ইসলামাবাদ আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্রের অংশগ্রহণ নিয়ে অস্পষ্টতা
মেলবোর্ন, ২৫ এপ্রিল- পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সম্ভাব্য শান্তি আলোচনা ঘিরে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা। আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্রের অংশগ্রহণ নিয়ে এখনও স্পষ্ট কোনো অবস্থান পাওয়া…
মেলবোর্ন, ১৮ জুলাই-
অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলস রাজ্যের বরফে আচ্ছাদিত পাহাড়ি এলাকায় একটি হালকা ধরনের উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত হয়ে নিখোঁজ হন ৭৪ বছর বয়সী পাইলট ডেভিড স্টিফেন্স। তিন দিন পর দুর্ঘটনাস্থল থেকে এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে, যা স্টিফেন্সের বলে ধারণা করছে পুলিশ।
গত মঙ্গলবার (১৫ জুলাই) সকালবেলা ভিক্টোরিয়ার ওয়াঙ্গারাটা এলাকা থেকে নিজের ১৯৬৬ সালের বীচক্র্যাফট ডেবোনায়ার নামের ব্যক্তিগত বিমান নিয়ে মুরুয়া বিমানবন্দরের উদ্দেশ্যে উড়াল দিয়েছিলেন ডেভিড স্টিফেন্স। কিন্তু সময়মতো পৌঁছাননি। এরপরই শুরু হয় একটি বড় আকারের তল্লাশি অভিযান।
বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টার দিকে নিউ সাউথ ওয়েলস পুলিশের একটি উদ্ধারকারী হেলিকপ্টার খোঁজ পায় বিধ্বস্ত বিমানের। দুর্ঘটনাস্থল ছিল দুর্গম, খাড়া ও বরফে ঢাকা একটি পাহাড়ি অঞ্চল—খানকোবান এলাকার পূর্ব দিকে, যেখানে সহজে পায়ে হাঁটা সম্ভব নয়।
পুলিশ জানায়, ঘটনাস্থলে বিমানের ধ্বংসাবশেষ এতটাই ক্ষতিগ্রস্ত ছিল যে সেটিকে চেনা যাচ্ছিল না। নিউ সাউথ ওয়েলস পুলিশের সুপারিনটেনডেন্ট অ্যান্ড্রু স্প্লিয়েট বলেন, “এটি একটি ভয়ংকর ধ্বংস, যা দেখে বোঝাই যাচ্ছিল না যে এটি একটি উড়োজাহাজ। এই ধরনের দুর্ঘটনায় বেঁচে থাকা সম্ভব নয় বলেই আমরা মনে করছি।”
পরদিন শুক্রবার (১৮ জুলাই) বিকেল ৩টার কিছু আগে ঘটনাস্থল থেকে একটি মরদেহ উদ্ধার করা হয়, যেটি পাইলট স্টিফেন্সের হতে পারে বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা। তবে আনুষ্ঠানিক পরিচয় নিশ্চিত করতে ফরেনসিক পরীক্ষার অপেক্ষা করা হচ্ছে।
ডেভিড স্টিফেন্স ছিলেন দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞ পাইলট। প্রায় ৬০ বছর ধরে তিনি উড়োজাহাজ চালিয়ে আসছিলেন এবং একটি স্থানীয় উড়োজাহাজ ক্লাবের সক্রিয় সদস্য ছিলেন। পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, তিনি শিগগিরই অবসরে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন।
এখনো পর্যন্ত কী কারণে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে, তা নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি। তবে আবহাওয়া খারাপ ছিল এবং দুর্ঘটনার সময় তিনি বরফে ঢাকা পাহাড়ি অঞ্চলের ওপর দিয়ে যাচ্ছিলেন বলে জানা গেছে।
নিউ সাউথ ওয়েলস পুলিশ এবং অস্ট্রেলিয়ান ট্রান্সপোর্ট সেফটি ব্যুরো (ATSB) যৌথভাবে এই দুর্ঘটনার তদন্ত করছে। দুই মাসের মধ্যে প্রাথমিক প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
অত্যন্ত অভিজ্ঞ একজন পাইলটের মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে অস্ট্রেলিয়ার বিমানচালক সমাজ ও তার পরিবারে। এখন সবার অপেক্ষা, তদন্তে বেরিয়ে আসবে—এই দুর্ঘটনার পেছনে আসলে কী কারণ ছিল।
সুত্রঃ নাইন নিউজ
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au