বাংলাদেশ

১২০০ কর্মী, বিশাল অবকাঠামো

২৫০০ একরের মেডিটেশন সেন্টার, বিতর্কিত কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন সম্পর্কে যা জানা যাচ্ছে

  • 7:29 pm - March 14, 2026
  • পঠিত হয়েছে:৩১ বার
বিতর্কিত কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন। ছবিঃ সংগৃহীত

মেলবোর্ন, ১৪ মার্চ- দেশের মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ‘বৈজ্ঞানিক লাইফস্টাইল ডেভেলপমেন্ট ও মানসিক স্বাস্থ্যসেবা’ কর্মসূচি বাস্তবায়নের উদ্যোগ ঘিরে বেসরকারি সংস্থা কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনকে কেন্দ্র করে নানা প্রশ্ন ও বিতর্ক সামনে এসেছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতর যে কর্মসূচি বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল, সেটি সাময়িকভাবে স্থগিত করার পর সংস্থাটির কার্যক্রম, অবকাঠামো, অর্থায়ন ও প্রভাব নিয়ে নতুন করে অনুসন্ধানের দাবি উঠেছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ শাখা থেকে শনিবার (১৪ মার্চ) জানানো হয়, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের পরিচালক (মাধ্যমিক) অধ্যাপক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল গত ১১ মার্চ এ সংক্রান্ত নির্দেশনায় সই করেছেন। এতে বলা হয়, ৫ মার্চ জারি করা স্মারকে দেশের সব মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও কলেজে পর্যায়ক্রমে ‘বৈজ্ঞানিক লাইফস্টাইল ডেভেলপমেন্ট ও মানসিক স্বাস্থ্যসেবা’ কার্যক্রম বাস্তবায়নের যে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল, তা আপাতত স্থগিত রাখা হয়েছে।

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের সাথে কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনের প্রকল্পের নির্দেশনা। ছবিঃ সংগৃহীত

এর আগে ৮ মার্চ প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছিল, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনের প্রস্তুত করা একটি ম্যানুয়ালের ভিত্তিতে দেশের সব মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও কলেজে এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে। কর্মসূচির আওতায় শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের জন্য বিনামূল্যে একদিনের প্রশিক্ষণের আয়োজনের কথাও বলা হয়েছিল। তবে উদ্যোগটি নিয়ে বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন ও সমালোচনা শুরু হলে শেষ পর্যন্ত নির্দেশনাটি স্থগিত করা হয়।

সরকারি পরিকল্পনা অনুযায়ী, কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনের প্রস্তুত করা ‘বৈজ্ঞানিক লাইফস্টাইল ডেভেলপমেন্ট এবং মানসিক স্বাস্থ্যসেবা’ ম্যানুয়ালের ভিত্তিতে দেশের প্রায় ২০ হাজারের বেশি মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার কথা ছিল। প্রশিক্ষণ শেষে প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে একটি করে ‘মনিটরিং পুল’ গঠনের নির্দেশনাও ছিল। এই পুল শিক্ষার্থীদের দৈনিক অনুশীলন তদারকি করবে এবং স্থানীয় শিক্ষা কর্মকর্তা ও বাংলাদেশ স্কাউটসের সহায়তায় স্কাউট ও রোভার স্কাউট সদস্যদের স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে যুক্ত করার কথাও উল্লেখ করা হয়।

সেন্টারের ভেতরে পরিচালিত কসমো স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষার্থীদের সমাবেশের ছবি।

প্রাথমিক পর্যায়ে পরীক্ষামূলকভাবে ১২৮টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে বলেও জানা গেছে। কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, তাদের পর্যাপ্ত প্রশিক্ষক রয়েছে এবং ধাপে ধাপে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের প্রশিক্ষণ দেওয়া সম্ভব।

তবে এখানেই শুরু হয়েছে মূল বিতর্ক। প্রশ্ন উঠেছে, কী প্রক্রিয়ায় একটি বেসরকারি সংস্থাকে দেশের বিপুল সংখ্যক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এ ধরনের কর্মসূচি বাস্তবায়নের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। বিশেষ করে বিনামূল্যে প্রশিক্ষণ দেওয়ার প্রস্তাব এবং এর মাধ্যমে বিপুলসংখ্যক শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর তথ্য সংস্থাটির কাছে পৌঁছানোর সম্ভাবনা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন অনেকেই।

কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান গুরুজী শহীদ আল বোখারী মহাজাতক। ছবিঃ সংগৃহীত

শিক্ষা খাতের পর্যবেক্ষকদের মতে, প্রায় ২০ হাজার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মসূচি বাস্তবায়ন মানে লাখ লাখ শিক্ষার্থী ও শিক্ষক এই প্রশিক্ষণের আওতায় আসবেন। ফলে এই উদ্যোগের মাধ্যমে বিশাল একটি নেটওয়ার্ক তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এই প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণকারীদের ব্যক্তিগত তথ্য বা আচরণগত তথ্য সংগ্রহ করা হলে তা কীভাবে ব্যবহৃত হবে, সে প্রশ্নও সামনে এসেছে।

এদিকে অনুসন্ধানী সাংবাদিক জুলকারনাঈন সায়ের সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া তথ্যেও কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। তার প্রকাশ করা তথ্য অনুযায়ী, বান্দরবানের লামা উপজেলায় প্রায় ২৫০০ একর জায়গাজুড়ে কোয়ান্টাম মেথড মেডিটেশন সেন্টার পরিচালনা করছে সংস্থাটি। বিশাল এই কমপ্লেক্সে প্রায় ১২০০ কর্মী কাজ করেন এবং পুরো এলাকা কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থার মধ্যে পরিচালিত হয়।

কেন্দ্রীয় হলরুম

জানা গেছে, সেন্টারটিতে চারটি প্রধান প্রবেশপথ রয়েছে এবং প্রায় ৭০ থেকে ৮০টি ডিউটি পোস্টে নিরাপত্তাকর্মীরা দায়িত্ব পালন করেন। নিরাপত্তাকর্মীরা অস্ত্রবিহীন হলেও নির্দিষ্ট ইউনিফর্ম পরে দিনরাত দায়িত্ব পালন করেন। সংরক্ষিত এলাকায় শিক্ষার্থীদের চলাচল সীমিত থাকে এবং বহিরাগতদের প্রবেশ অনেক ক্ষেত্রে অনুমতিনির্ভর।

স্থানীয় সূত্রগুলো বলছে, লামা মেডিটেশন সেন্টারটি দেশের অন্যতম বড় বেসরকারি মেডিটেশন ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। এখানে নিয়মিত কোর্স, ব্যক্তিত্ব উন্নয়ন প্রশিক্ষণ, জীবনযাপনভিত্তিক কর্মশালা এবং বিভিন্ন আধ্যাত্মিক কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

নব নির্মিত দ্বিতল মেডিটেশন সেন্টার।

কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান শহীদ আল বোখারীকে সংগঠনের অনুসারীরা ‘গুরুজী’ বা ‘মহাজাতক’ নামে সম্বোধন করেন। তিনি কোয়ান্টাম মেথড নামে পরিচিত একটি ধ্যান ও ব্যক্তিত্ব উন্নয়ন পদ্ধতির প্রচারক হিসেবে পরিচিত। সংস্থাটির অনুসারীদের মতে, এই পদ্ধতির মাধ্যমে মানুষ নিজের আত্মবিশ্বাস, মানসিক শক্তি এবং জীবনদর্শন উন্নত করতে পারে।

তবে সমালোচকদের দাবি, সংস্থাটির কার্যক্রম ও সাংগঠনিক কাঠামো সম্পর্কে জনসম্মুখে খুব বেশি তথ্য পাওয়া যায় না। বিশেষ করে লামা মেডিটেশন সেন্টারের বিশাল অবকাঠামো, কর্মীসংখ্যা ও ব্যয়ের উৎস নিয়ে স্পষ্ট ব্যাখ্যা নেই বলে অভিযোগ রয়েছে।

সংস্থাটির পক্ষ থেকে অবশ্য দাবি করা হয়, তাদের কার্যক্রম পরিচালনায় সরকার বা বিদেশি কোনো সংস্থার অর্থায়ন নেই। বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের অনুদান, কোয়ান্টাম মেডিটেশন কোর্সে অংশগ্রহণকারীদের ফি এবং ‘মাটির ব্যাংক’ নামে পরিচিত অনুদান কর্মসূচির মাধ্যমে সংগৃহীত অর্থ দিয়েই তাদের কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

