বাংলাদেশ

অনলাইনে ঋণের নামে প্রতারণা, ব্যক্তিগত তথ্য নিয়ে ব্ল্যাকমেইল

  • 9:21 pm - August 24, 2026
  • পঠিত হয়েছে:৪৭ বার
অনলাইনে ঋণ প্রতারণা ও ব্ল্যাকমেইল।ফাইল ছবি

মেলবোর্ন, ২৪ আগষ্ট- প্রতারণার টোপটা খুব সহজ। কম সুদে ঋণ দেওয়ার কথা বলা হয়। আবার অল্প টাকা বিনিয়োগ করে দ্রুত অনেক বেশি লাভের আশ্বাস দেওয়া হয়। আর এসবের প্রলোভনে পড়ে মানুষ তার কষ্টের জমানো টাকা হারাচ্ছেন।

প্রতারকেরা নানা উপায়ে মানুষের কাছে পৌঁছায়। ফোন, খুদে বার্তা, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিজ্ঞাপন, সবই তাদের মাধ্যম। তবে সম্প্রতি ভুক্তভোগীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ফেসবুক এখন প্রতারকদের অন্যতম পছন্দের জায়গা। বিশেষ করে আর্থিক সংকটে থাকা এবং সাইবার অপরাধ সম্পর্কে কম জানেন, এমন নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষই বেশি টার্গেট হচ্ছেন।

গৃহিণী তৌহিদা আক্তারের কথাই ধরা যাক। ফেসবুকে তিনি এমন একটি পেজ দেখতে পান, যেখানে ৫০ হাজার থেকে ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ দেওয়ার কথা বলা হচ্ছিল। সুদের হার বলা হয়েছিল মাত্র ৫ শতাংশ। বর্তমানে ব্যাংকের ঋণের সুদের তুলনায় এটা অনেক কম।

সংসারে আর্থিক টানাপোড়েন চলছিল তৌহিদার। টাকারও খুব প্রয়োজন ছিল। তাই তিনি ওই পেজে যোগাযোগ করেন। পেজটির নাম ছিল ‘আশার আলো ফাউন্ডেশন’।

ঋণের আবেদন ফরম ও স্ট্যাম্পের জন্য তৌহিদার কাছে ৪৫০ টাকা চাওয়া হয়। টাকা দেওয়ার পর তাকে বলা হয়, ঋণ পাওয়ার আগে ১ লাখ টাকা জামানত হিসেবে জমা দিতে হবে। দুই কিস্তি পরিশোধের পর ওই টাকা ফেরত দেওয়া হবে।

৫ লাখ টাকা ঋণ পাওয়ার আশায় তৌহিদা তার জীবনের জমানো টাকা থেকে ১ লাখ টাকা জমা দেন। কিন্তু টাকা পাঠানোর পরই ওই ফেসবুক পেজ থেকে আর কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।

তৌহিদা বলেন, টাকা পাঠানোর পর পেজটা আর কোনো উত্তর দেয়নি। লজ্জায় কী হয়েছে, তা পরিবারের কাউকেও বলতেও পারেননি তিনি।

তৌহিদার মতো আরও অনেক মানুষ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এমন অনলাইন ঋণ প্রতারণার শিকার হয়েছেন।

ঋণের অ্যাপ টাকা ব্যক্তিগত তথ্য দুটোই হাতিয়ে নেয়

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পেজের মতো মোবাইল অ্যাপ দিয়েও মানুষকে ঠকানো হচ্ছে।

বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মী রবিউল আলমও এমন প্রতারণার শিকার হয়েছেন। তিনি বলেন, কিছু অ্যাপ সরাসরি মানুষের টাকা হাতিয়ে নেয়। আবার কিছু অ্যাপ খুব বেশি সুদে ঋণ দেয়। কোনো কোনো ক্ষেত্রে সুদের হার ৮০০ শতাংশ পর্যন্ত হয়।

এসব অ্যাপ মোবাইলে ইনস্টল করার সময় ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত তথ্য পেয়ে যায় প্রতারকেরা। ফোনে থাকা যোগাযোগের নম্বর, ছবি ও ভিডিওর ওপর নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয় তারা।

এরপর ঋণের ওপর অস্বাভাবিক হারে সুদ চাওয়া হয়, আর দিতে অস্বীকৃতি জানালে শুরু হয় হয়রানি ও হুমকি। ব্যক্তিগত ছবি, ভিডিও বা অন্য তথ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখানো হয়।

