মেলবোর্ন, ১৬ সেপ্টেম্বর- সুইডেনের একটি আইটি সিস্টেম সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের ওপর সাইবার হামলার পর প্রায় ১৫ লাখ মানুষের ব্যক্তিগত তথ্য অনলাইনে ফাঁস হয়েছে। মঙ্গলবার প্রসিকিউশন কর্তৃপক্ষ এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
প্রসিকিউটর সান্দ্রা হেলগাডত্তির বলেন, আগস্টের ২৩ থেকে ২৪ তারিখের মধ্যে মিলিয়োদাটা নামের প্রতিষ্ঠানের সিস্টেমে হামলা চালানো হয়। এ সময় যে তথ্য চুরি হয়েছিল তা ইতিমধ্যেই ডার্কনেটে প্রকাশ করা হয়েছে। ফাঁস হওয়া তথ্যে নাম, ঠিকানা ও যোগাযোগের তথ্য অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
হেলগাডত্তির জানান, ‘ডেটাকেরি’ নামে একটি হ্যাকার গ্রুপ এ ঘটনার দায় স্বীকার করেছে। তারা ১.৫ বিটকয়েন (প্রায় ১ লাখ ৭০ হাজার ডলার) মুক্তিপণ দাবি করেছিল। তবে এখন পর্যন্ত কোনো বিদেশি রাষ্ট্রের সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
এ ঘটনায় অন্তত ১৬৪টি পৌরসভা, চারটি আঞ্চলিক কর্তৃপক্ষ এবং একাধিক বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ট্রাক নির্মাতা ভলভো, এয়ারলাইন এসএএস ও বিমান ইঞ্জিন নির্মাতা জিকেএন এয়ারোস্পেস। বিশেষ করে গথেনবার্গ শহরের পৌর কর্মচারীরা ব্যাপকভাবে প্রভাবিত হয়েছেন।
সুইডিশ প্রাইভেসি প্রটেকশন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত ক্ষতিগ্রস্তদের কাছ থেকে ২৫০টি অভিযোগ পাওয়া গেছে। তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
কাজাখস্তানে জোরপূর্বক বিয়ে ও কনে অপহরণ নিষিদ্ধ
আস্তানা, ১৬ সেপ্টেম্বর — কাজাখস্তানে জোরপূর্বক বিয়ে ও কনে অপহরণ নিষিদ্ধ করে নতুন আইন কার্যকর হয়েছে। মঙ্গলবার থেকে কার্যকর হওয়া এই আইনে বলা হয়েছে, কারও ওপর জোর করে বিয়ে চাপিয়ে দিলে সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া যাবে।
পুলিশ জানিয়েছে, এ পদক্ষেপের লক্ষ্য হলো নারীদের, বিশেষ করে কিশোরীদের সুরক্ষা দেওয়া। নতুন আইনে কনে অপহরণের ক্ষেত্রেও আর ছাড় নেই— পূর্বে কেউ ভুক্তভোগীকে ছেড়ে দিলে ফৌজদারি দায় এড়ানো যেত, কিন্তু এখন থেকে তা বাতিল করা হয়েছে।
যদিও সঠিক পরিসংখ্যান নেই, তবে গত তিন বছরে পুলিশ এ ধরনের ২১৪টি অভিযোগ পেয়েছে। এ প্রথা প্রতিবেশী কিরগিজস্থানেও বিদ্যমান, যেখানে সামাজিক কলঙ্ক ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উদাসীনতার কারণে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই অপরাধীরা শাস্তি এড়ায়।
২০২৩ সালে সাবেক মন্ত্রীর হাতে এক নারীর হত্যাকাণ্ডের পর কাজাখস্তানে নারীর অধিকার নিয়ে তীব্র আলোচনার সূত্রপাত হয়। প্রেসিডেন্ট কাসিম-জোমার্ট টোকায়েভ তখন প্রকাশ্যে বলেন, “কথিত প্রথার আড়ালে কনে অপহরণ চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা এক ধরনের অন্ধকারাচ্ছন্নতা, যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।”
সুত্রঃ এএফপি