ভিয়েতনামের নতুন রাষ্ট্রপতি কমিউনিস্ট পার্টির নেতা তো লাম
মেলবোর্ন, ৭ এপ্রিল- ভিয়েতনামের আইনসভা মঙ্গলবার সর্বসম্মতিক্রমে কমিউনিস্ট পার্টির সাধারণ সম্পাদক তো লামকে আগামী পাঁচ বছরের জন্য দেশের রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত করেছে। এ পদপ্রাপ্তির মাধ্যমে তিনি…
মেলবোর্ন, ৭ এপ্রিল- ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে অপসারণ করতে বিরোধীদলের আনা ইমপিচমেন্ট প্রস্তাবের নোটিস সরাসরি খারিজ করে দিয়েছেন লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা এবং রাজ্যসভার চেয়ারম্যান সিপি রাধাকৃষ্ণণ।
গত ১২ মার্চ পক্ষপাতিত্বসহ নানা অভিযোগে কংগ্রেস, তৃণমূল কংগ্রেস, সমাজবাদী পার্টি, ডিএম এবং আরও কয়েকটি দল জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে এই প্রস্তাব এনেছিল। ভারতের সংসদের দুই কক্ষই সোমবার তা গ্রহণ না করার কথা জানায়।
এর আগে গত ৩ ফেব্রুয়ারি সংসদের দুই কক্ষের দলীয় সাংসদদের সঙ্গে বৈঠক করেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সেই বৈঠকেই দলের সর্বোচ্চ নেতৃত্ব থেকে সাংসদদেরকে নির্দেশ দেওয়া হয়, জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে ইমপিচমেন্ট প্রস্তাবের বিষয়ে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি শুরু করতে।
ভারতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার পদ সাংবিধানিক পদ। সেই সাংবিধানিক পদে থাকার ব্যক্তির বিরুদ্ধে ইমপিচমেন্ট প্রস্তাব আনতে গেলে অন্তত ১০০ জন সাংসদের স্বাক্ষর প্রয়োজন হয়। লোকসভা এবং রাজ্যসভা মিলিয়ে তৃণমূলের সেই সংখ্যা মাত্র ৪১ জন।
এরপর সমমনোভাবাপন্ন দলগুলো- বিশেষ করে বিজেপি বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’র শরিকদের কাছে তৃণমূল সমর্থন চায়। সব মিলিয়ে জ্ঞানেশকে অপসারণের প্রস্তাব সংক্রান্ত নোটিসে ১৯৩ জন বিরোধী সাংসদ (লোকসভার ১৩০, রাজ্যসভার ৬০) সই করেছিলেন। কিন্তু কোনও কক্ষেই তা বিতর্কের জন্য গৃহীত হয়নি।
পক্ষপাতিত্ব ছাড়াও জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে আরও কিছু সুনির্দিষ্ট অভিযোগ আনা হয়েছিল। তার মধ্যে অন্যতম, তাঁর নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অনিয়ম। এছাড়াও লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীর বিরুদ্ধে আপত্তিকর মন্তব্য, নিয়োগ প্যানেলের বৈঠকে জ্ঞানেশের নামে আপত্তি জানিয়ে রাহুল গান্ধীর দেওয়া ‘নোট অব ডিসেন্ট’, ভোট কারচুপিতে মদত এবং ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) নিয়েও আপত্তি।
মূলত পশ্চিমবঙ্গসহ যে পাঁচটি রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন হতে যাচ্ছে, তার আগে ভোটার তালিকা থেকে ভুয়া নাম বাদ দিতে এসআইআর প্রক্রিয়া শুরু করে নির্বাচন কমিশন। অন্য রাজ্যগুলোতে এই প্রক্রিয়া সুষ্ঠুভাবে শেষ হলেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরোধীতার কারণে পশ্চিমবঙ্গে তা নিয়ে জটিলতা তৈরি করা হয়। রাজ্যে বিজেপিসহ বিরোধীদলগুলোর অভিযোগ, ভুয়া ভোটারদের ভোটে নির্বাচিত হয় তৃণমূল। এবার যখন তা বন্ধের উদ্যোগ নিয়েছে নির্বাচন কমিশন, তখন তার তীব্র বিরোধীতা শুরু করেছে মমতা।
এমন বিতর্কের মধ্যেই রাজ্যের ভোটার তালিকা থেকে প্রায় ৯১ লাখ নাম বাদ পড়েছে। যাদের মধ্যে কমপক্ষে ৬০ লাখ মৃত ভোটার। অভিযোগ রয়েছে, এসব মৃত ভোটারের ভোটও তৃণমূল নেতারা নিজেদের প্রার্থীদের দিতে বাধ্য করতো।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au