রবিউল ‘ফিনক্যাশ’ নামে একটি অ্যাপের মাধ্যমে প্রতারণার শিকার হন। ওই অ্যাপ সর্বোচ্চ ৩০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণ দেওয়ার কথা বলত।এ ধরনের আরও কয়েকটি অ্যাপ ও ওয়েবসাইট হলো ‘মানি’, ‘পপক্যাশ’, ‘ক্যাশনাউ’’, ‘দ্রুত লোন’, ‘ফাস্ট লোন’, ‘সাথী লোন’ ও ‘কুইকলোন’।

বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, এ ধরনের ঋণ দেওয়ার অ্যাপ বেআইনি।

ঋণের পাশাপাশি জুয়া ক্রিপ্টোকারেন্সির ফাঁদ

অনলাইন প্রতারণার টোপ শুধু ঋণেই সীমাবদ্ধ নেই। বিভিন্ন ওয়েবসাইট ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পেজে অনলাইন জুয়া, বাজি ও ক্রিপ্টোকারেন্সি কেনাবেচার প্রস্তাব দেওয়া হচ্ছে। বাংলাদেশে এসব কার্যক্রমও বেআইনি।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থাগুলো বলছে, তদন্ত করতে গিয়ে তারা কিছু মোবাইল আর্থিক সেবা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ঋণের টাকা লেনদেনসহ বিভিন্ন অনুমোদনহীন কার্যক্রমে সহায়তার অভিযোগ পেয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের এক পরিদর্শনে দেখা গেছে, সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক ভার্চ্যুয়াল সম্পদ প্ল্যাটফর্ম ‘ফ্যাসেট’ বাংলাদেশে ওয়েবসাইট, মোবাইল অ্যাপ ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের মাধ্যমে কার্যক্রম চালাচ্ছে।

২০১৯ সালে প্রতিষ্ঠিত ফ্যাসেটকে দুবাইয়ের ভার্চুয়াল অ্যাসেট নিয়ন্ত্রক সংস্থা ভার্চুয়াল অ্যাসেট রেগুলেটরি অথরিটি (ভিএআরএ) লাইসেন্স দিয়েছে। তবে বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম চালানোর কোনো অনুমোদন বা লাইসেন্স নেই বলে পরিদর্শন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

সংযুক্ত আরব আমিরাত, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, পাকিস্তান, তুরস্ক ও বাংলাদেশকে ফ্যাসেটের প্রধান বাজার হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। বাংলাদেশি ব্যবহারকারীরাও প্রতিষ্ঠানটির সেবা নিতে পারছেন বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেন, বাংলাদেশি ব্যবহারকারীরা ফ্যাসেট অ্যাপে নিবন্ধন করে এর পারসন-টু-পারসন বা পিয়ার-টু-পিয়ার মার্কেটপ্লেস ব্যবহার করতে পারেন।

তিনি বলেন, ব্যবহারকারীরা স্থানীয় ব্যাংক হিসাব বা মোবাইল আর্থিক সেবার মাধ্যমে টাকা পাঠিয়ে টেথার বা ইউএসডিটি কিনতে পারেন।

এরপর সেই ইউএসডিটি দিয়ে বিটকয়েন ও ইথেরিয়ামের মতো ক্রিপ্টোকারেন্সি কেনা যায়। আবার সেগুলো বিক্রি করে টাকাও নেওয়া যায়।

সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংকের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, কিছু প্রতিষ্ঠান সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন অনলাইন ও অফলাইন মাধ্যমে অস্বাভাবিক বেশি লাভের প্রলোভন দেখিয়ে মানুষকে প্রতারণার ফাঁদে ফেলছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক বলেছে, অনেক ক্ষেত্রে প্রতারকেরা কৌশলে মানুষের কাছ থেকে ওয়ান-টাইম পাসওয়ার্ড বা ওটিপি নিয়ে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। কেউ কেউ আবার টাকা ফেরত দেওয়ার কথা বলে, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির টাকা, হজের টাকা বা সরকারের অন্য কোনো সুবিধা দেওয়ার কথা বলে মানুষকে ঠকাচ্ছে। এর ফলে অনেক মানুষ আর্থিক ক্ষতির শিকার হচ্ছেন।

এ ধরনের প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কোনো আর্থিক লেনদেন না করার পরামর্শ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। কেউ এসব প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে লেনদেন করে ক্ষতিগ্রস্ত হলে তার দায় তাকেই নিতে হবে বলেও জানিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

