চাঁদা না পেয়ে কক্সবাজারে গণেশ পালকে কুপিয়ে হত্যা
মেলবোর্ন, ৮ মার্চ- কক্সবাজার শহরে বাড়ি নির্মাণের চাঁদা না দেওয়ার জেরে গণেশ পাল (২৯) নামে এক হিন্দু ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (৭ মার্চ)…
মেলবোর্ন, ২২ ফেব্রুয়ারি- ফ্রান্সের শহর লিওঁতে কট্টর ডানপন্থী তরুণ কর্মী কুইন্টিন দেরাঁককে হত্যার ঘটনার প্রতিবাদে শনিবার হাজারো মানুষ রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ করেছেন। গত সপ্তাহে তাকে একদল সন্দেহভাজন কট্টর বামপন্থী কর্মী পিটিয়ে হত্যা করে বলে অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি দেশজুড়ে তীব্র আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।
পুলিশের আশঙ্কা ছিল, লিওঁতে ডানপন্থী ও অ্যান্টিফ্যাসিস্ট উভয় গোষ্ঠীর সক্রিয় উপস্থিতির কারণে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠতে পারে। তাই মিছিল ঘিরে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়।
বিক্ষোভের আগে শনিবার সকালে প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাক্রোঁ শান্ত থাকার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, দেশে সক্রিয় সব সহিংস গোষ্ঠী নিয়ে আগামী সপ্তাহে মন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠক করবেন।
সাবেক প্রধানমন্ত্রী দোমিনিক দ্য ভিলপাঁ দেরাঁকের হত্যাকাণ্ডকে “ফ্রান্সের চার্লি কার্ক মুহূর্ত” বলে উল্লেখ করেন। যুক্তরাষ্ট্রে গত বছর এক রক্ষণশীল কর্মী হত্যার ঘটনার সঙ্গে তিনি এ ঘটনার তুলনা করেন।
মিছিলে অংশ নেওয়া অনেকেই মুখ ঢাকতে সার্জিক্যাল মাস্ক ও সানগ্লাস ব্যবহার করেন। তাদের স্লোগানে শোনা যায়, “কুইন্টিনের জন্য বিচার চাই” এবং “অ্যান্টিফা হত্যাকারী।”
এ ঘটনায় সাতজনকে আনুষ্ঠানিকভাবে তদন্তের আওতায় নেওয়া হয়েছে। তাদের মধ্যে কট্টর বামপন্থী দল ‘লা ফ্রঁস আঁসুমিজ’-এর এক আইনপ্রণেতার সাবেক সহকারীও রয়েছেন। দলটি হত্যাকাণ্ডের নিন্দা জানিয়েছে।
মিছিলের আয়োজক ছিলেন গর্ভপাতবিরোধী কর্মী আলিয়েত এসপিয়্যু। কয়েকটি কট্টর ডানপন্থী সংগঠন এতে অংশ নেওয়ার ঘোষণা দেয়। তবে ডানপন্থী রাজনৈতিক দল ‘ন্যাশনাল র্যালি’ সম্ভাব্য সহিংসতার আশঙ্কায় সমর্থকদের বিক্ষোভে না যাওয়ার আহ্বান জানায়।
মিছিল চলাকালে পাশেই ছোট ছোট কয়েকটি দল “আমরা সবাই অ্যান্টিফ্যাসিস্ট” স্লোগান দেয়। স্থানীয় সংবাদমাধ্যম বিএফএমটিভির প্রচারিত ছবিতে দেখা যায়, মিছিল শুরুর কাছে একটি ভবনের জানালা থেকে “লিওঁ অ্যান্টিফা” লেখা ব্যানার ঝুলছে।
লিওঁর মেয়র গ্রেগরি দুশে মিছিলটি ঠেকানোর চেষ্টা করেছিলেন। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ফ্রান্স ও ইউরোপের বিভিন্ন কট্টর ডানপন্থী গোষ্ঠীকে লিওঁতে জড়ো হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছিল, যা তাকে উদ্বিগ্ন করেছে।
তার ভাষায়, দায়িত্ব পালনকালে তার প্রশাসন ডানপন্থী সহিংসতার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছে এবং সহিংসতার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে একাধিক সংগঠনের কার্যালয় বন্ধ করেছে।
স্থানীয় প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, লিওঁর মিছিলে প্রায় ৩ হাজার ২০০ মানুষ অংশ নেন। এ ছাড়া ফ্রান্সের আরও কয়েকটি শহরেও ছোট পরিসরে বিক্ষোভের পরিকল্পনা ছিল।
কুইন্টিন দেরাঁকের হত্যাকাণ্ডকে ঘিরে ফ্রান্সে রাজনৈতিক মেরুকরণ আরও তীব্র হয়েছে। ডান ও বামপন্থী গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে উত্তেজনা বাড়ার আশঙ্কায় সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।
সূত্রঃ রয়টার্স
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au