১নং ডিউটি পোস্ট

কিন্তু বিশ্লেষকদের মতে, প্রায় ২৫০০ একর জমির ওপর গড়ে ওঠা একটি বিশাল প্রশিক্ষণ কেন্দ্র পরিচালনা, অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ এবং প্রায় ১২০০ কর্মীর ব্যবস্থাপনায় প্রতি মাসে যে বিপুল ব্যয় হয়, তার অর্থায়নের বিস্তারিত কাঠামো জনসম্মুখে খুব একটা পরিষ্কার নয়।

আরেকটি আলোচিত বিষয় হলো, কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনের প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত অনেক ব্যক্তি দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পেশা ও প্রতিষ্ঠানে কাজ করছেন বলে সংগঠনটির অনুসারীরা দাবি করেন। প্রশাসন, ব্যবসা, শিক্ষা ও বিভিন্ন পেশায় কর্মরত ব্যক্তিদের মধ্যে কোয়ান্টাম মেডিটেশন প্রশিক্ষণপ্রাপ্তদের উপস্থিতি রয়েছে বলেও বিভিন্ন সময়ে উল্লেখ করা হয়েছে।

সমালোচকদের মতে, এই নেটওয়ার্ক কতটা বিস্তৃত এবং এর সাংগঠনিক কাঠামো কীভাবে পরিচালিত হয় তা নিয়ে গবেষণা প্রয়োজন।

এদিকে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য উন্নয়নে উদ্যোগ নেওয়ার বিষয়ে শিক্ষাবিদরা নীতিগতভাবে সমর্থন জানালেও প্রতিষ্ঠান নির্বাচন ও প্রক্রিয়াগত স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার ওপর জোর দিয়েছেন। শিক্ষাবিদ রাশেদা কে চৌধুরী বলেছেন, শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে কাজ করা জরুরি এবং এ ধরনের কার্যক্রমে বেসরকারি সংস্থাকে যুক্ত করা যেতে পারে। তবে সংস্থা নির্বাচন প্রক্রিয়াটি স্বচ্ছ হওয়া প্রয়োজন।

 মানসিক স্বাস্থ্যের চিকিৎসক ডা. আতিকুল হকের মতে, একদিনের প্রশিক্ষণ খুব দীর্ঘমেয়াদি সমাধান নয়, তবে প্রাথমিক সচেতনতা তৈরিতে কিছুটা ভূমিকা রাখতে পারে। তিনি বলেন, মানসিক স্বাস্থ্য উন্নয়নে কার্যকর কর্মসূচির জন্য দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা ও বিনিয়োগ প্রয়োজন।

কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তাদের মেডিটেশন প্রশিক্ষণে খাদ্যাভ্যাস, সময়মতো ঘুম, শৃঙ্খলাবোধ, আচরণ, মানসিক প্রশান্তি এবং স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের নানা দিক শেখানো হয়। প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষকরা শিক্ষার্থীদের এসব অভ্যাস গড়ে তুলতে সহায়তা করবেন এবং নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত পর্যবেক্ষণে রাখবেন।

ধ্যান করার বেদি

তবে সমালোচকদের প্রশ্ন, এত বড় পরিসরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রে সরকারি যাচাই–বাছাই কতটা হয়েছে এবং এর পেছনে কারা উদ্যোগী ছিলেন তা পরিষ্কার হওয়া প্রয়োজন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যেকোনো মানসিক স্বাস্থ্য বা জীবনদক্ষতা কর্মসূচি চালুর ক্ষেত্রে বৈজ্ঞানিক গবেষণা, প্রশিক্ষকের যোগ্যতা, তথ্য সুরক্ষা এবং প্রশাসনিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা জরুরি।

এদিকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মসূচি বাস্তবায়নের নির্দেশনা স্থগিত হওয়ায় আপাতত বিষয়টি নতুন করে পর্যালোচনার সুযোগ তৈরি হয়েছে। সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, বিষয়টি নিয়ে স্বচ্ছ তদন্ত ও নীতিগত মূল্যায়ন হলে একদিকে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য উদ্যোগের পথ পরিষ্কার হবে, অন্যদিকে কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনকে ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্ক ও প্রশ্নেরও জবাব মিলতে পারে।

