যুক্তরাষ্ট্র–ইরান সংঘাত: অস্ট্রেলিয়া কি যুদ্ধে জড়িয়ে পড়তে পারে?
মেলবোর্ন, ৯ মার্চ: যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের ক্রমবর্ধমান সামরিক সংঘাতের প্রেক্ষাপটে অস্ট্রেলিয়া সরাসরি যুদ্ধে জড়িয়ে পড়তে পারে কি না, তা নিয়ে নতুন করে আলোচনা…
মেলবোর্ন, ৯ মার্চ- মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতি এবং ইরানের ধারাবাহিক ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার প্রেক্ষাপটে সৌদি আরবে অবস্থানরত নিজেদের দূতাবাসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দ্রুত দেশ ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। একই সঙ্গে তাদের পরিবারের সদস্যদেরও দ্রুত সৌদি আরব ত্যাগ করতে বলা হয়েছে।
রোববার (৮ মার্চ) এ সংক্রান্ত একটি নোটিশ জারি করেছে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর। নোটিশে বলা হয়েছে, গত এক সপ্তাহ ধরে সৌদি আরবে ইরানের একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার কারণে নিরাপত্তা ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে গেছে।
এ অবস্থায় সৌদি আরবে অবস্থানরত মার্কিন কূটনীতিক, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের দ্রুত দেশে ফিরে আসার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি সাধারণ মার্কিন নাগরিকদেরও সৌদি আরব ভ্রমণের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছে ওয়াশিংটন।
নোটিশে উল্লেখ করা হয়, যারা সৌদি আরবে ভ্রমণের পরিকল্পনা করছেন তাদের ইরানের সম্ভাব্য ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, মার্কিন স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করা, সশস্ত্র সংঘাত, সন্ত্রাসী হামলার ঝুঁকি, দেশত্যাগে সম্ভাব্য বিধিনিষেধ এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম সম্পর্কিত আইনগত জটিলতার বিষয়গুলো বিবেচনায় নেওয়া উচিত।
এর আগে ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে গত ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত টানা ২১ দিন সংলাপ চলে তেহরান ও ওয়াশিংটন-এর মধ্যে। তবে ওই আলোচনা কোনো সমঝোতা ছাড়াই শেষ হয়।
সংলাপ ব্যর্থ হওয়ার পর ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে সামরিক অভিযান শুরু করে মার্কিন সামরিক বাহিনী, যার নাম দেওয়া হয় ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’। একই সময় ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শুরু করে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী, যার নাম ‘অপারেশন রোয়ারিং লায়ন’।
এর পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় ইরান ইসরায়েল এবং মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্য করে একের পর এক ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালাচ্ছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। গত এক সপ্তাহে সৌদি আরবে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটি, দূতাবাস এবং তেল স্থাপনাগুলোতেও একাধিক হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে।
সূত্র: আলজাজিরা
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au