আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের আদেশের পর সেনা কর্মকর্তাদের নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। ছবি: সংগৃহীত
মেলবোর্ন, ২৩ অক্টোবর: মানবতাবিরোধী অপরাধের তিন মামলায় বুধবার (২২ অক্টোবর) সকাল ট্রাইব্যুনালে হাজির করা ১৫ জন সেনা কর্মকর্তা নির্দোষ দাবি করেছেন তাদের আইনজীবী এম সরোয়ার হোসেন। তিনি সাংবাদিকদের বলেন,
“এই অফিসাররা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে স্বেচ্ছায় আত্মসমর্পণ করেছেন। তাঁরা সকলেই অভিজ্ঞ ও সিনিয়র অফিসার, কারো বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট প্রমাণ নেই।”
আদালতে শুনানির পর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে ওই কর্মকর্তাদের ঢাকার সেনানিবাসের সাব-জেলে রাখার জন্য।
আইনজীবী সরোয়ার হোসেন দাবি করেছেন,
“যে প্রকৃত অপরাধীরা এই মামলার সঙ্গে যুক্ত, তারা ইতিমধ্যেই পার্শ্ববর্তী দেশে পালিয়ে গেছেন।”
তাঁর মতে, গ্রেপ্তারের আদেশ দেয়া ১৫ কর্মকর্তার ক্ষেত্রে “গ্রেপ্তার” নয় -তারা “পুলিশে আত্মসমর্পণ” করেছেন।
মামলাগুলোতে অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন মেজর জেনারেল শেখ মো. সরওয়ার হোসেন, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল তোফায়েল মোস্তফা সারোয়ার সহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন সেনা কর্মকর্তা।
এই মামলাগুলো দুইটি গুম-নির্যাতন এবং একটি জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থানের সময়ে হত্যাকাণ্ড সংক্রান্ত। গত ৮ অক্টোবর ট্রাইব্যুনালে ফরমাল চার্জ গ্রহণ করা হয়, এরপর ১১ অক্টোবর সেনাবাহিনী জানিয়েছিল ১৫ জন কর্মকর্তাকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
এই ঘটনার পর বিচার ও সেনাবাহিনীর ভূমিকা নিয়ে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে – আইনজীবী দাবি করছেন যে অপরাধ দায়রা করা হয়নি সঠিকভাবে, এবং রাজনৈতিক চাপ-প্রভাবের সম্ভাবনা রয়েছে।