হাম পরিস্থিতি উদ্বেগজনক: একদিনে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু
মেলবোর্ন, ১৪ এপ্রিল- দেশে ছোঁয়াচে রোগ হাম-এর প্রাদুর্ভাব উদ্বেগজনক আকার ধারণ করেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় হাম আক্রান্ত হয়ে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে, একই সময়ে হামের…
মেলবোর্ন, ১৪ এপ্রিল- জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান ও চার সদস্য খোলা চিঠির মাধ্যমে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করে কার্যত ‘বিদায়ের’ বার্তা দিয়েছেন, যদিও আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগের কথা অস্বীকার করেছেন তারা। সংশ্লিষ্ট অধ্যাদেশ বাতিল হওয়ায় তাদের নিয়োগ স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়েছে কি না, তা নিয়েই তৈরি হয়েছে এই অনিশ্চয়তা।
সোমবার কমিশনের চেয়ারম্যান বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরীসহ সদস্য নূর খান, শরিফুল ইসলাম, ইলিরা দেওয়ান ও নাবিলা ইদ্রিস জনতা ও সরকারের উদ্দেশে যৌথভাবে এই খোলা চিঠি দেন। চিঠির শুরুতেই নিজেদের ‘সদ্য বিদায়ী মানবাধিকার কমিশনার’ হিসেবে উল্লেখ করেন তারা, যা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে বিভিন্ন মহলে।
তবে কমিশনের সদস্য নূর খান পরিষ্কারভাবে বলেন, তারা পদত্যাগ করেননি এবং সরকারও তাদের পদত্যাগ করতে বলেনি। তার ভাষ্য, যে আইনের ভিত্তিতে তারা নিয়োগপ্রাপ্ত হয়েছিলেন, সেটি সংসদে বাতিল হয়ে যাওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই তাদের অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। যদিও বিষয়টি এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে স্পষ্ট নয়।
প্রেক্ষাপট হিসেবে জানা যায়, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ-২০২৫’ জারি করে কমিশন পুনর্গঠন করা হয়েছিল। পরে জাতীয় সংসদে ওই অধ্যাদেশ বাতিল করে ২০০৯ সালের আইন পুনঃপ্রচলনের বিল পাস করা হয়। এর ফলে বর্তমান কমিশনের সদস্যদের নিয়োগ কার্যত বাতিল হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
খোলা চিঠিতে তিনটি মূল বিষয় তুলে ধরা হয়েছে। প্রথমত, সংসদে কমিশন নিয়ে উপস্থাপিত কিছু ‘ভুল তথ্যের’ জবাব দেওয়া হয়েছে। দ্বিতীয়ত, অধ্যাদেশ বাতিলের পেছনে সরকারের প্রকৃত আপত্তিগুলো চিহ্নিত করার চেষ্টা করা হয়েছে। তৃতীয়ত, ভবিষ্যতে একটি কার্যকর ও শক্তিশালী মানবাধিকার আইন প্রণয়নের বিষয়ে প্রস্তাব রাখা হয়েছে।
চিঠির শেষাংশে কমিশন সদস্যরা উল্লেখ করেন, সরকারের অবস্থানে একটি মৌলিক দ্বন্দ্ব রয়েছে। একদিকে শক্তিশালী আইন প্রণয়নের কথা বলা হচ্ছে, অন্যদিকে যে আপত্তিগুলো তোলা হয়েছে, সেগুলো মেনে চললে পুনর্বহাল হওয়া আইনটি দুর্বল হয়ে পড়তে পারে।
২০২৪ সালে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর মানবাধিকার কমিশনের পুনর্গঠন এবং পরবর্তী সময়ে আইনি পরিবর্তনের ফলে এই সংস্থাটির কার্যক্রম ও ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। এখন সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে কী অবস্থান নেয়, সেটিই নির্ধারণ করবে কমিশনের বর্তমান সদস্যদের পরিণতি।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au