জার্মানিতে ব্যাংকে একাধিক জিম্মি, এলাকা ঘিরে রেখেছে পুলিশ
মেলবোর্ন, ৮ মে- জার্মানির পশ্চিমাঞ্চলের সিনজিগ শহরের একটি ব্যাংকে একাধিক ব্যক্তিকে জিম্মি করার ঘটনায় চরম উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। শুক্রবার (৮ মে) সকালে সংঘটিত এই ঘটনার পর…
মেলবোর্ন, ৮ মে- দীর্ঘদিনের সমালোচনা, প্রশাসনিক অস্থিরতা ও বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনায় অনিয়মের অভিযোগের মুখে অস্ট্রেলিয়ান ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির (এএনইউ) চ্যান্সেলর পদ থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী জুলি বিশপ। বৃহস্পতিবার রাতে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হওয়া পদত্যাগের ঘোষণা দেন।
২০২০ সাল থেকে এএনইউর চ্যান্সেলরের দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন জুলি বিশপ। পদত্যাগের ঘোষণায় তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের নেতৃত্ব দেওয়া তার জন্য বড় সম্মানের বিষয় ছিল। তবে একই সঙ্গে তিনি উচ্চশিক্ষা নিয়ন্ত্রক সংস্থা টারশিয়ারি এডুকেশন কোয়ালিটি অ্যান্ড স্ট্যান্ডার্ডস এজেন্সির (টিইকিউএসএ) তদন্ত এবং বহুমুখী চাপের বিষয়টিও উল্লেখ করেন।
বিশপ দাবি করেন, বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনায় নিয়ন্ত্রক সংস্থার “অভূতপূর্ব ও সমন্বিত হস্তক্ষেপ” প্রতিষ্ঠানটির ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ তৈরি করেছে। তার ভাষায়, এই পরিস্থিতির সবচেয়ে বড় ক্ষতির শিকার হতে পারেন আগামী প্রজন্মের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা।
গত কয়েক মাস ধরে বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্থিক সংকট, বাজেট কাটছাঁট, পুনর্গঠন পরিকল্পনা এবং নেতৃত্বের বিরুদ্ধে হয়রানি ও দুর্বল ব্যবস্থাপনার অভিযোগ ঘিরে তীব্র বিতর্ক চলছিল। শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং কয়েকজন রাজনীতিক ২০২৫ সাল থেকেই জুলি বিশপের পদত্যাগ দাবি করে আসছিলেন।
তার পদত্যাগের খবরে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন অস্ট্রেলিয়ার বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতা। লেবার সিনেটর ক্যাটি গ্যালাঘার এক বিবৃতিতে এটিকে “ভবিষ্যতের জন্য ছোট্ট আশার সংকেত” বলে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের নেতৃত্ব ও কাউন্সিলকে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও বৃহত্তর সম্প্রদায়ের সঙ্গে খোলামেলা ও গঠনমূলকভাবে কাজ করে আস্থা ফিরিয়ে আনতে হবে।
স্বতন্ত্র সিনেটর ডেভিড পোককও মনে করেন, এই পদত্যাগ বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বার্থেই হয়েছে। তিনি বলেন, যখন একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের নেতৃত্বে গুরুতর ব্যর্থতা দেখা দেয়, তখন জবাবদিহি নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।
এদিকে, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নতুন চ্যান্সেলর নিয়োগে স্বাধীন ও স্বচ্ছ প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হবে। বিশ্লেষকদের মতে, এই পদত্যাগ এএনইউতে চলমান সংকট মোকাবিলা এবং আস্থা পুনর্গঠনের নতুন সুযোগ তৈরি করতে পারে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au