ইসলামাবাদ আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্রের অংশগ্রহণ নিয়ে অস্পষ্টতা
মেলবোর্ন, ২৫ এপ্রিল- পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সম্ভাব্য শান্তি আলোচনা ঘিরে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা। আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্রের অংশগ্রহণ নিয়ে এখনও স্পষ্ট কোনো অবস্থান পাওয়া…
মেলবোর্ন, ১৪ জুলাই-
অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজ এক দেড় সপ্তাহের সফরে চীনে গেছেন, যা দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও কৌশলগত সম্পর্ক আরও গভীর করতে গুরুত্ব বহন করছে। সফরের শুরুতে তিনি সাংহাইয়ে নতুন পর্যটন প্রচারণার উদ্বোধন করেন, যেখানে চীনা পর্যটকদের অস্ট্রেলিয়া ভ্রমণে উৎসাহিত করতে ‘Come and Say G’day’ শিরোনামের প্রচার চালু করা হয়।
পরবর্তীতে আলবানিজ চীনা ইস্পাত শিল্পের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। এ সময় তিনি পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি ব্যবহার করে অস্ট্রেলিয়ান লৌহ আকরের (আয়রন অর) মাধ্যমে কিভাবে গ্রিন স্টিল উৎপাদন বাড়ানো যায়, তা নিয়ে আলোচনা করেন। এতে দুই দেশের অর্থনৈতিক স্বার্থ ও জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলার লক্ষ্যকে একসাথে এগিয়ে নেওয়ার বার্তা স্পষ্ট হয়েছে।
তবে সফরের পেছনে রয়েছে বেশ কিছু চ্যালেঞ্জ ও কৌশলগত টানাপোড়েন। ডারউইন বন্দরের ৯৯ বছরের জন্য লিজ ইস্যুতে অস্ট্রেলিয়া পুনর্বিবেচনা করছে, যা নিয়ে চীন অসন্তোষ প্রকাশ করেছে। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে গঠিত নিরাপত্তা চুক্তি AUKUS-এর বিষয়েও আলবানিজ সরাসরি কোন প্রতিশ্রুতি দেননি। ফলে দুই দেশের মধ্যে নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা নিয়ে সাবধানী অবস্থান বজায় আছে।
চীনা সরকারের পক্ষ থেকেও সফরকে ইতিবাচকভাবে দেখা হয়েছে। উভয় দেশের মধ্যে বাণিজ্য সম্পর্ক মজবুত করা, দ্বিপক্ষীয় উত্তেজনা কমানো এবং ভবিষ্যতের জন্য আরও ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার বার্তা স্পষ্ট হয়েছে এই সফরে।
চীন ও অস্ট্রেলিয়ার সম্পর্কের দিকে তাকালে দেখা যায়, বাণিজ্যই এই সম্পর্কের মূল ভিত্তি। চীন অস্ট্রেলিয়ার বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদার, বিশেষত খনিজ, কয়লা, লোহা ও শিক্ষা খাতে। রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা ইস্যুতে মতপার্থক্য থাকলেও
উভয় দেশই অর্থনৈতিক স্বার্থ রক্ষায় একে অপরের সঙ্গে সম্পর্ক রাখার গুরুত্ব বোঝে। এই সফর সেই সম্পর্ককে নতুনভাবে উষ্ণ করারই একটি বড় উদ্যোগ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
সুত্রঃ নাইন নিউজ
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au