স্বাস্থ্য ও শিশুযত্ন নিয়ে হ্যানসনের মন্তব্যে চাপে ওয়ান নেশন
মেলবোর্ন, ২১ জুন- অস্ট্রেলিয়ার রাজনীতিতে নতুন এক প্রতিদ্বন্দ্বীর মুখোমুখি হয়ে পুরোনো পরীক্ষিত কৌশলেই এগোতে চাইছে ক্ষমতাসীন লেবার পার্টি। দেশটির ডানপন্থী দল ওয়ান নেশনের নেত্রী পলিন…
মেলবোর্ন, ১১ ফেব্রুয়ারি- ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দেশে রাজনৈতিক সহিংসতা ও সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনা উদ্বেগজনক হারে বেড়েছে বলে জানিয়েছে মানবাধিকার সংস্থা আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক)। সংস্থাটি বলছে, নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে, রাজনৈতিক পরিস্থিতি তত বেশি সহিংস হয়ে উঠছে।
মঙ্গলবার প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আসক জানায়, চলতি ফেব্রুয়ারির ১ থেকে ১০ তারিখের মধ্যে রাজনৈতিক সহিংসতার ৫৮টি ঘটনা ঘটেছে। গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, এসব ঘটনায় দুজন নিহত এবং ৪৮৯ জন আহত হয়েছেন।
সংস্থাটির তথ্যমতে, জানুয়ারির শেষ ১০ দিনে রাজনৈতিক সহিংসতার ৪৯টি ঘটনায় চারজন নিহত ও ৪১৪ জন আহত হন। জানুয়ারির ১ থেকে ১০ তারিখে আটটি ঘটনায় পাঁচজন নিহত ও ২৬ জন আহত হন। আর ১১ থেকে ২০ জানুয়ারির মধ্যে ১৮টি ঘটনায় দুজন নিহত ও ১৭৬ জন আহত হন।
নির্বাচনকালীন সময়ে সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনাও উদ্বেগজনকভাবে বেড়েছে বলে জানিয়েছে আসক। গণমাধ্যমের তথ্য বিশ্লেষণ করে সংস্থাটি জানায়, ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে ১১ জন সাংবাদিক হামলার শিকার হন, যা ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে বেড়ে দাঁড়ায় ১৬ জনে। তবে ফেব্রুয়ারির প্রথম ১০ দিনেই সারাদেশে অন্তত ৪৭ জন সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে।
আসক আরও জানায়, গত ৭ ফেব্রুয়ারি অনলাইন সংবাদমাধ্যম বাংলাদেশ টাইমসের ২১ জন সাংবাদিককে কর্মস্থল থেকে সেনাক্যাম্পে নিয়ে যাওয়া হয় এবং প্রায় দুই ঘণ্টা পর তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়।
সংস্থাটির বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালের ডিসেম্বরের তুলনায় ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে রাজনৈতিক সহিংসতা বেড়েছে এবং ফেব্রুয়ারিতে সেই ঊর্ধ্বমুখী ধারা আরও স্পষ্ট হয়েছে। একই সঙ্গে হতাহতের সংখ্যাও বৃদ্ধি পেয়েছে। নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসছে, রাজনীতি তত সহিংস হয়ে উঠছে এবং সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও হয়রানির প্রবণতাও বাড়ছে।
রাজনৈতিক সহিংসতা ও সাংবাদিকদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের ধারাবাহিক বৃদ্ধিতে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে আসক সংবিধান অনুযায়ী আইনের শাসন নিশ্চিত করা এবং প্রত্যেক নাগরিকের জীবন ও ব্যক্তিস্বাধীনতার অধিকার রক্ষায় সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।
একই সঙ্গে সংস্থাটি প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছে, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জনগণ যেন অবাধ, নির্ভয়ে ও নিরাপদ পরিবেশে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au