মহানবীকে নিয়ে কটূক্তির অভিযোগে ফেনীতে হিন্দু যুবক গ্রেফতার
মেলবোর্ন, ২০ জুন- ফেনীর ছাগলনাইয়ায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) ও ইসলাম ধর্মের বিভিন্ন ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করার অভিযোগে সৃজন দাশ প্রান্ত…
মেলবোর্ন, ২০ জুন- মরক্কোর বিপক্ষে ড্র করে সমালোচনার মুখে পড়েছিল ব্রাজিল। তবে সেই হতাশা বেশিক্ষণ স্থায়ী হতে দেয়নি পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০২৬ বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে হাইতিকে ৩-০ গোলে হারিয়ে দুর্দান্তভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছে কার্লো আনচেলত্তির দল। ফিলাডেলফিয়ায় অনুষ্ঠিত ম্যাচে ম্যাথিউস কুনহার জোড়া গোল এবং ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের একটি গোলে সহজ জয় তুলে নেয় সেলেসাওরা।
এই জয়ের ফলে দুই ম্যাচ শেষে ব্রাজিলের সংগ্রহ দাঁড়িয়েছে ৪ পয়েন্ট। সমান পয়েন্ট থাকা সত্ত্বেও উন্নত গোল ব্যবধানে গ্রুপ ‘সি’-এর শীর্ষে উঠে এসেছে তারা। ব্রাজিলের গোল ব্যবধান এখন প্লাস ৩, যেখানে মরক্কোর গোল ব্যবধান প্লাস ১। ফলে মরক্কো দ্বিতীয় স্থানে নেমে গেছে। অন্যদিকে হাইতিকে হারিয়ে বিশ্বকাপ শুরু করা স্কটল্যান্ডের সংগ্রহ ৩ পয়েন্ট। শেষ গ্রুপ ম্যাচে ব্রাজিলের মুখোমুখি হবে স্কটিশরা।
মরক্কোর বিপক্ষে নিষ্প্রভ পারফরম্যান্সের পর হাইতির বিপক্ষে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে দেখা যায় ব্রাজিলকে। যদিও ম্যাচের প্রথম ১০ মিনিট হাইতি বেশ সংগঠিত ফুটবল খেলেছিল, কিন্তু এরপর ধীরে ধীরে ব্রাজিলের আক্রমণের চাপে কোণঠাসা হয়ে পড়ে তারা।
ম্যাচের ৩৬তম মিনিটে প্রথম গোলের দেখা পায় ব্রাজিল। মাঝমাঠ থেকে ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের চমৎকার এক আক্রমণাত্মক মুভের পর ডিফেন্সচেরা পাস পান ম্যাথিউস কুনহা। সুযোগ কাজে লাগিয়ে বাঁ পায়ের নিখুঁত শটে বল জালে জড়ান তিনি। এতে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় ব্রাজিল।
প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ের তৃতীয় মিনিটে ব্যবধান আরও বাড়ান ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। বাঁ প্রান্ত দিয়ে দুরন্ত গতিতে এগিয়ে গিয়ে হাইতির গোলরক্ষক জনি প্লাসিডকে একা পেয়ে দুই পায়ের মাঝ দিয়ে বল জালে পাঠান তিনি। তার এই দুর্দান্ত ফিনিশিংয়ে ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় ব্রাজিল।
প্রথমার্ধেই ম্যাচের ফল প্রায় নিশ্চিত হয়ে গেলেও দ্বিতীয়ার্ধে আক্রমণের ধার কমায়নি আনচেলত্তির দল। একাধিক সুযোগ তৈরি করেও গোলের ব্যবধান আর বাড়াতে পারেনি তারা। কয়েকটি সুযোগ নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি একটি গোল অফসাইডের কারণে বাতিল হয়।
ম্যাচের ৬৪তম মিনিটে জোড়া গোল করা ম্যাথিউস কুনহা এবং লুকাস পাকেতাকে মাঠ থেকে তুলে নেন কোচ কার্লো আনচেলত্তি। তাদের পরিবর্তে মাঠে নামানো হয় তরুণ ফরোয়ার্ড এনদ্রিক ও গ্যাব্রিয়েল মার্তিনেল্লিকে। শেষ দিকে নতুনদের নিয়ে আরও কয়েকটি আক্রমণ সাজালেও গোলের দেখা পায়নি ব্রাজিল।
তবে পুরো ম্যাচে ব্রাজিলের খেলায় যে পরিবর্তন দেখা গেছে, তা সমর্থকদের স্বস্তি দিয়েছে। মরক্কোর বিপক্ষে যে আক্রমণভাগকে ছন্নছাড়া মনে হয়েছিল, হাইতির বিপক্ষে সেই আক্রমণভাগকে অনেক বেশি ছন্দময় ও কার্যকর দেখা গেছে। বিশেষ করে ভিনিসিয়ুস জুনিয়র ও ম্যাথিউস কুনহার সমন্বয় ছিল চোখে পড়ার মতো।
ম্যাচ শেষে ফুটবল বিশ্লেষকদের অনেকেই মন্তব্য করেছেন, এবারের বিশ্বকাপে এই প্রথম ব্রাজিলকে তাদের ঐতিহ্যবাহী আক্রমণাত্মক রূপে দেখা গেল। সামনে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচে এই ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারলে শিরোপার অন্যতম দাবিদার হিসেবে নিজেদের অবস্থান আরও শক্ত করবে সেলেসাওরা।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au