চাঁদা না পেয়ে কক্সবাজারে গণেশ পালকে কুপিয়ে হত্যা
মেলবোর্ন, ৮ মার্চ- কক্সবাজার শহরে বাড়ি নির্মাণের চাঁদা না দেওয়ার জেরে গণেশ পাল (২৯) নামে এক হিন্দু ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (৭ মার্চ)…
মেলবোর্ন, ৭ ডিসেম্বর- বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা এখনো স্থিতিশীল নয়। চিকিৎসকরা মনে করছেন, তিনি এই মুহূর্তে লম্বা বিমানযাত্রা সহ্য করার মতো সুস্থ নন। তাই তাঁকে লন্ডনে উন্নত চিকিৎসার জন্য পাঠানো নিয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া যায়নি। বিএনপি জানিয়েছে, এয়ার অ্যাম্বুলেন্স প্রস্তুত আছে। কিন্তু বিদেশে নেওয়ার বিষয়টি সম্পূর্ণ নির্ভর করছে তাঁর শারীরিক সক্ষমতার ওপর।
চিকিৎসায় গঠিত মেডিকেল বোর্ডের সদস্যদের ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র শনিবার রাতে জানায়, খালেদা জিয়ার ডায়াবেটিস, কিডনি, হৃদ্যন্ত্র এবং ফুসফুসের নানা জটিলতা ওঠানামা করছে। একেকটি সমস্যার অবস্থা কখনো নিয়ন্ত্রিত থাকে, আবার হঠাৎ তা অস্থিতিশীল হয়ে পড়ে। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, কিডনির সমস্যার কারণে যে হিমোগ্লোবিন কমে গিয়েছিল, তা কিছুটা বেড়েছে। ফুসফুসের কার্যকারিতাও কিছুটা উন্নত। তবে তাঁকে এখনো ঝুঁকিমুক্ত বলা যাচ্ছে না।
এসব কারণে বিদেশে নেওয়ার তারিখ বারবার পিছিয়ে যায়। শুরুতে বিএনপি জানায়, ৫ ডিসেম্বর ভোরে তাঁকে লন্ডনে নেওয়া হবে। পরে তা পরিবর্তন করে ৭ ডিসেম্বর বলা হয়। এরপর রাতেই জানা যায়, সম্ভাব্য নতুন তারিখ ৯ ডিসেম্বর রাখা হয়েছে। যদিও এই তারিখেও যাত্রা নিশ্চিত নয় বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
চিকিৎসা এবং বিদেশে পাঠানোর বিষয়ে অবগত একটি সূত্র জানায়, খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য বিবেচনায় পরিকল্পনা আরও দুই দিন পিছিয়ে ৯ ডিসেম্বর নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে সবকিছুই নির্ভর করছে তাঁর শারীরিক উন্নতি এবং মেডিকেল বোর্ডের সিদ্ধান্তের ওপর। সর্বশেষ আপডেটে তাঁর শারীরিক অবস্থায় বিশেষ পরিবর্তন নেই।
এভারকেয়ার হাসপাতালের বাইরে এক ব্রিফিঙে মেডিকেল বোর্ডের সদস্য এবং বিএনপি নেতা এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেন, খালেদা জিয়া এখনো বিমানযাত্রার উপযোগী নন। তিনি জানান, বিদেশে নেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। যখন চিকিৎসকেরা মনে করবেন যে তাঁর শরীর দীর্ঘ যাত্রা সহ্য করতে পারবে, তখনই তাঁকে পাঠানো হবে।
তিনি আরও বলেন, নির্ধারিত সময়ে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে কারিগরি সমস্যা ছিল, তবে একই সময়ে মেডিকেল বোর্ডও সিদ্ধান্ত দেয় যে তাঁর জন্য সে মুহূর্তে উড়োজাহাজে ওঠা নিরাপদ হবে না। তাই যাত্রা পিছিয়েছে এবং ভবিষ্যতেও তাঁর শারীরিক অবস্থার ওপরই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নির্ভর করবে।
জাহিদ হোসেন দীর্ঘদিন ধরে খালেদা জিয়ার চিকিৎসায় নিয়োজিত দেশি–বিদেশি চিকিৎসকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও চিকিৎসকেরা গত ছয় বছর ধরে তাঁর সেবা করে যাচ্ছেন।
বিএনপির স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ও চিকিৎসক রফিকুল ইসলাম বলেন, খালেদা জিয়া এর আগে আরও খারাপ অবস্থা থেকে সুস্থ হয়ে ফিরেছেন। তাই এবারও তাঁর সুস্থ হয়ে ওঠা নিয়ে তাঁরা আশাবাদী।
সূত্রঃ প্রথম আলো
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au