স্বাস্থ্য ও শিশুযত্ন নিয়ে হ্যানসনের মন্তব্যে চাপে ওয়ান নেশন
মেলবোর্ন, ২১ জুন- অস্ট্রেলিয়ার রাজনীতিতে নতুন এক প্রতিদ্বন্দ্বীর মুখোমুখি হয়ে পুরোনো পরীক্ষিত কৌশলেই এগোতে চাইছে ক্ষমতাসীন লেবার পার্টি। দেশটির ডানপন্থী দল ওয়ান নেশনের নেত্রী পলিন…
মেলবোর্ন, ১১ ফেব্রুয়ারি- ইউরোপ যখন নতুন করে সামরিক সজ্জায় মনোযোগ দিচ্ছে, তখন পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় নিজেদের সামরিক শক্তি দ্রুত পুনর্গঠন করছে রাশিয়া। তবে এই বছর বা আগামী বছরের মধ্যে কোনো ন্যাটো সদস্য দেশের ওপর সরাসরি সামরিক হামলার পরিকল্পনা মস্কোর নেই বলে জানিয়েছে এস্তোনিয়ার বৈদেশিক গোয়েন্দা সংস্থা।
মঙ্গলবার প্রকাশিত সংস্থাটির বার্ষিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইউক্রেনে যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি রাশিয়া এমন গতিতে গোলাবারুদ উৎপাদন বাড়াচ্ছে, যা ভবিষ্যতে অন্য কোনো সংঘাতের জন্যও বড় মজুত গড়ে তোলার সক্ষমতা দিচ্ছে।
ন্যাটো সদস্য এস্তোনিয়া দীর্ঘদিন ধরেই মস্কোর কট্টর সমালোচক এবং ইউক্রেনের দৃঢ় সমর্থক হিসেবে পরিচিত। দেশটির গোয়েন্দা সংস্থার প্রধান কাউপো রোসিন সাংবাদিকদের বলেন, ইউরোপকে অবশ্যই প্রতিরক্ষা ও অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তায় বড় বিনিয়োগ করতে হবে, যাতে রাশিয়া বুঝতে পারে যে ন্যাটোর বিরুদ্ধে তাদের জয়ের কোনো বাস্তব সুযোগ নেই।
রোসিন বলেন, রুশ নেতৃত্ব ইউরোপের পুনরায় সামরিক সজ্জায় সজ্জিত হওয়ার বিষয়টি নিয়ে গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। তাদের আশঙ্কা, আগামী দুই থেকে তিন বছরের মধ্যে ইউরোপ রাশিয়ার বিরুদ্ধে স্বাধীনভাবে সামরিক পদক্ষেপ নিতে সক্ষম হয়ে উঠতে পারে। এ কারণে রাশিয়ার বর্তমান কৌশল হলো ইউরোপের এই অগ্রগতিকে বিলম্বিত ও বাধাগ্রস্ত করা।
প্রতিবেদনে সতর্ক করা হয়েছে, ভবিষ্যতে এস্তোনিয়ায় কোনো রুশ হামলা হলে তা ড্রোনের মাধ্যমে হতে পারে। স্থল, আকাশ ও সমুদ্রপথে একযোগে দেশের পুরো ভূখণ্ডে ড্রোন হামলার আশঙ্কার কথাও উল্লেখ করেছে গোয়েন্দা সংস্থাটি।
এস্তোনিয়ার গোয়েন্দাদের মতে, ক্রেমলিন এখনও যুক্তরাষ্ট্রকেই তাদের প্রধান বৈশ্বিক প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে দেখে। তবে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের সুবিধা পেতে সহযোগিতার একটি ভনিতা করছে মস্কো।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, নতুন মার্কিন প্রশাসনকে কাজে লাগিয়ে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক পুনরুদ্ধার এবং এমন একটি সমঝোতায় পৌঁছানোই রাশিয়ার লক্ষ্য, যা ইউক্রেনের পরাজয়কে কার্যত স্বীকৃতি দেবে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ন্যাটোকে কোণঠাসা করে ইউরোপের নিরাপত্তা কাঠামোকে মস্কোর নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গি অনুযায়ী নতুনভাবে গড়ে তুলতে চায় রাশিয়া।
এস্তোনিয়ার মূল্যায়নে, চীন রাশিয়াকে পশ্চিমা শক্তির বিরুদ্ধে এক গুরুত্বপূর্ণ মিত্র এবং নির্ভরযোগ্য জ্বালানি উৎস হিসেবে দেখছে। বিশেষ করে তাইওয়ানকে কেন্দ্র করে কোনো সংঘাত শুরু হলে এবং সমুদ্রপথে অবরোধ তৈরি হলে রাশিয়া হবে চীনের প্রধান জ্বালানি যোগানদাতা। দুই দেশ বর্তমানে সামরিক প্রযুক্তি গবেষণায়ও পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়াচ্ছে।
প্রতিবেদনের উপসংহারে বলা হয়েছে, রাশিয়ার কাছে যেকোনো ধরনের নতিস্বীকার শেষ পর্যন্ত চীনের বৈশ্বিক উচ্চাকাঙ্ক্ষাকেই শক্তিশালী করবে।
সুত্রঃ রয়টার্স
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au