাণহানির পর ট্রাম্পের কড়া অবস্থান আরও জোরালো হয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
গত ২৮ ডিসেম্বর রাজধানী তেহরানের কয়েকটি বাজারে অর্থনৈতিক সংকটের প্রতিবাদে ছোট আকারের বিক্ষোভ থেকে এই আন্দোলনের সূচনা হয়। পরে তা দ্রুত দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে। মূল্যবৃদ্ধি, উচ্চ মুদ্রাস্ফীতি, জাতীয় মুদ্রা রিয়ালের দরপতন এবং কর্মসংস্থানের সংকটে ক্ষুব্ধ তরুণ সমাজ ও সাধারণ মানুষ রাস্তায় নেমে আসে।
গত বৃহস্পতিবার থেকে পরিস্থিতির আরও অবনতি ঘটে। ইরানের নির্বাসিত শেষ শাহের ছেলে রেজা পাহলভি সরকারবিরোধী আন্দোলন জোরদার করার আহ্বান জানালে বহু শহরে বিক্ষোভকারীদের ঢল নামে। এই প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের সরাসরি আহ্বান ও হুমকি নতুন করে আন্তর্জাতিক উত্তেজনা তৈরি করেছে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au