হেফাজতের রায়, মেয়েকে গুলি করে মায়ের আত্মহত্যা
যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে মেয়ের হেফাজত নিয়ে আইনি লড়াইয়ে হারের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই চার বছর বয়সী মেয়েকে গুলি করে হত্যা করেছেন এক মা। পরে নিজের জীবনও শেষ…
লাতিন আমেরিকায় বৈশ্বিক প্রভাবের বিচারে প্রথমবারের মতো যুক্তরাষ্ট্রকে পেছনে ফেলেছে চীন। চিলিভিত্তিক গবেষণা সংস্থা ল্যাটিনোবারোমেট্রোর ২০২৬ সালের এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, লাতিন আমেরিকার অধিকাংশ মানুষ এখন যুক্তরাষ্ট্রের তুলনায় চীনের বৈশ্বিক প্রভাবকে বেশি ইতিবাচকভাবে দেখছে।
সমীক্ষার তথ্য অনুযায়ী, লাতিন আমেরিকার ১৭টি দেশের ৬৫ শতাংশ মানুষ চীনের প্রভাবকে ইতিবাচক হিসেবে দেখেছে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবকে ইতিবাচক হিসেবে দেখেছে ৫৭ শতাংশ মানুষ। অর্থাৎ প্রভাবের ইতিবাচক মূল্যায়নের ক্ষেত্রে চীন যুক্তরাষ্ট্রের চেয়ে ৮ শতাংশীয় পয়েন্ট এগিয়ে রয়েছে।
ল্যাটিনোবারোমেট্রোর তথ্য বলছে, ২০২০ সালে লাতিন আমেরিকায় চীনের প্রভাবকে ইতিবাচক হিসেবে দেখত ৪৮ শতাংশ মানুষ। কয়েক বছরের ব্যবধানে সেই হার বেড়ে ৬৫ শতাংশে পৌঁছেছে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেত্রে জনপ্রিয়তার হার কমেছে। প্রতিবেদনে এই পরিবর্তনের পেছনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের কঠোর নীতির প্রভাবের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
সমীক্ষায় অংশ নেওয়া ১৭টি দেশের মধ্যে কেবল কোস্টারিকা ও ডমিনিকান প্রজাতন্ত্রে চীনের তুলনায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবকে বেশি ইতিবাচকভাবে দেখা হয়েছে। বাকি দেশগুলোতে চীনের প্রভাবের ইতিবাচক মূল্যায়ন তুলনামূলকভাবে বেশি ছিল।
তবে বৈশ্বিক প্রভাবের ইতিবাচক মূল্যায়নে চীন এগিয়ে থাকলেও সামগ্রিকভাবে কোন দেশকে বেশি পছন্দ করেন, সেই প্রশ্নে এখনো যুক্তরাষ্ট্র এগিয়ে রয়েছে। সমীক্ষা অনুযায়ী, লাতিন আমেরিকার ৬৩ শতাংশ মানুষ যুক্তরাষ্ট্রকে পছন্দ করে। চীনকে পছন্দ করে ৫৮ শতাংশ মানুষ। অর্থাৎ সামগ্রিক পছন্দের ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র চীনের চেয়ে ৫ শতাংশীয় পয়েন্ট এগিয়ে আছে।
সমীক্ষায় লাতিন আমেরিকার মানুষের যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গির পাশাপাশি আঞ্চলিক বিভিন্ন রাজনৈতিক ঘটনাও উঠে এসেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভেনেজুয়েলার সাবেক নেতা নিকোলাস মাদুরোকে মার্কিন বাহিনীর গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিয়ে আর্জেন্টিনা ছাড়া বাকি সব দেশের অধিকাংশ মানুষ সমর্থন জানিয়েছে।
ল্যাটিনোবারোমেট্রোর এই সমীক্ষা পরিচালনার জন্য মে থেকে জুন মাসের মধ্যে লাতিন আমেরিকার বিভিন্ন দেশে প্রায় ১৯ হাজার ২০০ মানুষের মুখোমুখি সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়। এসব সাক্ষাৎকারের তথ্যের ভিত্তিতেই ১৭টি দেশের মানুষের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের প্রভাব এবং জনপ্রিয়তা সম্পর্কে ধারণা পাওয়া গেছে।
সমীক্ষার ফলাফল অনুযায়ী, লাতিন আমেরিকায় চীনের প্রভাব সম্পর্কে ইতিবাচক ধারণা গত কয়েক বছরে উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাব নিয়ে মানুষের মূল্যায়নে পরিবর্তন এসেছে। তবে প্রভাবের ইতিবাচক মূল্যায়নে চীন এগিয়ে গেলেও সামগ্রিকভাবে দেশ হিসেবে পছন্দের ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র এখনো এগিয়ে রয়েছে।
সুত্রঃ আল জাজিরা
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au