যাদের বিকল্প কম, তারাই বেশি টার্গেট

বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্টের (বিআইবিএম) মহাপরিচালক মো. এজাজুল ইসলাম বলেন, অবৈধ ঋণ দেওয়ার অ্যাপগুলো মূলত নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষকে টার্গেট করে। বিশেষ করে যারা আর্থিক সংকটে আছেন এবং সাইবার অপরাধ ও প্রতারণা সম্পর্কে কম জানেন, তাদেরই বেশি ফাঁদে ফেলা হচ্ছে।

এ ধরনের প্রতারণা ও অবৈধ ওয়েবসাইট-অ্যাপ সম্পর্কে বাংলাদেশ ব্যাংক ও সরকারের পক্ষ থেকে আরও বেশি সচেতনতা তৈরি করা দরকার বলে মনে করেন এজাজুল। তিনি আগে বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তাও ছিলেন।

তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলোকেও এ ধরনের প্রতারণা শনাক্ত করে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে আরও সক্রিয় হতে হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসাইন খান দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, আর্থিক গোয়েন্দা সংক্রান্ত বিষয়গুলো দেখে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট বা বিএফআইইউ। আর অপরাধের তদন্ত করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থা।

কোনো ব্যাংক এই ধরনের ঘটনায় জড়িত থাকলে বাংলাদেশ ব্যাংক সরাসরি বিষয়টি দেখে বলে জানান তিনি।

পেমেন্ট সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান ও মোবাইল আর্থিক সেবা প্রতিষ্ঠানগুলোকে নিয়মিত পরিদর্শন করে বাংলাদেশ ব্যাংকের পেমেন্ট সিস্টেমস বিভাগ। এসব প্রতিষ্ঠান নিজেরাও সন্দেহজনক লেনদেন শনাক্ত করে ব্যবস্থা নেয়।

তবে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র বলেন, প্রতিটি লেনদেন আলাদাভাবে যাচাই করা সম্ভব নয়। ফলে কিছু সন্দেহজনক লেনদেন নজর এড়িয়ে যেতে পারে।

অনলাইন জুয়ার বিরুদ্ধে নতুন আইন

অনলাইন জুয়া বন্ধে সরকার সম্প্রতি ‘জুয়া প্রতিরোধ আইন’ করেছে। এর মাধ্যমে ঔপনিবেশিক আমলের ১৮৬৭ সালের ‘পাবলিক গ্যাম্বলিং অ্যাক্ট’ বাতিল করা হয়েছে।নতুন আইনে শুধু প্রচলিত জুয়াই নয়, ডিজিটাল ও ভার্চুয়াল মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের জুয়াও অপরাধ হিসেবে ধরা হয়েছে।

এর মধ্যে রয়েছে অনলাইন জুয়া, অনলাইন ও দূরবর্তী বাজি, খেলাধুলায় বাজি, লাইভ বাজি, ক্যাসিনো বাজি, ভার্চুয়াল বাজি, ফ্যান্টাসি বাজি এবং ই-স্পোর্টসের ওপর বাজি।

ডিজিটাল গেম বা প্ল্যাটফর্মে টাকা দিয়ে বাজি ধরাও এই আইনের আওতায় পড়বে। একইভাবে ডিজিটাল ওয়ালেট, মোবাইল অ্যাপ, ওয়েবসাইট বা সার্ভার ব্যবহার করে জুয়া চালানোর বিষয়টিও অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে।

এসব অপরাধের জন্য ২ থেকে ৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং ২ লাখ থেকে ৫ কোটি টাকা পর্যন্ত জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে।জুয়া, বাজি, ক্রিপ্টোকারেন্সি কেনাবেচা এবং ই-কমার্সের মাধ্যমে হওয়া অন্যান্য প্রতারণা ঠেকাতেও কাজ করছে বিএফআইইউ।

বিএফআইইউর প্রধান ইখতিয়ার উদ্দিন মোহাম্মদ মামুন দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, জুয়া, বাজি ও বিভিন্ন ধরনের ডিজিটাল প্রতারণার বিরুদ্ধে সংস্থাটি কঠোর ব্যবস্থা নিচ্ছে।

তিনি জানান, গত মাসে জুয়া, বাজি ও ক্রিপ্টোকারেন্সি কেনাবেচার সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে ২০ হাজারের বেশি মোবাইল আর্থিক সেবা হিসাব শনাক্ত করে বন্ধ করা হয়েছে।

