বাংলাদেশের জার্সিতে অভিষেকের অপেক্ষায় ফারহান আলী
বাংলাদেশের জাতীয় ফুটবল দলে প্রথমবার ডাক পেয়েই দেশের মানুষের ভালোবাসায় অভিভূত ১৯ বছর বয়সী ফারহান আলী ওয়াহিদ। ইংল্যান্ডে জন্ম ও বেড়ে ওঠা এই তরুণ উইঙ্গারের…
আফগানিস্তানের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে পাকিস্তানের বিমান হামলায় একই পরিবারের তিনজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও চারজন। সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর আফগান কর্মকর্তারা এ তথ্য জানিয়েছেন।
তালেবান সরকারের উপমুখপাত্র হামদুল্লাহ ফিতরাত জানিয়েছেন, কুনার প্রদেশের নুরগাল জেলার একটি বাড়িতে পাকিস্তানের বিমান হামলা চালানো হয়। এতে একই পরিবারের তিন সদস্য নিহত এবং আরও চারজন আহত হন। স্থানীয় কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে এ তথ্য প্রকাশ করেছে ।
একই সময়ে পাকিস্তানের বিমানবাহিনী পাকতিকা প্রদেশের বারমাল জেলায় আরও দুটি স্থানে হামলা চালায় বলে জানিয়েছেন হামদুল্লাহ ফিতরাত। এসব হামলায় একটি দোকান ও একটি খালি বাড়ি ধ্বংস হয়েছে। তবে সেখানে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী তাৎক্ষণিকভাবে হামলার বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি।
প্রায় তিন মাসের বিরতির পর নতুন করে এই বিমান হামলার ঘটনা দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে উত্তেজনা বাড়ার আশঙ্কা তৈরি করেছে। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে আফগানিস্তান ও পাকিস্তানের মধ্যে কয়েক বছরের মধ্যে সবচেয়ে বড় ধরনের সংঘর্ষ হয়। এরপর দুই দেশের সম্পর্কের টানাপোড়েন অব্যাহত রয়েছে।
পাকিস্তানের অভিযোগ, আফগানিস্তানের মাটিতে অবস্থানকারী সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো পাকিস্তানে সীমান্তপারের হামলা চালাচ্ছে এবং আফগানিস্তানের তালেবান সরকার তাদের আশ্রয় দিচ্ছে। তবে তালেবান সরকার এ অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে। তাদের দাবি, পাকিস্তানের সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর সমস্যা দেশটির নিজস্ব অভ্যন্তরীণ বিষয়।
সোমবারের বিমান হামলার কয়েক দিন আগে পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে একটি পুলিশ স্থাপনায় ভয়াবহ হামলা হয়। ওই ঘটনায় অন্তত ১৬ জন নিহত হন। হামলার পর থেকেই আফগানিস্তানকে ঘিরে পাকিস্তানের নিরাপত্তা উদ্বেগ আরও বেড়েছে।
এর আগে জুলাইয়ে আফগানিস্তান পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ড্রোন হামলা চালিয়েছিল। পাকিস্তান তখন দাবি করেছিল, তাদের বাহিনী ওই ড্রোনগুলো শনাক্ত করে ভূপাতিত করেছে।
চলতি বছরের মার্চে দুই দেশের মধ্যে সবচেয়ে বড় সংঘর্ষের ঘটনাগুলোর একটি ঘটে। সে সময় কাবুলে পাকিস্তানের বিমান হামলায় ৪০০ জনের বেশি নিহত হয়েছে বলে দাবি করেছিল আফগান তালেবান। তাদের দাবি ছিল, হামলায় একটি মাদক নিরাময়কেন্দ্রও লক্ষ্যবস্তু করা হয়। তবে পাকিস্তান ওই অভিযোগ অস্বীকার করে জানায়, তাদের হামলার লক্ষ্য ছিল সামরিক স্থাপনা ও সন্ত্রাসীদের সহায়তা দেওয়া অবকাঠামো।
সাম্প্রতিক হামলার পর দুই দেশের সীমান্ত পরিস্থিতি ও পারস্পরিক অভিযোগ নতুন করে উত্তেজনা তৈরি করছে। ফলে আফগানিস্তান ও পাকিস্তানের মধ্যে চলমান নিরাপত্তা সংকট আরও জটিল হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
সূত্র: রয়টার্স
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au