হামের উচ্চ ঝুঁকিতে বাংলাদেশ: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা
মেলবোর্ন, ২৪ এপ্রিল- বাংলাদেশে হাম রোগের বিস্তার নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। সংস্থাটির সর্বশেষ মূল্যায়নে বলা হয়েছে, দেশের সামগ্রিক পরিস্থিতি এখন জাতীয়ভাবে…
অস্ট্রেলিয়ান সামরিক বাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ প্লেন, জাহাজ ও সাবমেরিনসহ বিভিন্ন স্থাপনা খুব সাধারণ ড্রোন হামলাতেও মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে—এমনই সতর্কতা দিয়েছেন প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা। দেশ-বিদেশে ড্রোন হামলার সাম্প্রতিক অভিজ্ঞতার আলোকে তারা মনে করছেন, অস্ট্রেলিয়ায় এখনো প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে ওঠেনি।
৯ নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়, গুগল ম্যাপের মতো উন্মুক্ত স্যাটেলাইট চিত্র ব্যবহার করেই অস্ট্রেলিয়ার প্রতিরক্ষা ঘাঁটির গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো, মহড়া ও নিরাপত্তা বিন্যাস সহজেই পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব। অস্ট্রেলিয়ান স্ট্র্যাটেজিক পলিসি ইনস্টিটিউটের (ASPI) বিশ্লেষক মার্ক অ্যাবলং বলেন, “Google Maps shows almost everything”—অর্থাৎ সুরক্ষার ফাঁকগুলোও প্রকাশ্যে চলে আসে।
প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ডেভিড কিলকালেন বলেন, ইউক্রেন ও ইসরায়েলে সাশ্রয়ী ড্রোন ব্যবহার করে শত্রুপক্ষ যেভাবে বড় ধরনের ক্ষতি করেছে, তেমন হামলা অস্ট্রেলিয়াতেও হতে পারে। এই হামলায় স্বল্পমূল্যের ড্রোন দিয়ে কোটি কোটি ডলারের সামরিক স্থাপনা ধ্বংস করার ঝুঁকি থাকে।
সরকার ইতিমধ্যে Land 156 নামের একটি অ্যান্টি-ড্রোন প্রকল্প চালু করেছে, যেখানে রাডার, সেন্সর ও প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা যুক্ত করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এ প্রকল্পের মাধ্যমে ২০২৩ সালের মধ্যে প্রতিরক্ষা বাহিনীর ঘাঁটিতে ড্রোন হামলা মোকাবেলায় সক্ষম ব্যবস্থা গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। তবে পুরোপুরি কার্যকর হতে ২০৩২ সাল পর্যন্ত সময় লাগতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, দেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলো সুরক্ষার বিষয়টি অগ্রাধিকার হিসেবে দেখা হচ্ছে এবং ধাপে ধাপে সেই কাজ এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। তবে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, সময়মতো ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে প্রথম হামলার ধাক্কা সামলানো কঠিন হয়ে পড়তে পারে।
অস্ট্রেলিয়ার নিজস্ব প্রতিষ্ঠান DroneShield, EOS ও Anduril Australia এরই মধ্যে অত্যাধুনিক অ্যান্টি-ড্রোন প্রযুক্তি সরবরাহের প্রস্তুতি নিচ্ছে, যা ভবিষ্যতে দেশের প্রতিরক্ষাকে আরও শক্তিশালী করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞদের ভাষায়, ভৌগোলিক দূরত্ব ও নিরাপত্তা বেষ্টনীর কারণে দীর্ঘদিন ধরে অস্ট্রেলিয়া তুলনামূলকভাবে সুরক্ষিত মনে হলেও, প্রযুক্তির অগ্রগতির কারণে সেই নিরাপত্তা আর আগের মতো শক্ত নেই। এখনই কার্যকর প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা না আনলে অস্ট্রেলিয়ার সামরিক সক্ষমতা ও ভাবমূর্তি বড় ধরনের হুমকির মুখে পড়তে পারে।
তথ্যসুত্রঃ নাইন নিউজ
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au