ফ্রান্সজুড়ে বিক্ষোভ ও ধর্মঘট, চাপে প্রেসিডেন্ট ম্যাখোঁ
প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের পাঁচ মাস আগে নতুন করে বিক্ষোভ ও ধর্মঘটের মুখে পড়েছে ফ্রান্স। জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি, সরকারি পরিষেবার অবনতি এবং শিক্ষাব্যবস্থার নানা সমস্যা নিয়ে অসন্তোষ…
ভারতের কর্ণাটক রাজ্যের চিক্কাবল্লাপুর জেলায় পারিবারিক বিরোধের জেরে ৩০ বছর বয়সী এক গৃহবধূকে গলা কেটে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তাঁর স্বামীর বিরুদ্ধে। হত্যার পর অভিযুক্ত নিজেই নিহতের মাকে ফোন করে মেয়েকে হত্যার কথা জানান। পরে থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণ করেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) এর প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। নিহত গৃহবধূর নাম পদ্মা (৩০)। তাঁর স্বামীর নাম চন্দ্র (৩৪)। তাঁরা কর্ণাটকের গৌরিবিদনুর শহরের বাসিন্দা।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি পদ্মা টাটাহাল্লি গ্রামে তাঁর বাবার বাড়িতে বেড়াতে গিয়েছিলেন। গত বুধবার তাঁর সঙ্গে কথা বলার কথা বলে স্বামী চন্দ্র তাঁকে গ্রামের বাইরের একটি বাগানে নিয়ে যান। সেখানে ধারালো অস্ত্র দিয়ে পদ্মার গলা কেটে এবং পেটে আঘাত করে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
হত্যাকাণ্ডের পর চন্দ্র নিজেই পদ্মার মা নরসামাকে ফোন করেন। ফোনে তিনি বলেন, ‘আমি তোমার মেয়ে পদ্মাকে মেরে ফেলেছি।’ এরপর তিনি সরাসরি গৌরিবিদনুর গ্রামীণ থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণ করেন। পুলিশ জানিয়েছে, সেখানে তিনি হত্যার দায় স্বীকার করেছেন।
এ ঘটনায় নিহত পদ্মার মা নরসামা থানায় একটি হত্যা মামলা করেছেন। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে পদ্মার মরদেহ উদ্ধার করেছে। তাঁর গলা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে গভীর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।
পুলিশের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, গত দুই বছর ধরে পদ্মা ও চন্দ্রের মধ্যে পারিবারিক বিরোধ চলছিল। তবে সেই বিরোধের সুনির্দিষ্ট কারণ কী ছিল এবং কী পরিস্থিতিতে হত্যাকাণ্ডটি ঘটেছে, তা তদন্ত করে দেখছে পুলিশ।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au