সরকার চায় ঐক্য, একটি মহল ছড়াচ্ছে বিভ্রান্তি: প্রধানমন্ত্রী
দেশের সব মানুষকে সঙ্গে নিয়ে ঐক্য গড়ে তুলতে চায় সরকার। তবে সরকার যখন সবাইকে নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে, তখন একটি মহল দেশে বিভ্রান্তি ছড়ানোর…
অস্ট্রেলিয়ার সাউথ–ইস্ট কুইন্সল্যান্ডে প্রবল ঘূর্ণিঝড়ের মতো বৈরী আবহাওয়া ছড়িয়ে পড়তে যাচ্ছে, যা ইতোমধ্যেই নিউ সাউথ ওয়েল্সের উপকূলীয় এলাকাগুলোতে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি করেছে। স্থানীয় সময় বুধবার এই সতর্কতা জারি করে দেশটির আবহাওয়া দপ্তর ও জরুরি সেবা সংস্থা (SES)।
মঙ্গলবার রাত থেকে বুধবার সকাল পর্যন্ত ঘণ্টায় ৭৫–১২০ কিলোমিটার বেগে বইছে ঝড়ো হাওয়া। এতে উপড়ে গেছে গাছপালা, বিদ্যুৎ লাইন ছিঁড়ে পড়েছে এবং বিপর্যস্ত হয়েছে জনজীবন। এরই মধ্যে ৪১ হাজারেরও বেশি বাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়েছে।
ঝড়ের কারণে ব্রিসবেনের অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক কয়েকটি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে এবং সড়ক ও রেল যোগাযোগেও বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। উপকূলীয় এলাকাগুলোতে হঠাৎ বন্যার আশঙ্কা রয়েছে, কয়েকটি নদীর পানি দ্রুত বেড়ে যাওয়ায় ভূমিধসেরও সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে টুউুমবা অঞ্চলে তাপমাত্রা শূন্য ডিগ্রির কাছাকাছি নেমে আসায় শীতের অনুভূতি আরও তীব্র হয়েছে।
সরকারি সংস্থাগুলো বিপর্যয় মোকাবিলায় তৎপর। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় স্যান্ডব্যাগিং, জরুরি মেরামত ও উদ্ধার তৎপরতা জোরদার করা হয়েছে। বাসিন্দাদের অপ্রয়োজনে ঘরের বাইরে না যেতে এবং স্থানীয় প্রশাসনের নির্দেশনা মানতে বলা হয়েছে।
আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, আগামী ২৪–৪৮ ঘণ্টায় আরও ভারী বৃষ্টিপাত ও শক্তিশালী ঝড়ো হাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এর ফলে উপকূল ও শহরতলির কিছু এলাকায় নতুন করে বন্যা ও ক্ষয়ক্ষতির ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।
অস্ট্রেলিয়ার কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকারগুলো দুর্যোগ মোকাবিলায় অতিরিক্ত অর্থ ও সহায়তা নিশ্চিত করতে একযোগে কাজ করছে। জরুরি বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নাগরিকদের নিরাপত্তাই এখন তাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au