কর্মচারীদের খাবার স্থান

পর্যবেক্ষকদের মতে, কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন দীর্ঘদিন ধরে দেশে মেডিটেশন ও ব্যক্তিত্ব উন্নয়নমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করলেও সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহে তাদের সংগঠন কাঠামো, অর্থায়ন, প্রশিক্ষণ পদ্ধতি এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে আরও গভীর অনুসন্ধান প্রয়োজন হয়ে উঠেছে।

শিক্ষা খাতের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত এই উদ্যোগটি স্থগিত হওয়ায় এখন প্রশ্ন উঠেছে, ভবিষ্যতে এই কর্মসূচি আদৌ বাস্তবায়ন হবে কি না এবং হলে কোন প্রক্রিয়ায় হবে। একই সঙ্গে কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনের কার্যক্রম, অর্থায়ন ও প্রভাব নিয়ে যে বিতর্ক শুরু হয়েছে, তা এখন সংশ্লিষ্ট মহলের নজর কাড়ছে।

অনেকেই মনে করছেন, বিষয়টি শুধু একটি প্রশিক্ষণ কর্মসূচির প্রশ্ন নয়। বরং এটি দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা, মানসিক স্বাস্থ্য উদ্যোগ এবং বেসরকারি সংস্থার ভূমিকা নিয়ে বৃহত্তর একটি আলোচনার দরজা খুলে দিয়েছে।

এই শাখার আরও খবর

উঠে যাচ্ছে যানবাহনে তেল রেশনিং, পর্যাপ্ত তেল পাবে দূরপাল্লা ও গণপরিবহন

মেলবোর্ন, ১৪ মার্চ- দেশে জ্বালানি সংকটের প্রেক্ষাপটে গণপরিবহনের জন্য তেলের রেশনিং পদ্ধতি বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম শনিবার…

কারাগার থেকে মুক্তি পেলেন সাংবাদিক আনিস আলমগীর

মেলবোর্ন, ১৪ মার্চ- জামিনে মুক্তি পেয়েছেন সাংবাদিক আনিস আলমগীর। শনিবার (১৪ মার্চ) দুপুর ২টা ৩৫ মিনিটে গাজীপুরের কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগার-২ থেকে তিনি জামিনে…

ইরান যুদ্ধে আমাদের জড়াতে কে অনুমতি দিল: বন্ধু ট্রাম্পকে আমিরাতের ধনকুবেরের প্রশ্ন

মেলবোর্ন, ১৪ মার্চ- সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রভাবশালী ব্যবসায়ী খালাফ আহমদ আল-হাবতুর হঠাৎ করেই আন্তর্জাতিক রাজনীতির আলোচনার কেন্দ্রে চলে এসেছেন। উপসাগরীয় অঞ্চলের অন্যতম ধনী উদ্যোক্তা হিসেবে…

ইরানে আড়াই হাজার মেরিন সেনা পাঠাচ্ছে ওয়াশিংটন, সঙ্গে রয়েছে ‘উভচর’ যুদ্ধজাহাজ

মেলবোর্ন, ১৪ মার্চ- ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চলমান সংঘাতে নতুন মাত্রা যুক্ত হয়েছে। প্রথমবারের মতো প্রায় ২ হাজার ৫০০ মার্কিন মেরিন সেনাকে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধক্ষেত্রে…

সালমান আগার রানআউট ঘিরে বিতর্ক, ক্রিকেটের নিয়ম কী বলে

মেলবোর্ন, ১৪ মার্চ- বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যকার দ্বিতীয় ওয়ানডে ম্যাচে জয়–পরাজয়ের হিসাবের চেয়ে বেশি আলোচনায় এসেছে একটি রানআউট। পাকিস্তান অধিনায়ক সালমান আলি আগাকে বাংলাদেশের অলরাউন্ডার…

মধ্যপ্রাচ্যে ‘যুদ্ধঝুঁকি’ ব্যয় বাড়ায় অস্ট্রেলিয়ার বাণিজ্য ঝুঁকিতে

মেলবোর্ন, ১৪ মার্চ- মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনা ও সংঘাতের কারণে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে ‘যুদ্ধঝুঁকি’ সংক্রান্ত ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এর প্রভাব পড়ছে অস্ট্রেলিয়ার বাণিজ্য ব্যবস্থায়, যা দেশটির…

স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au