ঢাকা মহানগর পুলিশের সাইবার সিকিউরিটি অ্যান্ড সাপোর্ট সেন্টারের (দক্ষিণ) যুগ্ম পুলিশ কমিশনার সৈয়দ হারুন অর রশীদ বলেন, অনলাইন প্রতারণার অভিযোগ পুলিশ গুরুত্বের সঙ্গে নেয়। অভিযোগ পাওয়ার পর জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা করা হয়।

তিনি বলেন, ভুক্তভোগীরা পুলিশের কাছে এলে তাদের মামলা করার পরামর্শ দেওয়া হয়। এরপর শুধু অভিযোগের ভিত্তিতে নয়, যাচাই করা তথ্যের ওপর ভিত্তি করে তদন্ত করা হয়।

পুলিশ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও অনলাইন জুয়া ও অন্যান্য প্রতারণার বিষয়গুলো নজরে রাখে। কিছু ক্ষেত্রে নিজেরাই তথ্য পেয়ে মামলা করে।

হারুন বলেন, এ ধরনের অপরাধ নিয়ে বর্তমানে পুলিশের কাছে প্রায় ৪ হাজার সাধারণ ডায়েরি বা জিডি এবং ২৫০টির বেশি মামলা তদন্তাধীন রয়েছে। অনলাইন প্রতারণা এতটাই বেড়েছে যে মানুষকেও এখন সতর্ক থাকতে হবে।

এই শাখার আরও খবর

দ্বৈত নাগরিকত্বের প্রশ্নে ক্ষুব্ধ প্রতিমন্ত্রী, বললেন, ‘কার এত জ্বালা?’

মেলবোর্ন, ২৫ আগষ্ট- ব্রিটিশ নাগরিকত্ব ত্যাগ করেছেন কি না, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের সরাসরি জবাব না দিয়ে পাল্টা প্রশ্ন করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির। তিনি জানতে…

ঘুম থেকে তুলে ছেলেকে পুলিশের হাতে দিই, গায়ে ছিল গেঞ্জি: সিদ্ধার্থের বাবা

মেলবোর্ন, ২৫ আগষ্ট- রংপুরে অবসরপ্রাপ্ত স্কুলশিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী ও তাঁর পরিবারের চার সদস্য হত্যাকাণ্ডে গ্রেপ্তার সিদ্ধার্থ দাসের পরনের শার্ট নিয়ে নতুন প্রশ্ন উঠেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে…

আগেই বিচ্ছিন্ন করা হয়েছিল গণপতি চক্রবর্তীর বাড়ির বিদ্যুৎ সংযোগ, ভোরে বন্ধুকে ম্যাসেজ পাঠায় আগামী

মেলবোর্ন, ২৫ আগষ্ট- রংপুরে একই পরিবারের চারজন হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় নতুন দুটি তথ্য সামনে এসেছে। ঘটনার রাতে গণপতি চক্রবর্তীর বাড়ির বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন ছিল। পুলিশ বাড়িতে…

ডিএনএ পরীক্ষায় প্রমাণিত- ধর্ষণের ঘটনায় জন্ম নেওয়া শিশুটির বাবা সেই মাদরাসা শিক্ষক

মেলবোর্ন, ২৫ আগষ্ট- নেত্রকোনার মদনে ১১ বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় জন্ম নেওয়া নবজাতকের বাবা হিসেবে মামলার আসামি মাদরাসা শিক্ষক আমান উল্লাহ মাহমুদী সাগরই…

নুসরাত হত্যা মামলায় ১৬ আসামির ফাঁসি, বিচারিক ক্ষমতা হারালেন সেই বিচারক

মেলবোর্ন, ২৫ আগষ্ট- নুসরাত জাহান রাফি হত্যা মামলায় ১৬ আসামিকে একসঙ্গে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার ঘটনায় তৎকালীন বিচারক মামুনুর রশীদের বিচারিক ক্ষমতা কেড়ে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।…

তারেকের ভারত সফর, শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তন ও মক্কা জোট: নেপথ্যে কী ঘটছে?

মেলবোর্ন, ২৫ আগষ্ট- ২০২৪ সালের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের দ্বিতীয় বার্ষিকীকে সামনে রেখে ‘মক্কা সামরিক জোটে’ বাংলাদেশের যোগদানের উদ্যোগ নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। এই উদ্যোগ…

স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au