ধানমন্ডি ৩২ ঘিরে কঠোর নিরাপত্তা, শ্রদ্ধা জানাতে এসে যুবক আটক
মেলবোর্ন, ১৫ আগষ্ট- রাজধানীর ধানমন্ডি ৩২ নম্বর এলাকায় ১৫ আগস্টকে কেন্দ্র করে কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যেই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানাতে আসা…
মেলবোর্ন, ১৫ আগষ্ট- কক্সবাজারের মহেশখালীতে এক্সিলারেট এনার্জি পরিচালিত ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল থেকে আবারও গ্যাস সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেছে। শুক্রবার বিকেল ৪টার দিকে কারিগরি ত্রুটির কারণে টার্মিনালটির কার্যক্রম বন্ধ হয়। রাত সাড়ে ৯টা পর্যন্ত জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হয়নি।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, টার্মিনালটি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় দেশের চলমান গ্যাস সংকট আরও তীব্র হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বন্ধ হওয়ার আগে এক্সিলারেটের টার্মিনাল থেকে প্রতিদিন প্রায় ২৫০ থেকে ৩০০ মিলিয়ন ঘনফুট এলএনজি জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হচ্ছিল।
এর আগে গত ২১ জুলাই অগ্নিদুর্ঘটনার পর এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনালটি দীর্ঘ সময়ের জন্য বন্ধ হয়ে যায়। এতে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায় এবং দেশের বিভিন্ন খাতে সংকট দেখা দেয়। বিশেষ করে আবাসিক রান্না, শিল্পকারখানা ও বিদ্যুৎ উৎপাদনে এর প্রভাব পড়ে। একই সময়ে দেশের বিভিন্ন সিএনজি স্টেশনেও গ্যাসের সংকট দেখা দেওয়ায় যানবাহনের দীর্ঘ সারি তৈরি হয়।
পরিস্থিতি সামাল দিতে গত ৬ আগস্ট টার্মিনালটি আংশিকভাবে চালু করা হয়। একটি বয়লার ব্যবহার করে ধীরে ধীরে গ্যাস সরবরাহ শুরু করা হয়েছিল। তবে চালুর কয়েক দিনের মধ্যেই আবারও কারিগরি ত্রুটির কারণে টার্মিনালটির কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেল।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, এক্সিলারেটের টার্মিনাল দীর্ঘ সময় বন্ধ থাকলে জাতীয় গ্রিডে এলএনজি সরবরাহের ঘাটতি আরও বাড়বে। এর ফলে শিল্পকারখানা, বিদ্যুৎকেন্দ্র, সিএনজি স্টেশন এবং আবাসিক গ্রাহকদের ওপর গ্যাস সংকটের চাপ আরও বাড়তে পারে।
এদিকে মহেশখালীতে আরেকটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল পরিচালনাকারী সামিটের সরবরাহ নিয়েও সাম্প্রতিক সময়ে জটিলতা তৈরি হয়েছিল। সাগর উত্তাল থাকায় বৃহস্পতিবার সামিটের টার্মিনাল থেকে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। পরে শুক্রবার সন্ধ্যায় সামিট থেকে আবার গ্যাস সরবরাহ শুরু হলেও তখন জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ ছিল মাত্র ১১০ মিলিয়ন ঘনফুট।
সামিট কর্তৃপক্ষ রাতের মধ্যে সরবরাহ বাড়ানোর চেষ্টা করছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। তবে এক্সিলারেটের টার্মিনাল বন্ধ থাকায় সামিটের সরবরাহ বাড়ালেও সামগ্রিক ঘাটতি পুরোপুরি পূরণ করা সম্ভব হবে না বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
ফলে দেশের গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক হওয়ার সম্ভাবনা কম। এলএনজি টার্মিনালের কারিগরি সমস্যা এবং সমুদ্রের বৈরী আবহাওয়ার কারণে সরবরাহে বারবার বিঘ্ন ঘটায় শিল্প ও বিদ্যুৎ খাতের পাশাপাশি সাধারণ গ্রাহকদেরও আরও কিছুদিন গ্যাস সংকট ও ভোগান্তির মধ্যে থাকতে হতে পারে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au