বিশ্ব

ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে অপসারণে আনা প্রস্তাব খারিজ

ভোটের আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আরেক পরাজয়

  • 2:40 pm - April 07, 2026
  • পঠিত হয়েছে:২১০ বার

মেলবোর্ন, ৭ এপ্রিল- ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে অপসারণ করতে বিরোধীদলের আনা ইমপিচমেন্ট প্রস্তাবের নোটিস সরাসরি খারিজ করে দিয়েছেন লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা এবং রাজ্যসভার চেয়ারম্যান সিপি রাধাকৃষ্ণণ।

গত ১২ মার্চ পক্ষপাতিত্বসহ নানা অভিযোগে কংগ্রেস, তৃণমূল কংগ্রেস, সমাজবাদী পার্টি, ডিএম এবং আরও কয়েকটি দল জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে এই প্রস্তাব এনেছিল। ভারতের সংসদের দুই কক্ষই সোমবার তা গ্রহণ না করার কথা জানায়।

এর আগে গত ৩ ফেব্রুয়ারি সংসদের দুই কক্ষের দলীয় সাংসদদের সঙ্গে বৈঠক করেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সেই বৈঠকেই দলের সর্বোচ্চ নেতৃত্ব থেকে সাংসদদেরকে নির্দেশ দেওয়া হয়, জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে ইমপিচমেন্ট প্রস্তাবের বিষয়ে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি শুরু করতে।

ভারতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার পদ সাংবিধানিক পদ। সেই সাংবিধানিক পদে থাকার ব্যক্তির বিরুদ্ধে ইমপিচমেন্ট প্রস্তাব আনতে গেলে অন্তত ১০০ জন সাংসদের স্বাক্ষর প্রয়োজন হয়। লোকসভা এবং রাজ্যসভা মিলিয়ে তৃণমূলের সেই সংখ্যা মাত্র ৪১ জন।

এরপর সমমনোভাবাপন্ন দলগুলো- বিশেষ করে বিজেপি বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’র শরিকদের কাছে তৃণমূল সমর্থন চায়। সব মিলিয়ে জ্ঞানেশকে অপসারণের প্রস্তাব সংক্রান্ত নোটিসে ১৯৩ জন বিরোধী সাংসদ (লোকসভার ১৩০, রাজ্যসভার ৬০) সই করেছিলেন। কিন্তু কোনও কক্ষেই তা বিতর্কের জন্য গৃহীত হয়নি।

পক্ষপাতিত্ব ছাড়াও জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে আরও কিছু সুনির্দিষ্ট অভিযোগ আনা হয়েছিল। তার মধ্যে অন্যতম, তাঁর নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অনিয়ম। এছাড়াও লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীর বিরুদ্ধে আপত্তিকর মন্তব্য, নিয়োগ প্যানেলের বৈঠকে জ্ঞানেশের নামে আপত্তি জানিয়ে রাহুল গান্ধীর দেওয়া ‘নোট অব ডিসেন্ট’, ভোট কারচুপিতে মদত এবং ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) নিয়েও আপত্তি।

মূলত পশ্চিমবঙ্গসহ যে পাঁচটি রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন হতে যাচ্ছে, তার আগে ভোটার তালিকা থেকে ভুয়া নাম বাদ দিতে এসআইআর প্রক্রিয়া শুরু করে নির্বাচন কমিশন। অন্য রাজ্যগুলোতে এই প্রক্রিয়া সুষ্ঠুভাবে শেষ হলেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরোধীতার কারণে পশ্চিমবঙ্গে তা নিয়ে জটিলতা তৈরি করা হয়। রাজ্যে বিজেপিসহ বিরোধীদলগুলোর অভিযোগ, ভুয়া ভোটারদের ভোটে নির্বাচিত হয় তৃণমূল। এবার যখন তা বন্ধের উদ্যোগ নিয়েছে নির্বাচন কমিশন, তখন তার তীব্র বিরোধীতা শুরু করেছে মমতা।

এমন বিতর্কের মধ্যেই রাজ্যের ভোটার তালিকা থেকে প্রায় ৯১ লাখ নাম বাদ পড়েছে। যাদের মধ্যে কমপক্ষে ৬০ লাখ মৃত ভোটার। অভিযোগ রয়েছে, এসব মৃত ভোটারের ভোটও তৃণমূল নেতারা নিজেদের প্রার্থীদের দিতে বাধ্য করতো।

এই শাখার আরও খবর

দীর্ঘ সময় ইতালির ক্ষমতায় থাকা মেলোনিকে মোদির শুভেচ্ছা, কী ছিল বার্তায়?

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইতালির সবচেয়ে দীর্ঘ সময় দায়িত্ব পালন করা প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নতুন রেকর্ড গড়েছেন জর্জিয়া মেলোনি। এই সাফল্যে তাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র…

বিশ্ববাজারে খাদ্যপণ্যের দাম ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ: জাতিসংঘ

জলবায়ু পরিবর্তন, যুদ্ধ এবং বাণিজ্যিক অস্থিরতার প্রভাবে বিশ্ববাজারে খাদ্যপণ্যের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। গত আগস্টে আন্তর্জাতিক খাদ্যপণ্যের মূল্যসূচক বেড়ে ২০২২ সালের নভেম্বরের পর সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে…

অটো পাইলট মোডে মহাসড়কের মাঝখানে থেমে যায় টেসলা, পেছন থেকে ট্রাকের ধাক্কায় চালক নিহত

যুক্তরাষ্ট্রের অ্যারিজোনায় গভীর রাতে ব্যস্ত মহাসড়কের মাঝখানে একটি টেসলা গাড়ি হঠাৎ সম্পূর্ণ থেমে যাওয়ার পর পেছন থেকে আসা বিশালাকৃতির ফোর্ড এফ-৩৫০ পিকআপ ট্রাকের ধাক্কায় গাড়িটির…

বন্ডাই সন্ত্রাসী হামলার আগে ইহুদিবিদ্বেষের হুমকি অবমূল্যায়িত হয়েছিল: মাইক বার্জেস

সিডনি: বন্ডাই সন্ত্রাসী হামলার আগে অস্ট্রেলিয়ায় ক্রমবর্ধমান ইহুদিবিদ্বেষের ভয়াবহতা নেতৃত্বস্থানীয় ব্যক্তিরা যথাযথভাবে উপলব্ধি করতে পারেননি বলে মন্তব্য করেছেন অস্ট্রেলিয়ান সিকিউরিটি ইন্টেলিজেন্স অর্গানাইজেশনের (এএসআইও) মহাপরিচালক মাইক…

মাদরাসায় সাত বছরের শিশুকে ছয় মাস ধরে বলাৎকার করছিলেন ৬জন

সাভার পৌর এলাকার শাহীবাগ মহল্লার মারকাযুল উলূম আশ-শরইয়্যাহ মাদরাসায় সাত বছরের এক শিশু শিক্ষার্থীকে প্রায় ছয় মাস ধরে বিভিন্ন সময়ে বলাৎকার ও শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ…

বাংলাদেশে পানির লবণাক্ততা: নীরব স্বাস্থ্যঝুঁকিতে উপকূলের মানুষ

বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে নিরাপদ পানীয় জল দিন দিন দুর্লভ হয়ে উঠছে। জলবায়ু পরিবর্তন, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, জলোচ্ছ্বাস ও নদীপথে লবণাক্ত পানি প্রবেশের কারণে উপকূলের বিস্তীর্ণ…

স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au