হামের উচ্চ ঝুঁকিতে বাংলাদেশ: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা
মেলবোর্ন, ২৪ এপ্রিল- বাংলাদেশে হাম রোগের বিস্তার নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। সংস্থাটির সর্বশেষ মূল্যায়নে বলা হয়েছে, দেশের সামগ্রিক পরিস্থিতি এখন জাতীয়ভাবে…
অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলসের উপকূলে বিরল ও ভয়াবহ ‘ইস্ট কোস্ট লো’ ঝড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত টানা ভারী বৃষ্টি ও ঘণ্টায় ১৩০ কিলোমিটার গতির ঝোড়ো হাওয়ায় উপকূলের বিস্তীর্ণ এলাকায় বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন, রেল ও ফ্লাইট বন্ধ এবং নদীর পানি বিপদসীমা ছুঁয়েছে।
নাইন নিউজসহ একাধিক গণমাধ্যম এই খবর জানিয়েছে।
উলাডুল্লায় একদিনেই ২২৪ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে, যা স্থানীয় রেকর্ড ছাড়িয়েছে। বন্যা ও ভূমিধসের শঙ্কায় কোফস হারবার থেকে বেগা পর্যন্ত বিস্তীর্ণ এলাকায় সতর্কতা জারি করা হয়েছে। সিডনি, সেন্ট্রাল কোস্ট ও ইলারায় হাজারো গাছ উপড়ে পড়েছে, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বিদ্যুৎ লাইন ও ঘরবাড়ি।
রাজ্যজুড়ে প্রায় ৩৭ হাজার বাড়ি বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন হয়েছে। জরুরি সেবা সংস্থা এসইএস জানিয়েছে, ২৪ ঘণ্টায় ৩,৪০০টির বেশি সহায়তা চেয়ে ফোন এসেছে, এবং এখন পর্যন্ত প্রায় ১,২০০ স্বেচ্ছাসেবী উদ্ধার তৎপরতায় কাজ করছেন।
সিডনিতে অন্তত ৫৫টি অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। বেশ কিছু রেলরুট বন্ধ রাখা হয়েছে।
কেন্দ্রীয় কোস্টের কয়েকটি এলাকায় ইতিমধ্যেই এভাকুয়েশন অর্ডার জারি করা হয়েছে। ওয়ারাগাম্বা ড্যাম প্রায় পূর্ণ হয়ে গেছে, যে কোনো সময় স্পিলওয়ে দিয়ে পানি ছাড়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে।
আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, আগামী ২৪–৪৮ ঘণ্টায় আরও ভারী বৃষ্টি, হঠাৎ বন্যা ও ক্ষতিকর ঝোড়ো হাওয়া অব্যাহত থাকতে পারে। নাগরিকদের জরুরি প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে না বের হওয়ার, গাছপালা ও ভিজে বৈদ্যুতিক তার থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
এ ধরনের ভয়াবহ ইস্ট কোস্ট লো সাধারণত শীতের শুরুতে দেখা যায় না, যা বিশেষজ্ঞদের কাছে আরও উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সরকারি ও উদ্ধার সংস্থাগুলো জানিয়েছে, ক্ষয়ক্ষতি ও ঝুঁকি এড়াতে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হচ্ছে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au